খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

স্টার্ক-হ্যাজেলউড-কামিন্স নন, ক্লার্কের চোখে সেরা পেসার বুমরাহ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জানুয়ারি, ২০২৫, ৭:৩৪ অপরাহ্ণ
স্টার্ক-হ্যাজেলউড-কামিন্স নন, ক্লার্কের চোখে সেরা পেসার বুমরাহ

অস্ট্রেলিয়াতেই তো পেসারদের ছড়াছড়ি। যে দলে আছেন মিচেল স্টার্ক, জশ হ্যাজেলউড, প্যাট কামিন্স ও স্কট বোল্যান্ডদের মতো গতিতারকা। চাইলে সেখান থেকেই বর্তমান ক্রিকেটাঙ্গনের সেরা পেসার খুঁজে নেওয়া যায়। কারণ, কেউ তো কম না; সবাই দুর্ধর্ষ, আক্রমণাত্মক ও প্রতিপক্ষের ব্যাটারদের মনে আতঙ্ক তৈরি করার মতো বোলার।

 

কিন্তু অস্ট্রেলিয়ান সাবেক ক্রিকেটার মাইকেল ক্লার্কের চোখে তার স্বদেশি কেউই সেরা নন। বোর্ডার-গাভাস্কার ট্রফিতে ৩২ উইকেট নিয়ে সিরিজসেরা ভারতীয় পেসার জাসপ্রিত বুমরাই সাবেক অসি অধিনায়কের কাছে বর্তমানে সব ফরম্যাটের সেরা ফাস্টবোলার। ক্লার্কের মতের সমর্থনে একটি যুক্ত হতে পারে এমন- বুমরাহর নেতৃত্বে ফাস্টবোলারদের কারণেই সিডনিতে সিরিজের পঞ্চম ও শেষ টেস্টের প্রথম ইনিংসে ১৮৫ রান করেও লিড পেয়েছিল ভারত। কিন্তু দ্বিতীয় ইনিংসে ইনজুরির কারণে ডানহাতি এই পেসার খেলতে না পারায় ১৬২ রান তাড়া করে ৬ উইকেটের সহজ জয় তুলে নিতে পেরেছিল অস্ট্রেলিয়া।

 

ইএসপিএন অ্যারাউন্ড দ্য উইকেট’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ক্লার্ক বলেন, সিরিজ শেষ হওয়ার পর এবং সিরিজ চলাকালীন বসে বসে একটি জিনিসই চিন্তা করেছি- তা হলো বুমরাহর পারফরম্যান্স। আমি মনে করি সে (বুমরাহ) তিনটি ফরম্যাটেই সেরা ফাস্টবোলার। অনেক দুর্দান্ত ফাস্ট বোলারকে জানি, কার্টলি অ্যামব্রোস, গ্লেন ম্যাকগ্রা, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট খেলতে পারেননি। তাই আমি তাদের কথা বলছি না। তবে যারা তিনটি ফরম্যাটেই খেলেছেন তাদের সম্পর্কে বলতে গেলে আমি মনে করি, যেকোনো অবস্থাতেই সে (বুমরাহ) সেরা হতে পারে। ক্লার্ক মনে করেন, সিডনিতে যদি ভারত ১৮০ রানের লক্ষ্য দিতে পারতো অস্ট্রেলিয়াকে আর বুমরাহ বোলিং করতে পারতেন, তাহলে অস্ট্রেলিয়ার জন্য জয় পাওয়া কঠিন ব্যাপার হয়ে দাঁড়াতো। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি ভারতের সম্ভবত ২০ রান কম ছিল (সিডনিতে)। আমি মনে করি ১৮০ রানের লিড আর ভারতীয় দলে বুমরাহ থাকলে মনে হতো ভারত তাদেরই ঘরের মাঠে খেলছে। আমি মনে করি, বুমরাহ খুব ভালো… সে দলের অন্যান্য বোলারদের চেয়ে অনেক ভালো। ক্লাকের সমর্থনে একই কথা বলেছেন আরেক সাবেক অসি অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চও। তিনি অ্যারাউন্ড দ্য উইকেট’কে বলেন, ‘যদি বুমরাহ শেষ ইনিংসে বোলিং করতো, তাহলে কি অস্ট্রেলিয়া লক্ষ টপকে যেতে পারতো? আমি মনে করি, যেতে পারতো। কিন্তু যেভাবে জিতেছে, তখন সেটি আরও অনেক কঠিন হয়ে যেতো।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।