খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

মুশফিককে সংবর্ধনা দেবে বিসিবি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৮ মার্চ, ২০২৫, ২:৫৬ অপরাহ্ণ
মুশফিককে সংবর্ধনা দেবে বিসিবি

DUBAI, UNITED ARAB EMIRATES - FEBRUARY 16: Mushfiqur Rahim of Bangladesh poses for a portrait during the ICC Champions Trophy 2025 Portrait Session on February 16, 2025 in Dubai, United Arab Emirates. (Photo by Alex Davidson-ICC/ICC via Getty Images)

আড়াই বছর আগে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর নিয়েছিলেন মুশফিকুর রহিম। গত সপ্তাহে বিদায় নিয়েছেন ওয়ানডে থেকেও। সীমিত ওভারের ক্রিকেট থেকে বিদায় নিলেও টেস্ট খেলা চালিয়ে যাবেন বাংলাদেশের সেরা উইকেট কিপার ব্যাটার। মাঠ থেকে মুশফিক বিদায় নেওয়ার সুযোগ পাননি, তবে মুশফিককে সংবর্ধনা দেবে বাংলাদেশ ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিসিবি। সংস্থার সভাপতি ফারুক আহমেদ গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

চ্যাম্পিয়নস ট্রফির সেমিফাইনাল দেখতে পাকিস্তান গিয়েছিলেন বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদ। শুক্রবার তিনি দেশে ফিরেছেন। দেশে ফিরে সকালে উপস্থিত হন শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। যেখানে ১২ বছর বন্ধ থাকার পর পুনরায় শুরু হওয়া তৃতীয় বিভাগ বাছাই লিগের উদ্বোধন করেন তিনি। এ সময় বিসিবি সভাপতি মুশফিককে সংবর্ধনা দিতে চাওয়ার বিষয়টি জানান। এক প্রশ্নের জবাবে ফারুক আহমেদ বলেছেন, ‘(মুশফিককে সংবর্ধনা) এটা আমরা পরিকল্পনা করবো। এটা তো খুব স্বাভাবিক একটা ঘটনা। মুশফিক সম্ভবত দেশের একজন কিংবদন্তি। দীর্ঘ ১৯ বছর আমাদের পথপরিক্রমায় বাংলাদেশ ক্রিকেট যে আজকে এই অবস্থায় এসেছে, তার মধ্যে সে অন্যতম একজন নাবিক, যে বাংলাদেশের ক্রিকেটকে পথ দেখিয়েছে। আমি মনে করতে পারি, ২০০৫ সালে ইংল্যান্ডে খেলা থেকে শুরু করে, পরে ২০০৭ বিশ্বকাপ থেকে এখন পর্যন্ত… সে যে পথটা দেখিয়েছে, তরুণ ক্রিকেটারদের জন্য অনেক বড় ব্যাপার হবে। ক্রিকেট বোর্ড থেকে অত্যন্ত কৃতজ্ঞচিত্তে তার সব অর্জন স্মরণ করেছি আমরা।  আমরা চেষ্টা করবো, ক্রিকেট বোর্ড থেকে পরিকল্পনা কবো, কীভাবে তাকে সংবর্ধনা দেওয়া যায়।

তৃতীয় বিভাগ বাছাই লিগে অংশ নেওয়া ৬০ দলের ক্রিকেটাররা ১২টি গ্রুপে ভাগ হয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছেন। অংশগ্রহণকারী ক্রিকেটারদের শপথ বাক্য পাঠ করান অধিনায়ক শান্ত। এত দিন পর আবারও ১২০০ ক্রিকেটার নিয়ে বড় পরিসরে একটি লিগ আয়োজন করতে পেরে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন ফারুক আহমেদ, ‘এখান থেকে কিছু র- ট্যালেন্ট আসবে। সবসময় যে এখান থেকে ক্রিকেটার পাবো তা জরুরি নয়। তবে আমরা তো ট্যালেন্ট হান্টিং করতাম আগে। ওই ট্যালেন্ট হান্টিংয়ের মতো ব্যাপার হবে। তরুণ ক্রিকেটারদের মধ্যে যারা প্রতিভাবান থাকবে, আমাদের লোকজন খেলা দেখবে, তারা প্রতিভাবান ছেলেদের খুঁজে বের করবে। সংখ্যায় যতই হোক, পরবর্তীতে তাদের যেন আমরা পরিচর্যা করতে পারি। র- ট্যালেন্ট বের করার জন্য এই ধরনের টুর্নামেন্ট খুব গুরুত্বপূর্ণ।’

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।