খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

চট্টগ্রামে বকেয়া পরিশোধের দাবিতে গ্রামীণফোনের সাবেক কর্মীদের ‘পথে পথে প্রতিবাদ’

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫২ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে বকেয়া পরিশোধের দাবিতে গ্রামীণফোনের সাবেক কর্মীদের ‘পথে পথে প্রতিবাদ’

চট্টগ্রামে গ্রামীণফোনের সাবেক কর্মীদের পাঁচ শতাংশ বিলম্ব বকেয়া পরিশোধের দাবিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে সাংস্কৃতিক প্রতিবাদ কর্মসূচি ‘পথে পথে প্রতিবাদ’। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত নগরীর বিভিন্ন স্থানে গান, আবৃত্তি ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মাধ্যমে নিজেদের দাবি তুলে ধরেন আন্দোলনকারীরা।গ্রামীণফোনের আঞ্চলিক কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন স্থান ও গ্রামীণফোন সেন্টারের সামনে ভ্রাম্যমাণ বাহনে এ কর্মসূচি চালানো হয়। এতে বাউল গান করেন শিল্পী মোজাহের। আবৃত্তির মাধ্যমে বকেয়া পাওনা ও আন্দোলনের বিষয়টি সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরা হয়।

 

আন্দোলনকারীদের দাবি, প্রায় ১৬ বছর ধরে গ্রামীণফোনের হাজারো সাবেক কর্মী তাদের ন্যায্য পাঁচ শতাংশ বিলম্ব বকেয়া থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছেন। বিভিন্ন পর্যায়ে যোগাযোগ, আলোচনা ও উদ্যোগ নেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর ও গ্রহণযোগ্য সমাধান হয়নি।
‘গ্রামীণফোন ৫ শতাংশ বিলম্ব বকেয়া আদায় ঐক্য পরিষদ’-এর সমন্বয়কারীরা জানান, গত ২১ মাস ধরে প্রায় ৩ হাজার ৩০০ সাবেক কর্মী দেশের বিভিন্ন স্থানে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করে আসছেন। এর মধ্যে কাফনের কাপড় পরে প্রতীকী প্রতিবাদ, দোয়া মাহফিল, বৃক্ষরোপণ, গণপাঠ, কবিতা আবৃত্তি ও সংগীত পরিবেশনাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তর, নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা ও দেশের ৬৪ জেলার জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপিও দেওয়া হয়েছে।

 

সমন্বয়কারীরা বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন ধরে সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক উপায়ে আমাদের ন্যায্য পাওনার দাবি জানিয়ে আসছি। আমরা মনে করি, এটি আমাদের আইনগত ও ন্যায্য অধিকার। দীর্ঘসূত্রতার অবসান ঘটিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও সরকারের কার্যকর হস্তক্ষেপের মাধ্যমে দ্রুত সমস্যাটির সমাধান প্রয়োজন।’
সমন্বয়কারীরা সোলেমান মেহেদীর সঞ্চালনায় কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন মো. রেজাউল করিম, মো. আরশাদ ও আরিফুল ইসলাম আরিফ।তারা বলেন, দীর্ঘদিন অপেক্ষা ও বিভিন্ন শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির পরও সমস্যার সমাধান না হলে আন্দোলন আরও বিস্তৃত করা হবে।
কর্মসূচি থেকে ২০২৬ সালের মধ্যেই পাঁচ শতাংশ বিলম্ব বকেয়া পরিশোধের বিষয়ে দ্রুত ও গ্রহণযোগ্য সমাধানের আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি বাস্তবায়ন না হলে পর্যায়ক্রমে বৃহত্তর শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দেন আন্দোলনকারীরা। তবে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধানকেই তারা অগ্রাধিকার দিচ্ছেন বলে জানান।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।