খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

ভোক্তা অধিকারের অভিযান রোগীকে তালা বদ্ধ করে পালিয়ে গেল কর্তৃপক্ষ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মার্চ, ২০২৪, ১১:৫৮ পূর্বাহ্ণ
ভোক্তা অধিকারের অভিযান রোগীকে তালা বদ্ধ করে পালিয়ে গেল কর্তৃপক্ষ

বীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের যৌথ অভিযানে বীরগঞ্জ উপজেলার পৌর শহরের পেশেন্ট কেয়ার প্রাইভেট হাসপাতাল এবং মা ও শিশু হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান চালিয়ে ২০ হাজার টাকা করে মোট ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

মঙ্গলবার (০৫ মার্চ) সকালে অভিযান পরিচালনা শুরু করেন পৌর শহরের সেন্টার পাড়ায় পেশেন্ট কেয়ার প্রাইভেট হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ছাড়া অপারেশন করা এবং পর্যাপ্ত নার্স না থাকায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ ধারা অনুযায়ী ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। প্রাইভেট হাসপাতালকে ১ মাসের মধ্যে সকল শর্ত পূরণ করার নির্দেশনা দেন। এরপর উপজেলা গেট সংলগ্ন মা ও শিশু হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার কর্তৃপক্ষ টের পেয়ে রোগীকে ক্লিনিকের কক্ষে রেখেই তালা মেরে দেন।

ভোক্তার অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মমতাজ বেগম অভিযান পরিচালনা করার সময় তালাবন্ধ অবস্থায় ১জন রোগীকে দেখতে পান। তাৎক্ষণিক ওই রোগীকে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট বীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অ্যাম্বুলেন্স এর মাধ্যমে রেফার করেন। রংপুর মেডিকেল কলেজের এমবিবিএস মোঃ নোমান ইসলাম নিরব কে না রেখেই, তার নাম দেখিয়ে হাসপাতাল পরিচালনা করছেন। লাইসেন্সবিহীন এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ছাড়া অপারেশন করা, পর্যাপ্ত নার্স না থাকায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ ধারা অনুযায়ী ২০ হাজার টাকা জরিমানা করে। অনির্দিষ্টকালের জন্য মা ও শিশু হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার সিলগালা করে, সকল শর্ত পূরণ করে চালু করার নির্দেশনা দেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডাঃ মোহাম্মদ মহসীন, বীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর মেডিকেল অফিসার (রোগ নিয়ন্ত্রণ) ডাঃ সৈয়দ সাব্বির-উল-ইসলাম।
ভোক্তার অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মমতাজ বেগম বলেন, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর অবৈধ ক্লিনিক এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে অভিযানে মাঠে নেমেছি। অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় ২টি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়েছে। আগামীতেও এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

 

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।