খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

আশুলিয়ার জামগড়ায় ট্রিপল মার্ডারের রহস্য উন্মোচন, একজন গ্রেফতার

নাজমুল
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:০৮ অপরাহ্ণ
আশুলিয়ার জামগড়ায় ট্রিপল মার্ডারের রহস্য উন্মোচন, একজন গ্রেফতার

ঢাকার আশুলিয়ার জামগড়ায় চাঞ্চল্যকর ‘ট্রিপল মার্ডার’ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে তদন্তে পরকীয়া সংক্রান্ত বিরোধের জেরে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬) দুপুরে ঢাকা জেলা পিবিআইয়ের উপ-পরিদর্শক (এসআই) আনিসুর রহমান বাপ্পী গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পিবিআই সূত্রে জানা যায়, ঘটনার পরপরই ছায়া তদন্ত শুরু করে পিবিআই। তদন্তের একপর্যায়ে সন্দেহভাজন একজনকে গ্রেফতার করা হয়। তবে তদন্তের স্বার্থে তার নাম-পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন আলামতও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পিবিআই (এসআই) আনিসুর রহমান বাপ্পী বলেন, “ঘটনার পরপরই আমরা ছায়া তদন্ত শুরু করি। এ ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে আপাতত তার বিস্তারিত পরিচয় প্রকাশ করা যাচ্ছে না। তদন্ত শেষে হত্যাকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কারণসহ বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।”

নিহতরা হলেন-দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ থানার বড়পুকুরিয়া গ্রামের আতিয়ার রহমানের মেয়ে নাজমা খাতুন (৩৯), তার স্বামী আলমগীর কবির (৪৫) এবং তাদের এক শিশু সন্তান। নাজমা স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। তার স্বামী আলমগীর কবির পান-সিগারেট বিক্রি করতেন।

গত ৫ সেপ্টেম্বর রাতে জামগড়ার স্থানীয় বাসিন্দা হযরত আলীর বাড়ির ২য় তলার ১টি তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে দুর্গন্ধ ছড়ালে স্থানীয়রা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দরজার তালা ভেঙে ঘর থেকে তিনজনের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় নিহত নাজমা খাতুনের বোন শাপলা বেগম বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
আশুলিয়ার জামগড়ায় ট্রিপল মার্ডারের রহস্য উন্মোচন, একজন গ্রেফতার

নাজমুল সাভার আসলে প্রতিনিধি

ঢাকার আশুলিয়ার জামগড়ায় চাঞ্চল্যকর ‘ট্রিপল মার্ডার’ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে তদন্তে পরকীয়া সংক্রান্ত বিরোধের জেরে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬) দুপুরে ঢাকা জেলা পিবিআইয়ের উপ-পরিদর্শক (এসআই) আনিসুর রহমান বাপ্পী গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পিবিআই সূত্রে জানা যায়, ঘটনার পরপরই ছায়া তদন্ত শুরু করে পিবিআই। তদন্তের একপর্যায়ে সন্দেহভাজন একজনকে গ্রেফতার করা হয়। তবে তদন্তের স্বার্থে তার নাম-পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন আলামতও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পিবিআই (এসআই) আনিসুর রহমান বাপ্পী বলেন, “ঘটনার পরপরই আমরা ছায়া তদন্ত শুরু করি। এ ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে আপাতত তার বিস্তারিত পরিচয় প্রকাশ করা যাচ্ছে না। তদন্ত শেষে হত্যাকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কারণসহ বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।”

নিহতরা হলেন-দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ থানার বড়পুকুরিয়া গ্রামের আতিয়ার রহমানের মেয়ে নাজমা খাতুন (৩৯), তার স্বামী আলমগীর কবির (৪৫) এবং তাদের এক শিশু সন্তান। নাজমা স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। তার স্বামী আলমগীর কবির পান-সিগারেট বিক্রি করতেন।

গত ৫ সেপ্টেম্বর রাতে জামগড়ার স্থানীয় বাসিন্দা হযরত আলীর বাড়ির ২য় তলার ১টি তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে দুর্গন্ধ ছড়ালে স্থানীয়রা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দরজার তালা ভেঙে ঘর থেকে তিনজনের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় নিহত নাজমা খাতুনের বোন শাপলা বেগম বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।