খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

পাটকেলঘাটা ভূমি অফিসে ঘুষ বাণিজ্য: নায়েব তারক চন্দ্রের বিরুদ্ধে দালাল নির্ভর দুর্নীতির পাহাড়

গোলাম রব্বানী
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ৪:৪৭ অপরাহ্ণ
পাটকেলঘাটা ভূমি অফিসে ঘুষ বাণিজ্য: নায়েব তারক চন্দ্রের বিরুদ্ধে দালাল নির্ভর দুর্নীতির পাহাড়

সাতক্ষীরার তালা উপজেলার পাটকেলঘাটা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা (নায়েব) তারক চন্দ্র মন্ডলের বিরুদ্ধে ব্যাপক ঘুষ, দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘদিন একই কর্মস্থলে বহাল থেকে তিনি একটি শক্তিশালী দালাল চক্রের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এই চক্রের সংগৃহীত ঘুষের টাকা প্রতিদিন সন্ধ্যার পর সাতক্ষীরা শহরে তার নিজ ভাড়া বাসায় পৌঁছে দেওয়া হয়।

নামপত্তন ও সেবাগ্রহীতাদের হয়রানি-
অনুসন্ধানে জানা যায়, দীর্ঘদিন একই চেয়ারে দায়িত্ব পালন করায় নায়েব তারক চন্দ্র মন্ডলের অনিয়মের কোনো মাত্রা নেই।

নামপত্তন (মিউটেশন) কেসে সমস্ত কাগজপত্র ঠিক থাকার পরও তাঁকে ১ থেকে ২ হাজার টাকা না দিলে তিনি ফাইলে স্বাক্ষর করেন না।
আর কাগজে সামান্য ভুলত্রুটি থাকলে তাঁর চাহিদা মতো টাকা না পেলে মিউটেশন কেস সরাসরি খারিজ করে দেওয়া হয়।

বড় কাশিপুর গ্রামের রফিকুল শেখ অভিযোগ করে বলেন, “ওয়ারিশ সূত্রে কোনো জমির নামপত্তন করতে গেলে নায়েবকে ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা দিতে হয়, অন্যথায় তিনি ফাইলে স্বাক্ষর করেন না।”

খাজনা আদায়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের চিত্র-
সরকারের নির্ধারিত ফির বাইরে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের বহু প্রমাণ তুলে ধরেছেন ভুক্তভোগীরা:
সরুলিয়া ইউনিয়নের শেখ রুবেল ইসলাম বলেন তাঁর বাবাকে কিছু জমির খাজনা দেওয়ার জন্য নায়েবের কাছে গেলে তিনি ২০ হাজার টাকা খরচের হিসাব দেন। বাবা অপারগতা প্রকাশ করলে অফিসের ছোট নায়েবের মাধ্যমে মাত্র ৩,৫০০ টাকায় ওই খাজনা পরিশোধ করা হয়।

কুমিরা ইউনিয়নের নাজমুল তার নিজ জমির খাজনা দেওয়ার জন্য একজনের মাধ্যমে কাগজপত্র পাঠালে নায়েব ৯ হাজার টাকা দাবি করেন।
পরবর্তীতে তিনি নিজেই অফিসে গেলে ছোট নায়েবের মাধ্যমে মাত্র ৮৩৫ টাকায় তাঁর খাজনা পরিশোধ করা হয়।
নাজমুলসহ এলাকাবাসী প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
নায়েব তারকের এই লাগামহীন ঘুষ বাণিজ্যের কালো থাবা থেকে মুক্তি পেতে এবং স্বাভাবিক সেবা নিশ্চিত করতে স্থানীয় সেবাগ্রহীতারা চরম উৎকণ্ঠায় রয়েছেন।

সেবা গ্রহীতা ও এলাকাবাসী অবিলম্বে তালা উপজেলা প্রশাসন এবং সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক (ডিসি) মহোদয়ের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

পাটকেলঘাটা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েব তারক চন্দ্র মন্ডলের কাছে জানতে চাইলে তিনি সংবাদকর্মীকে জানান, “আমাদেরও তো ওপরের দপ্তর ম্যানেজ করতে হয়।” তবে আমার বিরুদ্ধে আনিত সব অভিযোগ সত্য নয় বলে দাবি করেন তিনি।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।