খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

কেশবপুরে বসতবাড়িতে গ্যাসবাহী ট্যাংকার অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেল ঘুমন্ত পরিবার

কেশবপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০৬ পূর্বাহ্ণ
কেশবপুরে বসতবাড়িতে গ্যাসবাহী ট্যাংকার অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেল ঘুমন্ত পরিবার

যশোরের কেশবপুরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি গ্যাসবাহী ট্যাংকার লরি সড়কের পাশের বসতবাড়িতে ঢুকে পড়েছে। এতে বাড়ির বাথরুমসহ ভবনের বিভিন্ন অংশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভেঙে গেছে একটি প্রাইভেটকারের গ্লাসও। দুর্ঘটনার সময় পরিবারের সদস্যরা ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। বিকট শব্দে তাঁদের ঘুম ভেঙে গেলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে অল্পের জন্য বড় ধরনের প্রাণহানি এড়ানো গেছে। দুর্ঘটনায় ট্যাংকারের চালক ও হেলপার আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট ২০২৬) ভোর ৪টার পর যশোর-চুকনগর সড়কের কেশবপুর উপজেলার আলতাপোল চারের মাথা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনাকবলিত গ্যাসবাহী ট্যাংকারটির নম্বর চট্টগ্রাম মেট্রো-ঢং-৬১-০৩৯৮।

নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বসতবাড়িতে ট্যাংকার

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গ্যাসবাহী ট্যাংকারটি ঢাকা থেকে খুলনার উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল। ভোরে আলতাপোল চারের মাথা এলাকায় পৌঁছালে চালক নিয়ন্ত্রণ হারান। এ সময় ট্যাংকারটি সড়কের পাশের স্বাস্থ্যকর্মী হাবিবুর রহমানের বসতবাড়িতে সজোরে ধাক্কা দেয়।

ট্যাংকারের ধাক্কায় বাড়ির বাথরুমের দেয়াল ও স্থাপনার একটি অংশ ভেঙে যায় এবং ট্যাংকারটি বাড়ির ভেতরে ঢুকে পড়ে। পরে বাড়ির অপর একটি অংশেও আঘাত লাগে।

বিকট শব্দে ঘুম ভাঙে পরিবারের

বাড়ির মালিক হাবিবুর রহমান জানান, দুর্ঘটনার সময় পরিবারের সবাই ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। হঠাৎ বিকট শব্দে ঘুম ভেঙে গেলে পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। বাইরে এসে তাঁরা দেখতে পান, একটি গ্যাসবাহী ট্যাংকার তাঁদের বাড়ির ভেতরে ঢুকে পড়েছে।

তিনি বলেন, দুর্ঘটনায় বাথরুমসহ বাড়ির বিভিন্ন অংশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এত বড় দুর্ঘটনার পরও পরিবারের কারও কোনো ক্ষতি না হওয়ায় তিনি স্বস্তি প্রকাশ করেন।

প্রাইভেটকারের গ্লাস ভাঙল

প্রাইভেটকারের মালিক কওসার জানান, ট্যাংকারের ধাক্কায় তাঁর বাড়ির একটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি সেখানে থাকা প্রাইভেটকারের গ্লাস ভেঙে গেছে। গভীর রাতে হঠাৎ এমন দুর্ঘটনায় পরিবারের সদস্যরা চরম আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।

ক্ষতিগ্রস্ত সম্পদের বিষয়টি বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

বড় বিপর্যয়ের আশঙ্কা ছিল

স্থানীয় ব্যবসায়ী রায়ান টেলার্সের মালিক কবির হোসেন জানান, দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি বাড়িটির ক্ষয়ক্ষতির চিত্র দেখেছেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ট্যাংকারটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সরাসরি বসতবাড়িতে ঢুকে পড়ায় বাথরুমের দেয়াল ও ভবনের বিভিন্ন অংশ ভেঙে গেছে।

তিনি বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত ভয়াবহ ছিল। ট্যাংকারটি গ্যাসবাহী হওয়ায় বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা আরও ভয়াবহ হতে পারত। জনবসতিপূর্ণ এলাকায় ভারী ও গ্যাসবাহী যানবাহন চলাচলের ক্ষেত্রে চালকদের আরও সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।

ঘটনাস্থলে ক্ষয়ক্ষতির চিত্র

ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, সড়কের পাশের বাড়িটির বাথরুমের দেয়াল ও স্থাপনার একটি অংশ ভেঙে গেছে। বাড়ির বিভিন্ন স্থানে ভাঙা ইট ও নির্মাণসামগ্রী ছড়িয়ে রয়েছে। ট্যাংকারের ধাক্কায় বাড়ির অপর অংশেও ক্ষতির চিহ্ন রয়েছে। পাশেই ক্ষতিগ্রস্ত প্রাইভেটকারটি পড়ে থাকতে দেখা যায়।

দুর্ঘটনার ভয়াবহতা দেখে স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের দাবি

স্থানীয়রা জানান, ভোররাতে এ সড়ক দিয়ে নিয়মিত ভারী যানবাহন চলাচল করে। জনবসতিপূর্ণ এলাকায় গ্যাসবাহী ট্যাংকারের মতো ঝুঁকিপূর্ণ যান নিয়ন্ত্রণ হারালে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটতে পারে।

এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে সড়কের ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

পুলিশের বক্তব্য

কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রোকসানা খাতুন সাংবাদিকদের বলেন, “খবর পেয়েছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠাচ্ছি।”

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।