খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

অবৈধ অনুমোদন

পাঁচ বছরে রাসিক হাতিয়েছে ২৬ কোটি টাকা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০২৫, ১১:৫০ পূর্বাহ্ণ
পাঁচ বছরে রাসিক হাতিয়েছে ২৬ কোটি টাকা

রাজশাহী মহানগরে চলাচলের জন্য সিটি করপোরেশন চালু করে অটোরিকশা (ছয় আসন বিশিষ্ট) ও ব্যাটারিচালিত রিকশার (দুই আসন বিশিষ্ট) লাইসেন্স প্রদান। ২০১৯-২০ অর্থবছরে তারা এই লাইসেন্স দেওয়া শুরু করে। তবে বাহন দুটিকেই লাইসেন্স প্রদানের খাতে তারা উল্লেখ করছে নৌকা বা সাধারণ যানবাহন হিসেবে। কিন্তু বাস্তবে আটোরিকশা বা ব্যাটারিচালিত রিকশা হলো মোটরচালিত। মোটর চালিত সব ধরনের যানবাহনের লাইসেন্স দেওয়ার একমাত্র কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। সেই আইনের তোয়াক্কা না করে রাসিক কর্তৃপক্ষ তৎকালীন সরকারের প্রভাব খাটিয়ে নিজেরাই দিয়েছে এই অবৈধ অনুমোদন। এর মাধ্যমে ৫ বছরে রাসিক আয় করেছে প্রায় সাড়ে ২৬ কোটি টাকা।

 

রাজশাহী সিটি করপোরেশনের তথ্যমতে, রাজশাহী সিটিতে চলাচলের জন্য ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে তারা এই লাইসেন্স কার্যক্রম শুরু করে। তৎকালীন সময়ে রাসিকের ৬ ওয়ার্ডে অটোরিকশার (ছয় আসন বিশিষ্ট) অনুমোদন দিয়েছে ৮ হাজার ৯৭০টি। ব্যাটারিচালিত রিকশার (দুই আসন বিশিষ্ট) লাইসেন্স দিয়েছে ৫ হাজার ৮১৯টি। এরপর তারা নতুন করে লাইসেন্স দেওয়া বন্ধ রেখেছে। রাজশাহী সিটি করপোরেশন প্রতিটি অটোরিকশার লাইসেন্স ফি বাবদ ধরেছে ৮ হাজার ৫০ টাকা। অর্থাৎ অটোরিকশার লাইসেন্স দিয়ে আয় করেছে ৭ কোটি ২২ লাখ ৮ হাজার ৫০০ টাকা। এছাড়াও ব্যাটারিচালিত রিকশার ফি ধরা হয়েছে ১০ হাজার ৫০ টাকা। অর্থাৎ ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার লাইসেন্স দিয়ে আয় করেছে ৫ কোটি ৮৪ লাখ ৯৫০ টাকা।

 

এদিকে এসব রিকশার লাইসেন্স প্রতি অর্থবছরই নবায়ন করতে হয়। একটি অটোরিকশার লাইসেন্স নবায়ন করতে খরচ হয় ২ হাজার ৫৫০ টাকা। প্রতি অর্থ বছরে লাইসেন্স নবায়ন করে রাসিক আয় করে ২ কোটি ২৮ লাখ ৭৩ হাজার ৫০০ টাকা। এছাড়াও একটি ব্যাটারিচালিত রিকশার লাইসেন্স নবায়ন করতে খরচ হয় এক হাজার ১৫০ টাকা। অর্থাৎ প্রতি অর্থবছরে আয় হয় ৬৬ লাখ ৯১ হাজার ৮৫০ টাকা।বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) রাজশাহীর সহকারী পরিচালক আবদুর রশিদ বলেন, সিটি করপোরেশন থেকে গাড়ির মালিকেরা নম্বর নেন এবং তাদের কাছে থেকেই তারা নবায়ন করেন। এটির সঙ্গে আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই। তবে সিটি করপোরেশন এটি দিতে পারে না। তৎকালীন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ও এলজিইডি মন্ত্রী সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যে, কোনো ব্যাটারিচালিত গাড়িকে সিটি করপোরেশন বা পৌরসভা কোনো ধরনের গাড়ির লাইসেন্স দেবে না। তারপরও তৎকালীন সময়ে সরকারের প্রভাব খাটিয়ে তারা দিয়েছে। আমাদের তৎকালীন যারা ছিলেন তারাও কিছু বলেননি।

রাজশাহী মেট্রপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, এটি নিয়ে আমাদের কোর কমিটিতে আলোচনা হয়েছে। বিআরটিএ যে কথা বলছে এটিই সঠিক। যেকোনো মোটরযান বলতে যা বোঝায় সেগুলোর লাইসেন্স দেওয়ার একমাত্র অথরিটি হলো বিআরটিএ। এটি আমরা সিটি করপোরেশন, বিভাগীয় কমিশনার, বিআরটিএ, আরডিএ সবাইকে বলেছি। বাস্তবতা হচ্ছে এটি দেওয়ার কোনো এখতিয়ার সিটি করপোরেশন রাখে না। কিন্তু সিটি করপোরেশন একটি স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান, তারা না শুনলে আমাদেরতো কিছু করার নেই।

এ বিষয়ে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা আবু সালেহ মো. নূর-ই সাঈদ বলেন, সিটি করপোরেশন আমাদের আদায়ের অনুমতি দিয়েছে, আমার আদায় করছি। এগুলো আমরা অ্যাকাউন্টে জমা দিয়েছি। কিন্তু তারা এগুলো কীভাবে খরচ করে সেটি আমাদের জানা নেই।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।