খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

বিজিবি’র অভিযানে ৫.৮২ লাখ টাকার মাদক ও চোরাচালান পণ্যসহ গ্রেফতার ১

মোঃ জমির হোসেন
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৪৫ অপরাহ্ণ
বিজিবি’র অভিযানে ৫.৮২ লাখ টাকার মাদক ও চোরাচালান পণ্যসহ গ্রেফতার ১

যশোর সীমান্তে মাদক ও চোরাচালান বিরোধী অভিযানে বড় ধরনের সাফল্য অর্জন করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। যশোর ব্যাটালিয়ন (৪৯ বিজিবি) এর অধীনস্থ বিভিন্ন বিওপি ও চেকপোষ্টের টহলদল কর্তৃক পরিচালিত বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় ইয়াবা, শাড়ী, কসমেটিক্স এবং অন্যান্য চোরাচালান মালামালসহ একজনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃত মালামালের আনুমানিক মূল্য ৫,৮২,৮০০/- (পাঁচ লক্ষ বিরাশি হাজার আটশত) টাকা।

​বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, অদ্য ১৩ আগস্ট ২০২৬ তারিখে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যশোর ব্যাটালিয়নের কাশিপুর ও বেনাপোল বিওপি, বেনাপোল আইসিপি এবং আমড়াখালী চেকপোষ্টের টহলদল সীমান্ত এলাকায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করে। এই আভিযানিক কার্যক্রমের মাধ্যমে ০১ জন আসামীসহ ভারতীয় ১৬ পিস ইয়াবা, ৬২টি দামী শাড়ী, ০৩টি কম্বল, ১১ প্যাকেট ফুসকা, ১৮টি বিভিন্ন প্রকার ঔষধ এবং ২৯০টি কসমেটিক্স সামগ্রী জব্দ করা হয়।

আসামীর নাম মো. সোহেল (৩৮)। তিনি যশোর জেলার শার্শা থানার কাশিপুর শেখপারা গ্রামের আইয়ুব খানের ছেলে। আসামীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ও চোরাচালান বিরোধী আইনে মামলা দায়েরের পর তাকে শার্শা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

​এই সফল অভিযানের বিষয়ে যশোর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান, পিএসসি গণমাধ্যমকে জানান, দীর্ঘদিন যাবৎ সীমান্ত দিয়ে মাদকদ্রব্য ও চোরাচালানী মালামাল পাচারকারী চক্রগুলোকে আইনের আওতায় আনার জন্য বিজিবি’র বিশেষ পরিকল্পনা রয়েছে। এর অংশ হিসেবে সীমান্ত এলাকায় গোয়েন্দা তৎপরতা এবং আভিযানিক কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। ​তিনি আরও বলেন, “আমাদের এই নিয়মিত অভিযানের ফলেই আজ বিপুল পরিমাণ মাদক ও চোরাচালান পণ্য জব্দ করা সম্ভব হয়েছে। সীমান্তে বিজিবির এ ধরণের মাদক ও চোরাচালান বিরোধী আভিযানিক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যহত থাকবে এবং আমরা মাদক ও চোরাচালানমুক্ত সীমান্ত গড়তে অঙ্গীকারবদ্ধ।”

​এই বড় ধরনের আটকের ফলে স্থানীয় জনসাধারণের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে এবং বিজিবির প্রতি আস্থা আরও সুদৃঢ় হয়েছে। এলাকার সচেতন মহল বিজিবি’র এই কঠোর অবস্থানকে স্বাগত জানিয়েছেন।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।