খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

চট্টগ্রামে বিয়ের দুই মাস না যেতেই নববধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করলো পুলিশ

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে বিয়ের দুই মাস না যেতেই নববধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করলো পুলিশ

চট্টগ্রামের হাটহাজারী এলাকায় বিয়ের দুই মাস না যেতেই সাদিয়া ইসলাম (১৯) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।সোমবার বিকেলে হাটহাজারী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ফটিকা এলাকার হাবিব ভিলার নিচতলার একটি ভাড়া বাসা থেকে এ লাশ উদ্ধার করা হয়। পরিবারের দাবি, মৃত্যুর কয়েক দিন আগে সাদিয়া তাদের সঙ্গে কথা বলেছিলেন এবং নিজের কষ্টের কথা জানিয়েছিলেন। নিহত সাদিয়া উপজেলার মেখল ইউনিয়নের রহিমপুর এলাকার বাসিন্দা এবং নিহতের স্বামী আসিফ রাউজান উপজেলার গহিরা এলাকার বাসিন্দা। তিনি চট্টগ্রাম নগরে চাকরি করেন।

 

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানা যায়, সাদিয়ার এটি দ্বিতীয় বিয়ে। আগের সংসারে বিচ্ছেদের পর আসিফের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর তারা হাটহাজারীর ওই বাসায় বসবাস করছিলেন। গত ৩১ আগস্ট তারা নতুন বাসাটিতে ওঠেন।
সোমবার দুপুরে আসিফ মোবাইল ফোনে স্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও সাড়া পাননি। বিষয়টি তিনি বাড়ির মালিককে জানান। পরে বাড়ির মালিক বাসায় গিয়ে ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে জানালা দিয়ে ভেতরে তাকান। এ সময় সাদিয়াকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে খবর পেয়ে হাটহাজারী মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

 

 

নিহতের পরিবারের এক সদস্য বলেন, মৃত্যুর কয়েক দিন আগে সাদিয়ার সঙ্গে তাদের কথা হয়েছিল। তখন সে কিছুটা মানসিক কষ্টের কথা জানিয়েছিল। পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে সান্ত্বনা দিয়ে দ্রুত দেখা করার কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু এর আগেই তার মৃত্যু হয়।
হাটহাজারী মডেল থানার ওসি (তদন্ত) মোস্তাক আহমেদ চৌধুরী বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করেছে। প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে জানা যাবে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।