খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

রোহিত-কোহলিকে নিয়ে ভারতীয় ম্যানেজমেন্ট দ্বিধাদ্বন্দ্বে

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৫, ৬:১১ অপরাহ্ণ
রোহিত-কোহলিকে নিয়ে ভারতীয় ম্যানেজমেন্ট দ্বিধাদ্বন্দ্বে

এক সময় রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলিকে বাদ দিয়ে ভারতীয় স্কোয়াড কল্পনাই করা যেতো না। দুজনই ছিলেন তুখোড় খেলোয়াড়। তাদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করার মতো কেউ ছিলেন না। এখনও যে খুব খারাপ খেলছেন কোহলি-রোহিত, বিষয়টি এমন নয়। তবে ফর্ম ভালো নেই। তাছাড়া প্রতিযোগিতা করে দুজনের চেয়ে এগিয়ে যাওয়ার মতো অনেক ক্রিকেটার দলে চলে এসেছেন। যে কারণে কোহলি-রোহিতকে নিয়ে অতি মাত্রায় ভাবতে হচ্ছে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টকে।

আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে যাওয়া চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আগেও রোহিত-কোহলিকে নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভুগছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। দুই তারকা ক্রিকেটারকে নিয়ে বিসিসিআইয়ের ভাবনাকে ইতিবাচকভাবে উপস্থাপন করলে বলা যায়, ‘মধুর সমস্যা’। অর্থাৎ টেস্টে ফর্মে না থাকলেও ওয়ানডে ফরম্যাটেও তো দুজনই কার্যকর। আবার অভিজ্ঞাতাও দারুণ। আইসিসি টুর্নামেন্টে যার অনেক মূল্য। দুজনে মিলে গত বছরও ভারতকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতিয়েছেন। অন্যদিকে তরুণ ক্রিকেটাররা ভালো খেলছেন। রোহিত-কোহলির তুলনায় বেশি মারমুখী। ঘাটতি অভিজ্ঞতার দিক থেকে।

নেতিবাচকভাবে বললে ব্যাপারটা ‘গলার কাঁটার’ মতো। কারণ, রোহিতের নেতৃত্বে ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ধবলধোলাই হয়েছে ভারত। এরপর বোর্ডার-গাভাস্কার ট্রফিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৩-১ ব্যবধানে সিরিজ হেরেছে তারা। টানা দুই সিরিজে হারের দায় রোহিত-কোহলিকেই নিতে হবে। দুজনই ব্যাটে হাতে ছিলেন ফ্লপ। অস্ট্রেলিয়া সফরে কোহলির গড় ২৩.৭৫ আর রোহিতের মাত্র ৬.২।

নেতিবাচকতার মাত্রা এই কারণে আরও বেড়ে যায় যে, দুজনেরই বয়স হয়েছে। কোহলি (৩৬ বছর) ও রোহিতকে (৩৭ বছর) ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের পরিকল্পনায় রাখাটা কতটা যুক্তিসম্মত, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ওই সময় তাদের ফর্ম কেমন হবে, তা নিশ্চয়ই কারো জানা নেই। এমন অবস্থায় নতুন ক্রিকেটারদের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে সুযোগ দিয়ে পরীক্ষা করে নেওয়ার দারুণ সুযোগ।

যশস্বী জয়সওয়ালের ভালো খেলাটাই মূলত রোহিত-কোহলিকে নিয়ে সমস্যা সৃষ্টির আসল কারণ। বাঁহাতি এই তরুণ টি-টোয়েন্টি ও টেস্ট দারুণ ব্যাটিং করছেন। কিন্তু ওয়ানডেতে এখনো অভিষেক হয়নি। কারণ, প্লট খালি নেই। রোহিত-কোহলি তা দখলে রেখেছেন।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।