খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

৪ শিক্ষার্থীর ইমামতিতে কক্সবাজার মেডিকেলে খতমে তারাবীহ পরিচালিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৮ মার্চ, ২০২৫, ৩:৫২ অপরাহ্ণ
৪ শিক্ষার্থীর ইমামতিতে কক্সবাজার মেডিকেলে খতমে তারাবীহ পরিচালিত

কক্সবাজার মেডিকেল কলেজে (কক্সএমসি) তে বিভিন্ন বর্ষে অধ্যয়নরত চারজন শিক্ষার্থীর ইমামতিতে প্রথবারের মতো শুরু হয়েছে খতমে তারাবীহ। মেডিকেল কলেজের মসজিদে এ তারাবীহ চলছে। ইমামতি করছেন কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী হাফেজ আহসান শাকীক, ১৪তম ব্যাচের শিক্ষার্থী হাফেজ হাসানাত আব্দুল্লাহ, ১৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী হাফেজ ইমতিয়াজ হোসেন ও ১৬তম ব্যাচের শিক্ষার্থী হাফেজ মাওলানা তাউসিফ করিম।

হাফেজ তাউসিফ করীম বলেন, ‘হাফেজ হওয়ার পর থেকে টানা নয় বছর তারাবীহ পড়িয়েছি। সারাবছরের একাডেমিক পড়াশোনার চাপে হিফজুল কুরআনের পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হয় না। তারাবীহ হলো একজন হাফেজের কাছে আল কুরআন রিচার্জের মতো। তারাবীহ ছাড়া কুরআন আয়ত্বে রাখা কষ্টসাধ্য। মেডিকেলে টিকে যাওয়ার পর এই আশঙ্কায় ছিলাম যে, রমাদানে তারাবীহ পড়াতে পারবো কিনা। মেডিকেলে ক্লাস আর পরীক্ষার পাশাপাশি তারাবীহর জন্য আলাদা প্রস্তুতি নেওয়া আসলেই কঠিন। আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহর অশেষ রহমতে এইবার রমাদানে কক্সএমসিতে সিনিয়র হাফেজ ভাইদের সাথে খতমে তারাবীহর ইমামতিতে অংশ নিয়েছি। এজন্য আমি প্রথমত আল্লাহর দরবারে এবং দ্বিতীয়ত কক্সএমসি পরিবারের কাছে কৃতজ্ঞ।’

হাফেজ ইমতিয়াজ জানান, ‘প্রকৃতপক্ষে হাফেজ হওয়ার পিছনে আল্লাহ তায়ালার রহমত তো ছিলই, তার পাশাপাশি আম্মুর ইচ্ছা এবং প্রচেষ্টা ছিল অন্যতম সহায়ক। হাফেজ হবার পাশাপাশি মাদ্রাসা বিভাগ থেকে মেডিকেলে চান্স পাওয়া ছিল আমার জন্য অন্যতম সৌভাগ্যের বিষয়, আলহামদুলিল্লাহ। প্রতিবারের ন্যায় এবারও খতমে তারাবির আয়োজন করা করে নামাজ পড়ানোর সুযোগ করে দেওয়ার জন্য কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান তিনি। পাশাপাশি এ ধারা অব্যাহত থাকবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন ইমতিয়াজ।

কক্সবাজার মেডিকেলের ১৬তম ব্যাচের একজন সাধারণ শিক্ষার্থী বলেন, ‘বসন্তে কোকিল যেমন, রমাদানে হাফেজ তেমন। তিনি বলেন, ‘তারাবীর প্রথম দিন প্রথম রাকাআতে পঞ্চম বর্ষের হাফেজ শাকিক ভাইয়ের হৃদয়স্পর্শী তিলাওয়াত শুনে অজান্তে আমার চোখ থেকে অশ্রু ঝরতে থাকে, আমি বুঝতেও পারিনি কেন এমন হয়েছে। এ হয়ত মহামহিম খোদাতায়ালার বাণীর প্রভাব, যা ভাইয়ার কণ্ঠনিঃসৃত হয়ে আমার অন্তর প্রকম্পিত করেছে। কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ মসজিদে হাফেজ আহসান শাকীক, হাফেজ হাসানাত আব্দুল্লাহ, হাফেজ ইমতিয়াজ হোসেন ও হাফেজ মাওলানা তাউসিফ করিমের সুমধুর-সুরেলা কন্ঠে টানা ২৭ রমজান পর্যন্ত পরিচালিত হবে এই খতমে তারাবিহ।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।