খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

এই ১০ খাবারে আছে দুধের চেয়েও বেশি ক্যালসিয়াম

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২৫, ৭:১০ অপরাহ্ণ
এই ১০ খাবারে আছে দুধের চেয়েও বেশি ক্যালসিয়াম

মজবুত হাড়ের জন্য পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম গ্রহণের বিকল্প নেই। পেশী সংকোচন ও রক্ত জমাট বাধতে সাহায্য করার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে খনিজটি। ক্যালসিয়ামের অন্যতম উৎস হচ্ছে দুধ। ইউএস ডিপার্টমেন্ট অফ এগরিকালচারের তথ্য অনুযায়ী, ১ কাপ গরুর দুধে ৩১৪ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম থাকে, যা দৈনিক চাহিদার ২৪ শতাংশ সরবরাহ করে। কিন্তু সবাই গরুর দুধ খেতে পারেন না। অনেকেরই দুধে অ্যালার্জি হয়। অনেকেই ল্যাকটোজ ইনটলারেন্সের রোগী। অনেকের আবার গরুর দুধের স্বাদ পছন্দ নয়। তবে এটা ভাববেন না, গরুর দুধ না খেলে আপনি ক্যালসিয়াম পাবেন না। কিছু খাবার আছে যেগুলোতে দুধের চেয়েও বেশি ক্যালসিয়াম মেলে। জেনে নিন সেগুলো কী কী।

  1. এক কাপ কাঠবাদামে ৩৮৫ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম থাকে। রয়েছে প্রচুর পরিমাণ স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, ফাইবার, ম্যাগনেশিয়াম ও ভিটামিন ই। ভিজিয়ে রেখে খাওয়ার পাশাপাশি বাদাম দুধ বা বাদাম মাখনের আকারে খাওয়া যেতে পারে। এছাড়া লাড্ডু, ক্ষীর এবং মিষ্টি খাবারে আমন্ড বাড়ায় স্বাদ ও পুষ্টি।
  2. চার টেবিল চামচ চিয়া বীজ প্রায় ৩৫০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম সরবরাহ করে। খাওয়ার আগে এক গ্লাস পানিতে এক ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন চিয়া বীজ স্মুদি, শেক এবং পুডিংয়েও যোগ করতে পারেন এই বীজ।
  3. এক কাপ আমন্ডের দুধে ৪৪৯ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম থাকে। যদি গরুর দুধ কিংবা সয়া মিল্ক কোনোটাই সহ্য না হয়, তবে কাঠবাদামের দুধ খেতে পারেন।
  4. দুধের চার গুণ ক্যালসিয়াম মেলে সজনে পাতায়। ক্যালসিয়াম ছাড়াও সজনে পাতায় আমিষ, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম, ভিটামিন এ এবং ভিটামিন সি মেলে যা আমাদের শরীরের জন্য আবশ্যকীয় পুষ্টি উপাদান। সজনে পাতার গুঁড়া যোগ করতে পারেন খাবারে। এছাড়া শাক হিসেবেও খাওয়া যায় উপকারী এই পাতা।

    কাঠবাদাম ক্যালসিয়ামের দারুণ উৎস। ছবি- সংগৃহীত
    পনিরে আছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ভিটামিন, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও জিঙ্কের মতো মিনারেল। ১.৫ আউন্স মোৎজারেল্লা চিজে থাকে ৩৩৩ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম। তবে চিজ ওজন বাড়ায়, তাই অতিরিক্ত খাবেন না।

  5. দুই কাপ ছোলায় মেলে ৪২০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম। ছোলা ভুনার পাশাপাশি শাকসবজির সাথে মিশিয়েও খাওয়া যায়। সেদ্ধ করে ব্যবহার করতে পারেন সালাদে।
  6. এক কাপ রান্না করা মুগ ডাল থেকে প্রায় ২৭০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়।
  7. রাগি বা ফিঙ্গার মিলেট ক্যালসিয়ামের অন্যতম সমৃদ্ধ উৎস। মাত্র ১০০ গ্রাম রাগিতে প্রায় ৩৪৫ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম থাকে। প্যানকেক বা লাড্ডুতে রাগি আটা যোগ করতে পারেন। খেতে পারেন সিরিয়াল হিসেবেও।
  8.  এক কাপ ফর্টিফায়েড সয়া মিল্কে থাকে ৩০০ গ্রাম ক্যালসিয়াম।
  9. ১ কাপ দই ৩০০ থেকে ৩৫০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম সরবরাহ করতে পারে। প্রতিদিন সকালের নাস্তায়, দুপুরের খাবারে এমনকি রাতের খাবারেও দই খাওয়া যেতে পারে। –তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া, নিউজ এইটিন 

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।