খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

দেশের হয়ে গড়া তামিম ইকবালের যেসব রেকর্ড ভাঙা কঠিন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৫, ৬:১৫ অপরাহ্ণ
দেশের হয়ে গড়া তামিম ইকবালের যেসব রেকর্ড ভাঙা কঠিন

বাংলাদেশ ক্রিকেটের আরেকটি অধ্যায়ের যবনিকা ঘটলো। শুক্রবার রাতে (১০ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে আবেগঘন এক স্ট্যাটাস দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বললেন দেশের ইতিহাসের সেরা ওপেনার তামিম ইকবাল। শুধু ওপেনার নয়, পরিসংখ্যানের হিসেবে তামিম দেশেরই সেরা ব্যাটার। ১৭ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে দেশের হয়ে এমন অসংখ্য রেকর্ড গড়েছেন, যা ভাঙা কঠিন।

 

তার কিছু উল্লেখযোগ্য রেকর্ড নিচে তুলে ধরা হলো:

প্রথম ১৫ হাজার : তামিম বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটার হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১৫ হাজার রানের মাইলফলক অতিক্রম করেন। তিন ফরম্যাট মিলিয়ে তার মোট রান ১৫,১৯২। তামিমের পর এই ক্লাবে ঢুকেছেন মুশফিকুর রহিম। তার রান এখন ১৫৩০০।

সর্বাধিক সেঞ্চুরি : তিন ফরম্যাটে তামিমের সেঞ্চুরির সংখ্যা ২৫, যা বাংলাদেশের ব্যাটারদের মধ্যে সর্বোচ্চ। দ্বিতীয় স্থানে থাকা মুশফিকুর রহিম বেশ পিছিয়ে, তার সেঞ্চুরি ২০টি। ওয়ানডেতে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরির মালিকও তামিম (১৪টি)।

তিন ফরম্যাটে সেঞ্চুরি করা একমাত্র বাংলাদেশি : তামিম বাংলাদেশের প্রথম এবং একমাত্র ব্যাটার; যিনি টেস্ট, ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি তিন ফরম্যাটেই সেঞ্চুরি করেছেন। ২০১৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ওমানের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করে তিনি এই কীর্তি গড়েন।

সর্বাধিক পঞ্চাশোর্ধ্ব ইনিংস : আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তামিমের পঞ্চাশোর্ধ্ব ইনিংসের সংখ্যা ১১৯, যা বাংলাদেশের ব্যাটারদের মধ্যে সর্বোচ্চ।

ওয়ানডেতে সবচেয়ে বেশি রান : ২৪৩ ওয়ানডেতে ৮ হাজার ৩৫৭ রান করেছেন তামিম। যা কিনা এই ফরম্যাটে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি রান। দ্বিতীয় স্থানে থাকা মুশফিকুর রহিম ২৭২ ওয়ানডে খেলে করেছেন ৭ হাজার ৭৯৩।

ওয়ানডেতে এক ভেন্যুতে রানের বিশ্বরেকর্ড : মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে তামিম ৮৭টি ওয়ানডে খেলে ২,৮৫৩ রান করেছেন, যা এক ভেন্যুতে সর্বাধিক রানের বিশ্বরেকর্ড। এই রেকর্ডে পরে দুটি নামও বাংলাদেশের-মুশফিক (২৬৮৪) ও সাকিব (২৬৫৬)।

ওয়ানডেতে কম বয়সে সেঞ্চুরি : ওয়ানডে ফরম্যাটে ১৯ বছর ২ দিন বয়সে সেঞ্চুরি করেন তামিম, যা কিনা বাংলাদেশি ব্যাটারদের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ এবং সারা বিশ্বে ষষ্ঠ সর্বকনিষ্ঠ।

টেস্টে দ্বিতীয় ইনিংসে ওপেনিং জুটিতে বিশ্বরেকর্ড : ২০১৫ সালে ইমরুল কায়েসের সঙ্গে মিলে তামিম ৩১২ রানের ওপেনিং জুটি গড়েন, যা টেস্ট ক্রিকেটে দ্বিতীয় ইনিংসে ওপেনিং জুটির বিশ্বরেকর্ড।

টানা তিন টেস্টে সেঞ্চুরি : টানা তিন টেস্টে সেঞ্চুরি পাওয়া বাংলাদেশের একমাত্র ব্যাটার তামিম। ২০১৪-১৫ মৌসুমে জিম্বাবুয়ে ও পাকিস্তানের বিপক্ষে এই রেকর্ড গড়েন তিনি।

টানা ৫ ইনিংসে ফিফটি : টেস্ট এবং ওয়ানডেতে টানা সর্বোচ্চ ৫ ইনিংসে ৫০ ছোঁয়া বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটার তামিম।

টেস্টে সর্বোচ্চ ছক্কা : টেস্টে বাংলাদেশের হয়ে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ ৭ ছক্কা হাঁকানো ব্যাটার তামিম। ২০১৫ সালে খুলনায় পাকিস্তানের বিপক্ষে এই রেকর্ড গড়েন তিনি। টেস্টে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি ৪১টি ছক্কাও তামিমের।

সবচেয়ে বেশি শূন্য : আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি ডাক বা শূন্যের বিব্রতকর রেকর্ডও তামিমের। ৩৬টি শূন্য এসেছে তার ব্যাট থেকে।

দেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি বাউন্ডারি : আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি চার (১৭৬০) হাঁকিয়েছেন তামিম।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।