খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

পাঁচ লাখ টাকার বিনিময়ে সিআইডি পুলিশ সেজে মাগুরা থেকে শ্রাবণী নামে এক নারীকে অপহরণ করতে গিয়ে এক নারীসহ ৭জন আটক হয়েছে

অমলেন্দু সরকার
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৫০ অপরাহ্ণ
পাঁচ লাখ টাকার বিনিময়ে সিআইডি পুলিশ সেজে মাগুরা থেকে শ্রাবণী নামে এক নারীকে অপহরণ করতে গিয়ে এক নারীসহ ৭জন আটক হয়েছে

মঙ্গলবার রাতে তারা ঝিনাইদহ থেকে একটি মাইক্রোবাস ভাড়া করে মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার নাকোল এলাকা থেকে শ্রাবণী নামে ওই নারীকে অপহরণ করতে যায় বলে পুলিশের কাছে আটককৃতরা স্বীকারোক্তি দিয়েছে। পুলিশ তাদের কাছ থেকে একটি মাইক্রোবাস সহ সিআইডি লেখা চারটি জ্যাকেট তিনটি হেলমেট আটটি মোবাইল ফোন ও একটি খেলনা পিস্তল উদ্ধার করেছে।

পুলিশের হাতে আটককৃতরা হচ্ছেন- ঝিনাইদহ সদর উপজেলার পাগলা কানাই এলাকার আসমা,(৩১) ওসমান গনি, (২৫)সাব্বির হোসেন, পবহাটি এলাকার হাসানুজ্জামান হাসান(,২৮) আরাপপুর এলাকার সালমান শাহ.( ২৫)আড়মুখ গ্রামের সাকিব হোসেন( ২৩)এবং মাগুরার শালিখা উপজেলার দোবিলা গ্রামের আল আমিন হোসেন।(২২)

পুলিশ জানায়, শ্রাবণী নামে ওই নারীর প্রায় এক বছর আগে মাগুরার নাকোল গ্রামের মোস্তাক নামে এক যুবকের সঙ্গে বিয়ে হয়। কিছুদিন পর তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ হলে ওই নারী এ মাসের মাঝামাঝি সময়ে ঝিনাইদহের পাগলা কানাই এলাকার শিমুল নামে আরেক যুবককে বিয়ে করে। কিন্তু বিয়ের ৪দিন পর সে নতুন স্বামীকে ছেড়ে আবার প্রথম স্বামী মোস্তাকের বাড়িতে ফিরে যায়।

এ অবস্থায় দ্বিতীয় স্বামী শিমুল স্ত্রীকে ফিরে পেতে ওই ৭ জনকে ভাড়া করে। তারা মঙ্গলবার দিবাগত রাতে মাইক্রোবাস নিয়ে ডিবি পুলিশ সেজে শ্রাবণী নামের ওই নারীকে অপহরণ করতে মাগুরার নাকোল গ্রামে যায়। সেখানে রাতের বেলা মাইক্রোবাসটির গতিবিধি সন্দেহজনক হওয়ায় নাকোল ফাঁড়ি পুলিশ তাদের আটক করে।

আটককৃতরা স্থানীয় একটি নাট্যদলের কাছ থেকে পুলিশের পোশাক এবং খেলনা পিস্তল নিয়ে এই অভিযানে অংশ নেয় বলে আটককৃতরা দাবি করেছে।

পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন জানান, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে তথ্যানুসন্ধান চলছে। এ ঘটনায় শ্রাবণীর দ্বিতীয় স্বামী শিমুল ছাড়াও গ্রেফতার হওয়া সাতজনের বিরুদ্ধে শ্রীপুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।