খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

যাদের নাম হয়, তাদের বদনামও হয়: নাসির

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৫, ৬:৩০ অপরাহ্ণ
যাদের নাম হয়, তাদের বদনামও হয়: নাসির

মাঠের বাইরের নানা ঘটনায় বরাবরই খবরের শিরোনাম হতেন নাসির হোসেন। কখনও বিশৃঙ্খল জীবন যাপনের জন্য, কখনও পারফরম্যান্স দিয়ে। সর্বশেষ খবরের শিরোনাম হয়েছিলেন দুর্নীতির তথ্য গোপনের দায়ে। দেড় বছরের নিষেধাজ্ঞা শেষে সোমবার ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগ দিয়ে মাঠে ফিরেছেন। এদিন রূপগঞ্জ টাইগার্সের জার্সিতে খেলতে নেমে লম্বা বিরতির ইতি টেনেছেন তিনি। বল হাতে ১ উইকেট ও ব্যাট হাতে ৯ রান করে দলের জয়ে কিছুটা অবদানও রেখেছেন। ম্যাচ শেষে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নিজেকে নিয়ে নাসির বলেছেন, ‘যাদের নাম থাকবে, তাদের বদনামও থাকবে।

২০২১ সালে আবুধাবি টি-টেন লিগ খেলতে গিয়ে একটি আইফোন উপহার নেন নাসির। সেই তথ্য-ই গোপন করেন তিনি। তথ্য গোপন করায় তাকে নিয়ে তদন্তে নামে আইসিসি। পরে অবশ্য সেই অপরাধ নাসির শিকার করে নেন। নিয়ম ভাঙায় নাসিরকে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ করেছিল আইসিসি। যেখানে ছয় মাসের স্থগিত নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল। শাস্তির শর্ত পূরণ করায় গতকাল (রবিবার) থেকে নাসিরের ওপর থাকা নিষেধাজ্ঞা উঠে গেছে। মাঠে ফেরার পর গণমাধ্যমকে নাসির জানালেন নিজের অনুভূতির কথা, ‘অবশ্যই ভালো লাগছে। যেই জিনিসটা মিস করছিলাম, ক্রিকেট খেলা। তাই অবশ্যই খুব ভালো লাগতেছে অনেক দিন পর ক্রিকেট খেলে।’

কেন নিজেকে দুর্ভাগা ভাবছেন তার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন তিনি, ‘মানুষ চাইলে সব কিছুই পারে। ফিরে আসা বলতে… দেড় বছর তো। আমি একটু আনলাকি এই কারণে বলবো যে, আমার দেড় বছর যেখান থেকে শুরু হয়েছে, আমি দুইটা মৌসুম মিস করে ফেলেছি। দুইটা বিপিএল আর এটাসহ দুইটা প্রিমিয়ার লিগ। তাই এদিক থেকে আমি আনলাকি। যদি একটা মিস হতো, তাহলে ঠিক ছিল। আবাহনীসহ বেশ কয়েকটি দল থেকেই প্রস্তাব পেয়েছিলেন এই অলরাউন্ডার। কিন্তু বেছে নিয়েছেন রূপগঞ্জ টাইগার্সকে। কি কারণে রূপগঞ্জকে বেছে নেওয়া- এর উত্তরে নাসির বলেছেন, ‘প্রস্তাব ছিল অনেক দলের। তবে আমার কাছে যেটা ম্যাটার করে, প্রায়োরিটি আর কীভাবে আমার সঙ্গে আচরণ করছেন। যেহেতু সুপার লিগ খেলার কথা ছিল… আমি কোনও দলের অপশন হয়ে থাকতে চাই না যে এই খেলোয়াড় গেলে আমি খেলবো বা এই খেলোয়াড় থাকলে আমি খেলবো না। এই ধরনের অপশন হয়ে কখনও থাকতে চাই না। হ্যাঁ, প্রস্তাব ছিল। তারা শুধু প্রস্তাবই দিয়েছে, আর কোনও কিছু দেয়নি (হাসি)।’

মাঠের বাইরে এবং মাঠের ভেতরে অনেক কিছুই নাসিরকে ম্যানেজ করতে হয়েছে। এই মুহূর্তে সব বিতর্ক ছাপিয়ে সুখের সংসারে হাবুডবু খাচ্ছেন এই অলরাউন্ডার। সোমবার নতুন করে ক্রিকেটে প্রত্যবর্তনের দিনে নাসিরের উপলব্দি জানতে চাওয়া হয়েছিল। নাসির যেন ক্ষুব্ধ হয়ে উঠলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ্। আমার একটা সন্তান আছে। পরিবার আছে। সুখে আছি। ভালো আছি। যাদের নাম হয়, তাদের বদনামও হয়। এটাই স্বাভাবিক। আর এখন তো আমরা অনলাইন মিডিয়ায় নিজেদের টিআরপি বাড়ানোর জন্য যা-তা করে নিউজ করি। এটা সত্যি কথা। আমার মনে হয়, এরকম না করাই ভালো। কারণ আপনাদের একটা নিউজ আর কিছু লাইকের জন্য একটা পরিবারে সমস্যা হতে পারে। এটা আপনারাও ভালো জানেন। যদি আপনাদের পরিবারের সঙ্গে হয়, তখন বুঝতে পারবেন।’

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।