খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

গাজীপুরে ভূমি অফিসের সব কর্মকর্তা অনিয়মের জন্য বরখাস্ত

মোঃ মনিরুজ্জামান
প্রকাশিত: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৫৬ অপরাহ্ণ
গাজীপুরে ভূমি অফিসের সব কর্মকর্তা অনিয়মের জন্য বরখাস্ত

গাজীপুরের কাশিমপুর ভূমি অফিসে নানা অনিয়মের অভিযোগে সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সাময়িক ভাবে বরখাস্ত করেছে জেলা প্রশাসক।

সোমবার (৩ আগস্ট) সকালে হঠাৎ পরিদর্শনে গিয়ে অনিয়মের প্রাথমিক সত্যতা পেয়ে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে বরখাস্ত করা হয়।
একইদিন জেলা প্রশাসক মো. নূরুল করিম ভূঁইয়া বলেন, সকালে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সোহেল রানা, গাজীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেন এবং টঙ্গী রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) হাসিবুর রহমানকে সঙ্গে নিয়ে কয়েকটি ভূমি অফিস পরিদর্শনে বের হই। প্রথমেই কাশিমপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গিয়ে দেখি, সেখানে দায়িত্বপ্রাপ্ত অনেকেই কাজের জন্য উপযুক্ত নন এবং তারা বিধি অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছেন না। অফিসে অসংখ্য বহিরাগত ও সেবাপ্রার্থী ছিলেন, যাদের কাছ থেকে নানা অভিযোগ পাওয়া গেছে।
তিনি বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে নথিপত্র ও বিভিন্ন মামলা পরীক্ষা করে তহসিলদারের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়। কিন্তু তারা সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। প্রয়োজনীয় কাগজপত্রও দেখাতে পারেননি। এমনকি ‘নামজারি’ সফটওয়্যারের কার্যক্রমও প্রদর্শন করতে ব্যর্থ হন। প্রাথমিকভাবে আমাদের কাছে প্রতীয়মান হয়েছে, অনলাইনে সম্পন্ন হওয়ার কথা থাকলেও নামজারির কাজ তিনি নিজে না করে বাইরের লোক দিয়ে করাচ্ছেন। এটি অত্যন্ত গুরুতর অনিয়ম। মানুষের জমিজমা ও সম্পত্তির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কোনোভাবেই বহিরাগতদের মাধ্যমে পরিচালিত হতে পারে না।
পরিদর্শনে দেখা গেছে, অফিসের দুজন কর্মকর্তা অনুপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত কর্মকর্তারাও কাজের সঠিক হিসাব দিতে পারেননি। বিপুলসংখ্যক আবেদন ও কাজ দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে আছে এবং বিভিন্ন অনিয়মের প্রমাণ মিলেছে। এসব বিষয় প্রাথমিক পরিদর্শনে আমাদের নজরে আসায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জেলা প্রশাসক বলেন, এখন বিস্তারিত তদন্ত করা হবে। তদন্তে অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর অভিযোগ প্রমাণিত না হলে সরকারি বিধি অনুযায়ী তারা অব্যাহতি পাবেন।
তিনি বলেন, এরপর আমরা আরেকটি ভূমি অফিসও পরিদর্শন করেছি। সেখানে কর্মকর্তারা কাজ করার চেষ্টা করছেন। কিছু বিষয়ে তাদের ভুল ছিল, সেগুলো সংশোধনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আমরা এসব নির্দেশনার বাস্তবায়ন নিয়মিত তদারকি করব।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে ভূমি সেবা কেন্দ্রের মাধ্যমে আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। সেখান থেকে আবেদন সরাসরি সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও সংশ্লিষ্ট তহসিল অফিসে যায়। তহসিলদার আবেদন যাচাই-বাছাই করে উপযুক্ত হলে অনুমোদনের জন্য প্রস্তাব দেবেন। আর উপযুক্ত না হলে যথাযথ কারণ উল্লেখ করে আবেদনটি অনুমোদনের জন্য প্রস্তাব করবেন না।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।