খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

আইন মেনে তালাকের পর সাবেক স্ত্রীর হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা: বৃদ্ধ মায়ের জীবন শঙ্কায়, আতঙ্কে পুরো পরিবার

মোস্তাফিজুর রহমান রানা
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬, ৫:২৬ অপরাহ্ণ
আইন মেনে তালাকের পর সাবেক স্ত্রীর হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা: বৃদ্ধ মায়ের জীবন শঙ্কায়, আতঙ্কে পুরো পরিবার

রাজশাহীতে আইনি ও ধর্মীয় অনুশাসন মেনে তালাক দেওয়ার পর সাবেক স্বামী ও তাঁর সম্পূর্ণ পরিবারের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা যৌতুক ও নির্যাতনের মামলা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। হয়রানিমূলক এই মামলার কারণে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে ভুক্তভোগী পরিবারটি। শুধু তাই নয়, বৃদ্ধ ও গুরুতর অসুস্থ মায়ের চিকিৎসার সুযোগ না পেয়ে এবং গ্রেপ্তার আতঙ্কে গৃহহীন অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন রাজশাহী মহানগরীর রাজপাড়া থানার লক্ষ্মীপুর প্যারামেডিকেল এলাকার নিবাসী রকিবুল আলম রাসেদ ও তাঁর পরিবার।

অনুসন্ধানে জানা যায়, গত ২৬ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখে রাজশাহী মহানগরীর রাজপাড়া থানাধীন নতুন বিলশিমলা এলাকার রেজওয়ানা কবিরের সাথে রকিবুল আলমের বিবাহ সম্পন্ন হয়। দাম্পত্য জীবনের নানা বনিবনা না হওয়ায় এবং পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতিতে গত ১ জুলাই ২০২৬ তারিখে সম্পূর্ণ ইসলামিক শরীয়াহ ও দেশের প্রচলিত আইন মেনে রেজওয়ানা কবিরকে তালাক প্রদান করেন রকিবুল আলম।
আইনসম্মত তালাকের মাত্র ১১ দিনের মাথায়, অর্থাৎ ১২ জুলাই ২০২৬ তারিখে সাবেক স্ত্রী রেজওয়ানা কবির সংক্ষুব্ধ হয়ে রকিবুল আলমসহ তাঁর পরিবারের প্রত্যেকটি সদস্যকে আসামি করে একটি মিথ্যা ও কাল্পনিক যৌতুক ও নির্যাতন মামলা দায়ের করেন।

ভুক্তভোগী রকিবুল আলম জানান, তালাকপ্রাপ্ত হওয়ার আক্রোশ থেকেই এই ভিত্তিহীন মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।আমাকে আগে থেকে হুমকি দিয়ে আসছিল আমি রাজপাড়া থানা ডিজি করা আছে। মামলায় পরিবারের সবাইকে আসামি করায় আইনগত হয়রানির ভয়ে তাঁরা নিজ বাসভবনে অবস্থান করতে পারছেন না। এর ফলে সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়েছেন তাঁর বৃদ্ধা মা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে অ্যাজমা (হাঁপানি), উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিসসহ নানা জটিল শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন। ঘরছাড়া অবস্থায় সঠিক সময়ে ওষুধ ও ডাক্তারের পরামর্শ না পাওয়ায় তাঁর শারীরিক অবস্থার আশঙ্কাজনক।

এই বিষয়ে মামলার বাদী রেজওয়ানা কবিরকে ফোন দিলে তিনি রাগান্বিত হন কোথাকার সাংবাদিক মামলার কাগজ কোথায় পেলেন আপনি আসামি লোক আপনি আপনার প্রশ্ন উত্তর দিতে বাধ্য না।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রাজপাড়া থানার এসআই আব্দুল্লাহ বলেন, মামলা হচ্ছে সত্য মিথ্যা তদন্ত করে দেখা হবে। পুরোপুরি তদন্ত শেষ না হলে কিছু বলা যাচ্ছে না।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী পরিবারটি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বিচার বিভাগের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের জোর দাবি জানিয়েছেন, যেন একজন অসুস্থ বয়োবৃদ্ধা নারী সঠিক চিকিৎসা পান।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।