খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

চট্টগ্রামে অবৈধ সম্পদ অর্জন করেও তথ্য গোপন, পিতা-পুত্রের কারাদণ্ড

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৫৫ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে অবৈধ সম্পদ অর্জন করেও তথ্য গোপন, পিতা-পুত্রের কারাদণ্ড

চট্টগ্রামে একটি মামলায় পিতা-পুত্রকে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। অবৈধভাবে সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপন এবং পরস্পর যোগসাজশে অবৈধ সম্পদ বৈধ করার চেষ্টার অভিযোগে বৃহস্পতিবার ( ২০ আগষ্ট ) চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ মিজানুর রহমানের আদালত এ রায় দেন।দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার মো. আবদুল্লাহ ও তার বাবা আবুল বশর। রায়ে ছেলেকে চার বছর এবং বাবাকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। তাদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা মূলে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

 

 

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালের ২৭ এপ্রিল মো. আবদুল্লাহর নামে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। নির্ধারিত সাত কার্যদিবসের মধ্যে, অর্থাৎ ওই বছরের ৭ মে পর্যন্ত তিনি সম্পদ বিবরণী দাখিল করেননি। পরে সময় বৃদ্ধির জন্যও কোনো আবেদন করেননি। দুদকের অনুসন্ধানে আবদুল্লাহর নামে মোট ১ কোটি ১০ লাখ ২৩ হাজার ৬৫ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। এর বিপরীতে তার বৈধ আয়ের উৎস পাওয়া যায় ১০ লাখ টাকা। ফলে ১ কোটি ২৩ হাজার ৬৫ টাকার সম্পদ তার জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ বলে অনুসন্ধানে উঠে আসে।

 

মামলার নথি অনুযায়ী, আবুল বশর টেকনাফ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল নম্বর-২১৭৩, তারিখ ২ নভেম্বর ২০১৬-এর মাধ্যমে ২০ লাখ টাকা দিয়ে একটি জমি কেনেন। পরে মাত্র তিন মাসের মধ্যে ২০১৭ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি হেবা দলিল নম্বর-৩৬৭-এর মাধ্যমে জমিটি তার বড় ছেলে মো. আবদুল্লাহকে হেবা করে দেন। দুদকের অভিযোগ, অবৈধ সম্পদ বৈধ করার চেষ্টায় ছেলেকে সহায়তা করেন আবুল বশর। এ অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেন। দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর মোকাররম হোসাইন জানান, অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে মো. আবদুল্লাহকে চার বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে তাকে ৮৪ লাখ ৪৫ হাজার ৮৫৮ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অবৈধ সম্পদ অর্জনে সহায়তার অভিযোগে তার বাবা আবুল বশরকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।