এলএ শাখার সার্ভেয়ার মামুন অবৈধভাবে শ্রেণী পরিবর্তন করে কিভাবে এখনো নারায়ণগঞ্জ জেলায়
মামুন এর বিরুদ্ধে এর আগেও বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকায় নারায়ণগঞ্জ জেলার রুপগঞ্জ উপজেলা ঢাকা সিলেট মহাসড়ক প্রশস্ত করানোর জন্য ২১/২০২১-২০২২ নং এলএ কেস মুলে সরকার জমি অধিগ্রহণ করে ২০২১ সালে শুরু করা এলএ কেসটি ২০২২ সালে ৪(১) ধারা নোটিশ মাঠে জারি করা হয়। ৪(১) ধারা নোটিশ জারির পর ৪(৭) ধারা মোতাবেক নোটিশ জারির পর অসৎ উদ্দেশ্যে সরেজমিনে বর্তমান শ্রেণির পরিবর্তন করে বর্তমানে নাল বা ভিটি থাকলেও সেখানে স্হাপনা নির্মান বা শ্রেণির পরিবর্তন বা বাণিজ্যিক ভূমি দেখিয়ে যত তদন্তের ঘোষের বিনিময়ে ৪(১) নোটিশ জারির দীর্ঘ দিন পর বাস্তব শ্রেণি পরিবর্তন করে বানিজ্যিক শ্রেণি দেখানো হয়েছে।
যেখানে প্রায় ৮০ থেকে ৯০ কোটি টাকা সার্ভেয়ার মামুন গ্রহন করেছেন বলে বিভিন্ন ভাবে জানা যায়।এ বিষয়ে নিয়ে ভূমি মন্ত্রনালয় জনাব মো: একরামুল হক পিতা মৃত আব্দুল কাদির ভূইয়া এর আপত্তি পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রনালয়ের ডকেট নাম্বর:৪০৫৫, গত ৯/০৪/২৫ তারিখের ভূমি মন্ত্রনালয়ের ২০৫৪ নং স্মারক মূলে বিধি মোতাবেক ব্যবস্হা নেয়ার জন্য বিভাগীয় কমিশনার ঢাকা বিভাগ ঢাকাকে পএ দেয়া হয়।
বিভাগীয় কমিশনার তথ প্রেক্ষিতে গত ৯/৪/২৫ তারিখের ২০৫৪/১(৩) নম্বর স্মারক মূলে এলএ কেস নম্বর ২১/২০২১-২০২২ এর দুর্নীতির বিষয়ে পএ প্রাপ্তির ৭ (সাত) কার্যদিবশের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দেয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয়।
কিন্তু গত মার্চ মাসে এই দুর্নীতির বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দেয়ার জন্য বলা হলেও মামুনের টাকার জোর আর তার অশোভ
শক্তির কাছে পরাজয়ে হয়ে এখন পর্যন্ত ভূমিমন্ত্রনালয়ে প্রেরণ করা হয়নি।
ইতি মধ্যে জানা যায় গত জুন মাসের শেষের দিকে এই দুর্নীতির বিষয়ে তদন্ত কমিটি একটি প্রতিবেদন দাখিল করেন।উক্ত প্রতিবেদনে খাদুন মৌজা, সিটি গ্রুপের বরপা মৌজা হাজী মোখলেছুর রহমান এর আড়িয়াব মৌজার মোঃ শাহিন ভূইয়ার আধুরিয়া মৌজা,মাহনা মৌজা,কেশরাব মৌজায় প্রায় ২৫ থেকে ৩০টি বাস্তব নাল/ভিটি শ্রেণিকে পরিবর্তন করে প্রায় ৮০ থেকে ৯০ কোটি টাকা লেনদেন করেন।বাণিজ্যিক শ্রেণি হিসাবে শ্রেণি পরিবর্তন করেছেন।
আরও জানা যায় তদন্ত কমিটি সরেজমিনে প্রাপ্ত তথ্য মতে কিছু কিছু ভূমি বাস্তব শ্রেণি নির্ধারণ ক্ষেত্রে অসংগতি রয়েছে।
বর্তমান জেলা প্রশাসক নারায়ণগঞ্জ সার্ভেয়ার মামুনের এসব দুর্নীতির কথা জানার পর তাকে সাথে সাথে বন্দর উপজেলা ভূমি অফিসে বদলি করে।এতো বড় দুর্নীতি করার পরও অনেক দাপটে কিভাবে নারায়ণগঞ্জ জেলায় চাকরি করে?এসব দুর্নীতি করার পর সার্ভেয়ার মামুনের চাকরি থেকে বরখাস্ত ও দুদকে মামলা হওয়ার কথা কিন্তু তার কাছ থেকে জানা যায় টাকা দিয়ে সব কিনে রেখেছে।
মামুনে ভূমি অধিগ্রহণ শাখায় নারায়ণগঞ্জে যোগদান করেছিল শামীম উসমানের ক্ষমতায় ২০১৯ সালে।দীর্ঘ ৬ বছর পরে বিভিন্ন দুর্নীতি অনিয়মের কারণে গত ৭/৭/২৫ তারিখের জেলা প্রশাসক নারায়ণগঞ্জ ভূমি অধিগ্রহণ শাখায় থেকে উপজেলা ভূমি অফিস বন্দর বদলি করেন



আপনার মতামত লিখুন