খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

চট্টগ্রামে ১৫ আগষ্ট কর্মসূচি পালনে আটক ১৫, জামিন ৫, কারাগারে ১০ আইনজীবী

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ৭:১১ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে ১৫ আগষ্ট কর্মসূচি পালনে আটক ১৫, জামিন ৫, কারাগারে ১০ আইনজীবী

চট্টগ্রামে ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীর কর্মসূচি পালন করা কালে ১৫ আইনজীবীকে গ্রেপ্তার করেছে ডবলমুরিং থানা পুলিশ। তারা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সমর্থক হিসেবে পরিচিত বলে জানা যায়।

শনিবার রাতে নগরীর ডবলমুরিং থানার মনসুরাবাদ এলাকার ওয়াপদা কলোনি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত আইনজীবীরা হলেন, ইস্কান্দার মির্জা, সঞ্জয় কান্তি নাথ, এস এম সালাউদ্দিন, আহসান আবিদ, সুলতান মাহমুদ জিদান, পার্থ প্রতিম নন্দী, শুভ আইচ, মশিউর রহমান আবির, জাকির হোসেন, যীশু রায় চৌধুরী, উম্মে হাবিবা, কামেলা খানম, আয়েশা হেভেন, সুজলা অন্তরা এবং শারমিন ইয়াসমিন নিশু। এর মধ্যে ৫ জনের জামিন হলেও ১০ আইনজীবীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ডবলমুরিং থানাধীন মনসুরাবাদ ওয়াপদা কলোনি সংলগ্ন হাজী ফজলুল করিম চৌধুরী ‘রয়েল টার্চ ‘ অ্যাপার্টমেন্ট নামের একটি ভবনের পঞ্চম তলায় ১৫ আগষ্ট সন্ধ্যায় বাংলাদেশ কৃষক লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক এবং চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগের জেলা পরিষদের সদস্য
অ্যাডভোকেট উম্মে হাবিবা (৪৭) এর নেতৃত্বে ১৫ জন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের সদস্যগন ১৫ই আগস্ট
শেখ মুজিবুরের মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা করার জন্য জড়ো হয়। এসময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডবলমুরিং থানা পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে তাৎক্ষণিকভাবে ১৫ জন আইনজীবীকে গ্রেপ্তার করে।

আটকের বিষয়ে ডবলমুরিং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনূর আলম বললেন, ‘মনসুরাবাদ ওয়াপদা কলোনির এক বাসার নিচে ১৫ আগস্ট পালনে তারা জড়ো হয়েছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা তাদের আটক করেছি। পুলিশের পক্ষ থেকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে বিকেলে গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে আনা হলে শুনানি শেষে ৫ জনকে জামিন ও ১০ জনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন আদালত ৩ এর বিচারক মো. আলমগীর হোসাইন। জামিনপ্রাপ্তরা হলেন- এড. উম্মে হাবিবা, কামেলা খানম, আয়েশা হেভেন, সুজলা অন্তরা ও শারমিন ইয়াসমিন নিশু। কারাগারে প্রেরণ করা হয়- ইস্কান্দার মির্জা, সঞ্জয় কান্তি নাথ, এস এম সালাউদ্দিন, আহসান আবিদ, সুলতান মাহমুদ জিদান, পার্থ প্রতিম নন্দী, শুভ আইচ, মশিউর রহমান আবির, জাকির হোসেন ও যীশু রায় চৌধুরীকে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।