খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

রাজশাহী বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়ের মানিলন্ডারিং মামলায় নওগাঁর মাদক সম্রাজ্ঞী ছাবিনা ও মেয়ে কারাগারে

মোস্তাফিজুর রহমান রানা
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:০৩ অপরাহ্ণ
রাজশাহী বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়ের মানিলন্ডারিং মামলায় নওগাঁর মাদক সম্রাজ্ঞী ছাবিনা ও মেয়ে কারাগারে

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়, রাজশাহীর দায়ের করা মানিলন্ডারিং মামলায় নওগাঁর আলোচিত মাদক সম্রাজ্ঞী মোছা: ছাবিনা (৪৩) ও তার সহযোগী মেয়ে সালমা খাতুন (২২) কে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

আজ মঙ্গলবার রাজশাহী বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয় থেকে পাঠানো এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়।

ব্রিফিংয়ে জানানো হয়,পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী ছাবিনা দীর্ঘদিন ধরে নওগাঁর ভারতীয় সীমান্ত এলাকা থেকে হেরোইন ও ইয়াবা পাচার করে দেশের অভ্যন্তরে পাইকারি ও খুচরা বিক্রি করে আসছিলেন। অবৈধ মাদক ব্যবসার টাকা হস্তান্তর (placement), স্থানান্তর (layering) ও রূপান্তর (integration) করে বৈধ করার অভিযোগে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়, রাজশাহী বাদী হয়ে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ (সংশোধিত ২০১৫) এ গত ১৫/০৩/২০২৬ খ্রি. তারিখে নওগাঁর ধামইরহাট থানায় মামলাটি দায়ের করে।

রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ছাবিনার নামে নওগাঁ জেলার বিভিন্ন থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ০৬টি ও Special Powers Act, 1974 আইনে ০১টিসহ মোট ০৭টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

রাজশাহী গোয়েন্দা কার্যালয়ের তদন্তে উঠে আসে, মাদক ব্যবসার মাধ্যমে ছাবিনা ব্যাংকের মাধ্যমে ৮৭,৫৪,৪১৭.৭১ টাকা লেনদেন, ৬১,৭১,০০০ টাকায় ধামইরহাটে ৭১.৭৫ শতাংশ জমি ক্রয় এবং ২,২১,২৭,২৫২.৭৭ টাকা ব্যয়ে ২টি দোতলা ভবন নির্মাণ করেন। এছাড়া অবৈধ অর্থ গোপন করতে মেয়ে সালমা খাতুনের নামে ১৩,০০,০০০ টাকার জমি ও ৮২,২৪,৩২২.৪০ টাকার ভবন নির্মাণ করেন।

দুজনের মোট অবৈধ সম্পদের পরিমাণ ৪,৬৫,৭৬,৯৯২.৮৮ টাকা। বিজ্ঞ সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত, নওগাঁর আদেশে রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের প্রস্তাবনায় এসব সম্পত্তি ক্রোক করা হয়েছে।

দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর গত ০৯/০৯/২০২৬ তারিখে তারা আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, ধামইরহাট, নওগাঁ তা নামঞ্জুর করে তাদের জেলহাজতে প্রেরণ করেন।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।