খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

তিস্তা সেচ ক্যানেলে ডুবে প্রাণ গেল খালা-ভাগ্নির

আমীর হামজা সোহেল
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৩৩ অপরাহ্ণ
তিস্তা সেচ ক্যানেলে ডুবে প্রাণ গেল খালা-ভাগ্নির

নীলফামারীর ডিমলায় তিস্তা সেচ ক্যানেলের পানিতে ডুবে আপন খালা ও ভাগ্নির মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৭ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার নাউতারা ইউনিয়নের কাঁকড়া তুহিন বাজার এলাকায় এ হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন নাউতারা ইউনিয়নের কাঁকড়া তুহিন বাজার এলাকার আবুল হোসেনের মেয়ে পাখি আক্তার (১২) এবং নাউতারা নিজপাড়া এলাকার সেলিমুর রহমানের মেয়ে সিনহা (৪)। তারা সম্পর্কে আপন খালা ও ভাগ্নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সময় সিনহা কয়েকজন শিশুর সঙ্গে তিস্তা সেচ ক্যানেলের পাশে খেলছিল। একপর্যায়ে অসাবধানতাবশত সে ক্যানেলের পানিতে পড়ে যায়। ভাগ্নিকে পানিতে ডুবে যেতে দেখে তাকে উদ্ধারের জন্য সঙ্গে সঙ্গে ক্যানেলে নামেন তার খালা পাখি আক্তার। কিন্তু ভাগ্নিকে উদ্ধার করতে গিয়ে তিনিও পানিতে তলিয়ে যান।

এ সময় ক্যানেলের পাশে থাকা অন্য শিশুরা চিৎকার শুরু করলে আশপাশের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। পরে স্থানীয়রা ক্যানেলের পানি থেকে খালা ও ভাগ্নিকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করেন।

নাউতারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আশিক ইমতিয়াজ মোর্শেদ মনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, তিস্তা সেচ ক্যানেলের পানিতে ডুবে আপন খালা ও ভাগ্নির মৃত্যু হয়েছে। স্থানটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় দুর্ঘটনা প্রতিরোধে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডিমলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শওকত আলী সরকার জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

এদিকে, একই পরিবারের আপন খালা ও ভাগ্নির মর্মান্তিক মৃত্যুতে এলাকায় নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। স্থানীয়রা তিস্তা সেচ ক্যানেলের ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো চিহ্নিত করে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা প্রতিরোধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।