খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

অ্যাস্টন ভিলাকে ২-১ গোলে হারিয়েছে পিএসজি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ৮:৫৮ অপরাহ্ণ
অ্যাস্টন ভিলাকে ২-১ গোলে হারিয়েছে পিএসজি

ঢাকার ডাক স্পোর্টস ডেস্ক:  অস্ট্রিয়ার সালজবুর্গে উয়েফা সুপার কাপের ফাইনালে অ্যাস্টন ভিলাকে ২-১ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা জিতেছে চ্যাম্পিয়নস লীগের বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। পিএসজির হয়ে গোল দুটি করেন খাভিচা কাভারাৎসখেলিয়া ও দেজিরে দুয়ে।

উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লীগ ও উয়েফা ইউরোপা লীগের চ্যাম্পিয়ন দলের মধ্যে হওয়া এই সুপার কাপে গত মৌসুমে টটেনহ্যাম হটস্পারকে পেনাল্টিতে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল পিএসজি। এবার ইংল্যান্ডের আরেক ক্লাব ভিলাকেও খালি হাতে ফেরালো লুইস এনরিকের দল। রিয়াল মাদ্রিদের পর আধুনিক যুগে টানা দুইবার সুপার কাপ ধরে রাখা দ্বিতীয় দল এখন পিএসজি।

বল দখলের লড়াইয়ে পিছিয়ে থাকলেও গোলের জন্য ১৪টি শট নেয় তারা, যার ৪টি ছিল লক্ষ্যে। বিপরীতে পিএসজির ৯ শটের ৫টি লক্ষ্যে থাকলেও তার দুটিতেই আসে গোল। প্রথমার্ধে ধীরে গুছিয়ে নেয়ার পর ২০তম মিনিটে এগিয়ে যায় পিএসজি। ডি-বক্সে বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ডিফেন্ডারের বাধা এড়িয়ে জোরাল শটে জাল কাঁপান কাভারাৎসখেলিয়া। এর কিছুক্ষণ পর সুযোগ এলেও নুনো মেন্দেসের চমৎকার ক্রসে পা ছোঁয়াতে পারেননি কেউ। বিরতির আগে ৪৫ মিনিটের মাথায় সমতা ফেরায় ভিলা। জন ম্যাকগিনের ক্রস থেকে নিখুঁত শটে জাল খুঁজে নেন মাদজো। দ্বিতীয়ার্ধে গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে দুই দলই। তবে সফল হয় পিএসজি। ৬১ মিনিটের মাথায় দারুণ পাল্টা আক্রমণে উসমান দেম্বেলের পাস ধরে ডি-বক্সে ঢুকে কোনাকুনি শটে দলকে এগিয়ে দেন দুয়ে। এ গোলই শিরোপার ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়। এই জয়ে পিএসজির হয়ে মাত্র তিন বছরে ১৩টি শিরোপা জিতলেন কোচ লুইস এনরিকে।

খেলোয়াড়দের একটু বিশ্রাম এবং পরিবারের সাথে কিছু সময়ের প্রয়োজন ছিল; কিন্তু যখনই তারা প্যারিস সেন্ট জার্মানির জার্সি গায়ে জড়ায়, তখন সমর্থকদের সাথে এবং খেলোয়াড়দের নিজেদের মধ্যে সেই নিবিড় সংযোগ তৈরি হয়ে যায়। আজ আমরা আবারও যা দেখিয়েছি তা হলোÑকিছু ভুলত্রুটি ও ঘাটতি থাকা সত্ত্বেও, আমরা ঠিক আগের মতো একই দল হয়ে আছি। আমরা সবসময় শুরুর একাদশের খেলোয়াড়দের নিয়েই বেশি কথা বলি, তবে এ ধরনের ম্যাচে বদলি হিসেবে নেমে মাঠে প্রস্তুত থাকাটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দলের সব খেলোয়াড়ই একই ভাবনায় ও লক্ষ্যে অটল আছে, যা অত্যন্ত জরুরি। কারণ বড় ট্রফি জিততে হলে সবাইকে একসাথে ঐক্যবদ্ধ হয়ে লড়তে হয়।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।