খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

ডিমলায় খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চালে ওজনে কারচুপি: ক্ষুব্ধ উপকারভোগীরা

​আমীর হামজা সোহেল
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:০০ অপরাহ্ণ
ডিমলায় খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চালে ওজনে কারচুপি: ক্ষুব্ধ উপকারভোগীরা

নীলফামারীর ডিমলায় সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চালে ওজনে ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ উঠেছে। উপকারভোগীদের জনপ্রতি ৩০ কেজি করে চাল দেওয়ার কথা থাকলেও, প্রতি বস্তায় এক থেকে দেড় কেজি পর্যন্ত চাল কম দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। উপজেলার শালাহাটি ও নাউতারা বাজারের দুই ডিলারের বিরুদ্ধে এই অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

​স্থানীয় কার্ডধারী উপকারভোগীরা জানান, গত মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) চাল বিতরণের সময় এই অনিয়ম তাদের নজরে আসে। শালাহাটি বাজারের ডিলার মেসার্স অলিউর রহমান ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মোঃ শামসুল হক এবং নাউতারা বাজারের ডিলার মোঃ কামরুজ্জামানের পয়েন্ট থেকে চাল উত্তোলন করতে গিয়ে উপকারভোগীরা দেখেন, নির্ধারিত ৩০ কেজির বদলে তারা ২৮ থেকে ২৯ কেজি চাল পাচ্ছেন। এতে প্রতিবারই একজন কার্ডধারী এক থেকে দেড় কেজি চাল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

​খাদ্য মন্ত্রণালয় ও খাদ্য অধিদপ্তরের পরিচালিত এই কর্মসূচির নিয়ম অনুযায়ী, উপকারভোগীদের ১৫ টাকা কেজি দরে ৩০ কেজি চাল দেওয়ার কথা। উল্লেখ্য, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় মূলত ভূমিহীন, প্রান্তিক ও স্বল্প আয়ের কৃষক, দিনমজুর, দরিদ্র ও অসহায় মানুষ, বিধবা ও স্বামী পরিত্যক্ত নারী, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং নারীপ্রধান দরিদ্র পরিবারের মতো নিম্নআয়ের জনগোষ্ঠীকে সুবিধাভোগী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।সে হিসেবে একজন কার্ডধারীর ৩০ কেজি চালের মূল্য দাঁড়ায় ৪৫০ টাকা। কিন্তু নির্ধারিত মূল্য পুরোপুরি পরিশোধ করার পরও সঠিক ওজনে চাল না পাওয়ায় হতদরিদ্র এই মানুষগুলোর মাঝে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। তারা অবিলম্বে সঠিক ওজনে চাল বিতরণ এবং অনিয়মের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

​অভিযোগের বিষয়ে জানতে মেসার্স অলিউর রহমান ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মোঃ শামসুল হক এবং নাউতারা বাজারের ডিলার মোঃ কামরুজ্জামানের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা কল রিসিভ করেননি। ফলে তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

​এ বিষয়ে ডিমলা উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোঃ গোলাম মোস্তফা জানান, তদন্ত করে চাল কম দেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হলে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

​অন্যদিকে, বিষয়টি নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ ইমরানুজ্জামান। তিনি বলেন, ডিলারদের চাল কম দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। যদি কোনো ডিলার এমন অনিয়ম করে থাকেন, তবে তদন্ত সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

​দ্রুত সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে দোষী ডিলারদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং সরকারি চাল নির্ধারিত ওজনে বিতরণের বিষয়টি নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় ভুক্তভোগীরা।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।