খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

তামিমের ফোনে বিপিএল খেলতে রোমাঞ্চিত আফ্রিদি

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৪, ৫:১০ অপরাহ্ণ
তামিমের ফোনে বিপিএল খেলতে রোমাঞ্চিত আফ্রিদি

বিপিএলে আগের আসরে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের হয়ে খেলতে আসার কথা ছিল শাহীন শাহ আফ্রিদির। কিন্তু  ইনজুরির কারণে আসতে পারেননি তিনি। এবার ফরচুন বরিশালের হয়ে খেলতে এসেছেন পাকিস্তানের তারকা পেসার। শনিবার প্রথম দিনের মতো ফরচুন বরিশালের জার্সিতে অনুশীলনও করেছেন।

প্রথম দিনের অভিজ্ঞতা নিয়ে পাকিস্তানের এই ক্রিকেটার বলেছেন, ‘বিপিএলে খেলার জন্য আমি রোমাঞ্চিত। তামিম ভাই যখন এই দলে খেলার জন্য কল দিলেন, তখন থেকেই আমি এক্সাইটেড। আপাতত সামনে তাকিয়ে। জানি বাংলাদেশের মানুষ ক্রিকেট ভালোবাসে এবং তারা নিজেদের সুপারস্টারদের ভালোবাসে। আশা করি আমি এখানে ভালো খেলতে পারবো।’বিপিএলে গত কয়েক বছর ধরেই সেভাবে তারকা ক্রিকেটার আসছে না। এবারও তেমন উল্লেখযোগ্য ক্রিকেটার নেই। যারা আছেন, তাদের মধ্যে সবচেয়ে বড় তারকা আফ্রিদিই। টুর্নামেন্টের সবচেয়ে বড় তারকা হওয়ার অনুভূতি জানতে চাইলে পাকিস্তানের এই ক্রিকেটার বলেছেন, ‘সত্যি বলতে আমি কোনও তারকা নই। বাংলাদেশের আরও অনেকে খেলছে। তামিম খেলছে। জাতীয় দলের সবাই খেলছে। আমার জন্য এবং আপনাদের জন্যও নিজেদের ক্রিকেটাররাই তারকা হওয়া উচিত। আমি শুধু একজন ক্রিকেটার হিসেবে আছি এবং দলের জন্য পারফর্ম করতে চেষ্টা করবো। দলকে ম্যাচ জেতানোর চেষ্টা করবো।’

 

কুড়ি ওভারের ক্রিকেটে বিশ্বের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সফল শাহীন শাহ আফ্রিদি। প্রথম ওভারে সবচেয়ে বেশি উইকেট তারই। যৌথভাবে ভুবেনশ্বর কুমারের সাথে ৪৬ উইকেট নিয়ে শীর্ষে আছেন তারা।  নিজের এই রেকর্ড নিয়ে আফ্রিদি বলেছেন, ‘আমি রেকর্ড গড়া বা ভাঙার চেষ্টা করছি না। টি-টোয়েন্টিতে আমি শুরুতে শুধু ভালো জায়গায় বোলিংয়ের চেষ্টা করি। টি-টোয়েন্টিতে উইকেট সবসময় ব্যাটিংয়ের জন্য খুব ভালো থাকে। তাই আমি বৈচিত্র্য কাজে লাগানোর চেষ্টা করি। (শহীদ আফ্রিদির সঙ্গে বিপিএলে রাইভালরি) খুব ভালো ব্যাপার এটি। আমার জন্য ভালো বিষয় হলো, তিনি খেলছেন না। তাই মাঠে আমাদের মোকাবিলা করতে হবে না। তিনি মেন্টর হিসেবে আসছেন। আমি আশা করি বাংলাদেশের তরুণ ক্রিকেটাররা তার কাছ থেকে অনেক কিছু শিখতে পারবে।’

সংবাদ মাধ্যমে কথা বলতে গিয়ে বাংলাদেশি পেসারদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ ছিলেন আফ্রিদি। বিশেষ করে তাসকিন আহমেদ ও নাহিদ রানাকে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন এই পেসার, ‘বাংলাদেশের ফাস্ট বোলিং বিভাগ খুব ভালো। আমি তাসকিনের কথা বলতে পারি। এখন বাংলাদেশের ফাস্ট বোলিংয়ের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তরুণ বোলার (নাহিদ) রানা, সে খুব ভালো বোলিং করেছে। তার গতি আছে, লম্বা বোলার। আমার মতে, ভবিষ্যতের জন্য বাংলাদেশের অনেক ফাস্ট বোলার উঠে আসছে। তাদের যথাযথ দিকনির্দেশনা দিয়ে লাল বলের ক্রিকেট খেলার জন্য তৈরি করতে হবে। কারণ লাল বলের ক্রিকেট খেলেই আপনি বেশি উন্নতি করতে পারবেন।’

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।