খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

হবিগঞ্জের রঘুনন্দন বনাঞ্চল এলাকায় রাতের আধারে অবাধে বালু উওোলন ও গাছ কেটে নিয়ে যাচ্ছে সংঘবদ্ধ বনদস্যুরা। নীরব ভূমিকা রঘুনন্দন রেঞ্জের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা

সৈয়দ আখলাক উদ্দিন মনসুর
প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ৫:২০ অপরাহ্ণ
হবিগঞ্জের রঘুনন্দন বনাঞ্চল এলাকায় রাতের আধারে অবাধে বালু উওোলন ও গাছ কেটে নিয়ে যাচ্ছে সংঘবদ্ধ বনদস্যুরা। নীরব ভূমিকা রঘুনন্দন রেঞ্জের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা

উর্ধতন কর্মকর্তা নজর না থাকায় হবিগঞ্জের রঘুনন্দন বনাঞ্চল এলাকায় রাতের আধারে অবাধে বালু উওোলন ও মূল্যবান গাছ কেটে নিয়ে যাচ্ছে সংঘবদ্ধ বনদস্যু। হুমকির মুখে জীববৈচিত্র্য । নীরব ভূমিকা পালন করছে রঘুনন্দন রেঞ্জের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা । জানাযায় , হবিগঞ্জের মাধবপুর ও চুনারুঘাটের আংশিক পাহাড়ি বনাঞ্চল এলাকা নিয়ে রঘুনন্দন রেঞ্জের অবস্থান । জীববৈচিত্র্য ভরপুর এ বনে আছে দুর্লভ প্রাণী ও বিরল প্রজাতির গাছপালা। রঘুনন্দন রেঞ্জের অধীনে রয়েছে প্রায় ৪৩৬০ হেক্টর বন ভূমি। মাধবপুর উপজেলার শাহজীবাজার , শাহপুর , জগদীশপুর এবং চুনারুঘাট উপজেলার শালটিলা বন বিট নিয়ে রঘুনন্দন রেঞ্জ।, রঘুনন্দন রেঞ্জের দায়িত্বে রয়েছে নবাগত ফরেস্ট রেঞ্জার মোঃ ফয়সাল আলম । শাহপুর বন বিটের ফরেস্ট রথীন্দ্র কিশোর রায় , জগদীশপুর বন বিটের ফরেস্ট মোঃ জহিরুল ইসলাম এবং শালটিলা বন বিটের ফরেস্ট মোহাইমিনুল সানী । অনুসন্ধানে জানা যায় , রঘুনন্দন রেঞ্জের অধীনে শাহপুর বন বিট ফরেস্ট রথীন্দ্র কিশোর রায় যোগদান করার পর থেকে মাধবপুর উপজেলা বেশ কিছু বালু খেকো ও বনদস্যু সংঘবদ্ধ চক্রদের সাথে আঁতাত করে মোটা অংকের অর্থ বিনিময়ে দীর্ঘ দিন ধরে রঘুনন্দন রেঞ্জের আওতাধীন শাহজীবাজার , শাহপুর এলাকা থেকে রাতের আধারে বিভিন্ন ছড়া হতে বালু উওোলন এবং বনের মূল্যবান গাছ কেটে নিয়ে যাচ্ছে উপজেলার বাঘাসুরা ও নোয়াপাড়া ইউনিয়নের সংঘবদ্ধ চক্ররা । সংঘবদ্ধ চক্ররা রাজনৈতিক দলের প্রভাব শালী লোকজন। তাদের ভয়ে মুখ খুলে কথা বলতে চায়না। সেখানে উপজেলার থানা পুলিশ প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনরা কেউ যাননা। কেউ রয়েছে এমপি পরিচয় দিয়ে অবৈধ ভাবে বালু ও গাছ চুরি ব্যবসা করে প্রতি মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা উপার্জন করে নিচ্ছে তারা। রাতের আধারে বালু উওোলন করে উপজেলার বিভিন্ন কোম্পানি , বাসা-বাড়ি সহ অন্যান্য জায়গায় বিক্রি করে দিচ্ছে । এসব বালু উওোলন করে সন্ধার পর থেকে ভোর সকাল ৯ টা ভেতরে বিভিন্ন জায়গায় ট্রাক্টর , ড্রাম ট্রাক , ডায়না, কাভার্ড ভ্যান , পিক-আপ , পাওয়ার ট্রলি সহ অন্যান্য গাড়ি নিয়ে যায় । এমনকি বনের গাছ গুলো কেটে উপজেলা সহ বিভিন্ন জায়গায় করাত কল পৌঁছে দেওয়া হয় । শালটিলা বন বিট কর্মকর্তা রথীন্দ্র কিশোর রায় অর্থ উপার্জন করে নবাগত ফরেস্ট রেঞ্জার মোঃ ফয়সাল আলম কে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ পাওয়া যায় । সূত্রে আরো জানাযায় , ফরেস্ট রথীন্দ্র কিশোর রায় ২০২২ সালে বাহুবল উপজেলা পুটিজুরী বন বিট দায়িত্ব পালন কালে স্থানীয় ত্রিপুরা পল্লীর শতাধিক পরিবারের সঙ্গে বিরোধ জটিলতা ছিল বিধায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। এমনকি তার বিভিন্ন অপকর্ম সাথে জড়িত ছিল যেমন – বনাঞ্চলের গাছ বিক্রি , বালু বিক্রি করা অপরাধে সেখান হতে বদলি করে দেয় রঘুনন্দন রেঞ্জের শালটিলা বন বিটে । তাঁর বিরুদ্ধে হবিগঞ্জ দুর্নীতি দমন কমিশন ও বন অধিদপ্তরের অনেক অভিযোগ করেছে বাহুবল উপজেলার পুটিজুরী বন বিট ভুক্ত উপকারভোগী সহ এলাকার জনগণ । তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক বিভিন্ন দুর্নীতি অনিয়ম বিরুদ্ধে জাতীয় , স্থানীয় ও অনলাইন নিউজ পোর্টালে সংবাদ প্রকাশ হলেও কর্ণপাত করেনা। এবিষয়ে রথীন্দ্র কিশোর রায় কে রঘুনন্দন বনাঞ্চলের গাছ ও বালু বিক্রি বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন , বনাঞ্চলের গাছ ও বালু বিক্রি টাকা নেই না । আমার বনাঞ্চলের কর্মচারী সংকট । দেশের অন্যান্য বনাঞ্চলের গাছ ও বালু বিক্রি হলেও শাহপুর ও শাহজীবাজার বন বিট এলাকায় বালু ও গাছ চুরি কম। বালু ও গাছ চুরি হলে রাতে এসে সংঘবদ্ধ চক্রকে ধরিয়ে দিন । আপনারা আমাকে গাছ ও বালু টাকা নেওয়া বিষয়ে পএিকা লিখে কোনো লাভ নেই । আপনাদের পএিকা লিখে প্রশাসন কোনো পদক্ষেপ নেয়না। সারাদেশে বিভিন্ন বনাঞ্চলে গাছ ও বালু বিক্রি হচ্ছে সেটা দেখুন । আমাকে শাহপুর বন বিট হতে সরানো সম্ভব নয়। উপরে আমার সচিব ও মন্ত্রী রয়েছে ।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।