খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

হিংসায় জ্বলতেন এমবাপ্পে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২৫, ১২:০৭ অপরাহ্ণ
হিংসায় জ্বলতেন এমবাপ্পে

প্যারিস সেন্ট জার্মেইতে নেইমার ও কিলিয়ান এমবাপ্পের জুটি শুরুতে বেশ সাফল্য পেয়েছে। কয়েক বছর যেতেই এই দুজনের সম্পর্কের অবনতি ঘটে। কেউ কাউকে পাস দেন না, আবার পেনাল্টি নিতে গেলেও দুজনের মধ্যে শুরু হয় মন কষাকষি। এই রেষারেষি শুরু হয়েছিল লিওনেল মেসি প্যারিসে পা রাখার পর। নেইমার জানালেন, আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ডের সঙ্গে তার দারুণ সম্পর্কে হিংসায় জ্বলছিলেন এমবাপ্পে!

২০২৩ সালে পিএসজি ছেড়ে সৌদি ক্লাব আল হিলালে চলে যান নেইমার। তার আগে প্যারিসে ২০১৭ সালে এমবাপ্পে আসার পর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল ব্রাজিলিয়ান তারকার। সেই স্মৃতি চারণ করলেন নেইমার সাবেক ব্রাজিল তারকা রোমারিওর এক পডকাস্টে, ‘তার সঙ্গে আমার ছোটখাটো সমস্যা ছিল, লড়াই হতো অল্পস্বল্প। কিন্তু শুরুতে সে ছিল ছোট ছেলে, যখন সে এসেছিল। সবসময় আমি তাকে বলতাম, সেই হতে যাচ্ছে অন্যতম সেরা। মজাও করতাম। তাকে সবসময় সাহায্য করতাম। কথাও হতো অনেক। সে আমার বাসায় আসতো, আমরা একসঙ্গে বাইরে ডিনার করতাম। কিন্তু এমবাপ্পের আচরণ পাল্টে যায় ২০২১ সালে মেসি বার্সেলোনা থেকে পিএসজিতে আসার পর। ২০১৩ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত বার্সেলোনায় একসঙ্গে খেলার কারণে নেইমার ও মেসির সম্পর্ক আগে থেকেই ছিল। পুরানো বন্ধুত্ব আরও গাঢ় হতে থাকে পিএসজির ড্রেসিংরুমে। আর তা দেখে হিংসায় জ্বলতেন ফরাসি ফরোয়ার্ড!

নেইমার বললেন, ‘একসঙ্গে আমরা দারুণ কয়েকটি বছর কাটিয়েছি। কিন্তু তারপর মেসি যখন আসলো, আমার মনে হয় সে হিংসা করতে শুরু করলো। আমাকে সে কারও সঙ্গে ভাগাভাগি করতে দিতে চাইতো না। তারপর শুরু হলো লড়াই, আচরণ গেলো বদলে। তিন তারকা একসঙ্গে আক্রমণভাগে থাকলেও দলের সাফল্যে ছন্দপতন ঘটে। নেইমার ব্যাখ্যা করলেন সেই কারণ, ‘বুঝতে হবে যে একা খেলা যায় না। পাশে একজনকে থাকতে হবে। আমি সেরা, ঠিক আছে কিন্তু কে আপনাকে বল দেবে? পাশে ভালো মানুষ দরকার, যে বল দেবে। এটা ছিল সবার আত্মদম্ভ, তাই ভালো কিছু হয়নি। আজকাল কেউ যদি না দৌড়ায়, একে অন্যকে সাহায্য না করে, তাহলে জেতা অসম্ভব।’

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।