খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

হত্যা চেষ্টার আসামী ছাত্রলীগ-যুবলীগ নেতারা এখন ছাত্রদল-যুবদলে

হত্যার আসামিরা প্রবেশ করছে ছাত্রদলে ও যুবদলে, ১০ লাখ টাকার বিনিময়ে অনুপ্রবেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৭:৪৫ অপরাহ্ণ
হত্যার আসামিরা প্রবেশ করছে ছাত্রদলে ও যুবদলে, ১০ লাখ টাকার বিনিময়ে অনুপ্রবেশ

ঢাকার সাভারে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে দায়ের হওয়া একটি হত্যা চেষ্টার মামলার এজাহারভুক্ত আসামী মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার এক ছাত্রলীগ ও এক যুবলীগ নেতাকে ছাত্রদল ও যুবদলের সক্রিয় কর্মী হিসেবে প্রত্যয়ন দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। গত বছরের ১৩ সেপ্টেম্বর সোহেল আহমেদ নামের এক ব্যক্তি বাদি হয়ে সাভার মডেল থানায় ১০৪ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ১৫০/২০০ জন অজ্ঞাতনামাকে আসামী করে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় সাটুরিয়ার ছাত্রলীগ নেতা মো. রায়হান ও যুবলীগ কর্মী আল মাহমুদ সবুজের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

অভিযোগ রয়েছে, দোসররা ১০ লাখ টাকার বিনিময়ে ছাত্রদলে যুবদলে অনুপ্রবেশ করেছেন। একাধিক সূত্র এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। অভিযোগ উঠেছে, মামলার পর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহবায়ক মো. সাদ্দাম হোসেন এবং উপজেলা যুবদলের আহবায়ক মোহাম্মদ আমীর হামজা পৃথক দু’টি প্রত্যয়নপত্রে তাদেরকে ছাত্রদল ও যুবদলের সক্রিয় কর্মী বলে উল্লেখ করেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মো. রায়হান পূর্বে ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী ছিলেন এবং উপজেলা ছাত্রলীগের একটি কমিটিতে তার নামও ছিল। তবে সাদ্দাম হোসেন একটি প্রত্যয়নপত্রে রায়হানকে উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক ও ত্যাগী কর্মী বলে দাবি করেন। কিন্তু জেলা ছাত্রদলের তৎকালীন সভাপতি রেজাউল ইসলাম খান সজীব জানান, তার দেয়া কমিটিতে রায়হানের নাম ছিল না; বরং সাধন সরকারের নাম এডিট করে প্রতারণার মাধ্যমে রায়হানের নাম বসানো হয়েছে। এ বিষয়ে উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহবায়ক মো. সাদ্দাম হোসেনের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। ফলে তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

অন্যদিকে, সাটুরিয়া উপজেলা যুবলীগের সক্রিয় কর্মী আল মাহমুদ সবুজকে যুবদলের ত্যাগী ও পরীক্ষিত কর্মী হিসেবে প্রত্যয়ন দেন উপজেলা যুবদলের আহবায়ক মোহাম্মদ আমীর হামজা। প্রত্যয়নপত্রে দাবি করা হয়, তিনি সাটুরিয়া সদর ইউনিয়ন যুবদলের সহ ক্রীড়া সম্পাদক। তবে যাচাই করে দেখা যায়, ওই দায়িত্বে রয়েছেন মো. আব্দুল আলীম নামের এক ব্যক্তি। অভিযোগ উঠেছে, তার নাম এডিট করে আল মাহমুদ সবুজকে ওই পদে দেখানো হয়েছে।

এ বিষয়ে মোহাম্মদ আমীর হামজা বলেন, “মোবাইলে কিছু বলবো না, সামনাসামনি এলে বিষয়টি ব্যাখ্যা করবো। এ প্রসঙ্গে জেলা যুবদলের আহবায়ক কাজী মোশতাক হোসেন দীপু বলেন, “বিষয়টি আমার জানা নেই, এখনই আপনার কাছ থেকে শুনলাম। তদন্ত করে সত্যতা পেলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এদিকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাভার থানার উপপরিদর্শক চম্পক বড়ুয়া জানান, “তদন্ত চলমান রয়েছে। ঘটনার সময় আসামিরা জড়িত ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।