খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

শিল্প গ্রাহকদের গ্যাসের দাম বাড়লো

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৫, ৫:০১ অপরাহ্ণ
শিল্প গ্রাহকদের গ্যাসের দাম বাড়লো

শিল্প গ্রাহকদের জন্য গ্যাসের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। শিল্প গ্রাহকদের প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের বিল ৩০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪০ টাকা করা হয়েছে। ক্যাপটিভে গ্যাসের দাম ৩০ টাকা ৫০ পয়সা থেকে বেড়ে ৪২ টাকা করা হয়েছে। তবে নতুন এই দাম ১৩ এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে।  গ্রাহকদের অনুমোদিত লোড পর্যন্ত গ্যাসের দাম অপরিবর্তিত থাকলেও নতুন গ্রাহক এবং অনুমোদিত সীমা ছাড়িয়ে গ্যাস ব্যবহারকারীদের জন্য দাম বাড়ানো হয়েছে। বিদ্যমান গ্রাহক শিল্প ও ক্যাপটিভ বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের অনুমোদিত লোড পর্যন্ত গ্যাস ব্যবহারের ক্ষেত্রে পুরাতন দাম দেবে।

রবিবার (১৩ এপ্রিল) বিইআরসির শুনানি কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদসহ আরও উপস্থিত ছিলেন কমিশনের সদস্য মিজানুর রহমান, সদস্য সৈয়দা সুলতানা রাজিয়া, আব্দুর রাজ্জাক ও শাহীদ সারোয়ার। বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ জানান, শিল্প গ্রাহকদের প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের বিল ৩০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪০ টাকা করা হয়েছে। ক্যাপটিভে গ্যাসের দাম ৩০ টাকা ৫০ পয়সা থেকে বেড়ে ৪২ টাকা করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে বলেন, এই দাম পুরানো শিল্প গ্রাহকদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না। আদেশে বলা হয়, বিদ্যমান শিল্প ও ক্যাপটিভ বিদ্যুৎ শ্রেণির গ্রাহকদের বিদ্যমান অনুমোদিত লোড পর্যন্ত গ্যাস ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিদ্যমান দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। এছাড়া শিল্প ও ক্যাপটিভ বিদ্যুৎ শ্রেণির প্রতিশ্রুত গ্রাহকের অনুমোদিত লোডের ৫০ ভাগ পর্যন্ত গ্যাস ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিদ্যমান দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

অন্যদিকে শিল্প শ্রেণির নতুন গ্রাহক, প্রতিশ্রুত গ্রাহকের অনুমোদিত লোডের ৫০ ভাগের ঊর্ধ্বে গ্যাস ব্যবহারের ক্ষেত্রে এবং বিদ্যমান গ্রাহকের অনুমোদিত লোডের ঊর্ধ্বে গ্যাস ব্যবহারের ক্ষেত্রে মূল্যহার ৪০ টাকা ঘনমিটার পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ক্যাপটিভ বিদ্যুৎ শ্রেণির নতুন গ্রাহক, প্রতিশ্রুত গ্রাহকের অনুমোদিত লোডের ৫০ ভাগের ঊর্ধ্বে গ্যাস ব্যবহারের ক্ষেত্রে এবং বিদ্যমান গ্রাহকের অনুমোদিত লোডের ঊর্ধ্বে গ্যাস ব্যবহারের ক্ষেত্রে মূল্যহার ৪২ টাকা ঘনমিটার পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ১৫ থেকে ৩০ জানুয়ারির মধ্যে পেট্রোবাংলা, তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড, বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড, জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম লিমিটেড, পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড, কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড, সুন্দরবন গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড প্রাকৃতিক গ্যাসের শিল্প ও ক্যাপটিভ বিদ্যুৎ শ্রেণিতে নতুন, প্রতিশ্রুত এবং বিদ্যমান (অনুমোদিত লোডের অতিরিক্ত গ্যাস ব্যবহারকারী) গ্রাহকের মূল্যহার পুনর্নির্ধারণের জন্য কমিশনে প্রস্তাব জমা দেয়। এই প্রস্তাবের ওপর গত ২৬ ফেব্রুয়ারি গণশুনানি করা হয়।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।