খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

মেধায় নয় শত কোটি টাকার কোঠায় গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী দৌড়ে মোঃ খালেকুজ্জামান চৌধুরী

খালেকুজ্জামান বিরুদ্ধে অষ্ট্রোলিয়ার দৈত্য নাগরিকত্বের অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১ অক্টোবর, ২০২৫, ৮:৩৫ অপরাহ্ণ
খালেকুজ্জামান বিরুদ্ধে অষ্ট্রোলিয়ার দৈত্য নাগরিকত্বের অভিযোগ

ডক্টরেট ডিগ্রি জালিয়াতকারী গণপূর্ত প্রকোশলী খালেকুজ্জামান চৌধুরী আবারও ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের ন্যায় সিরিয়াল ব্রেক করে ও বুয়েটের একাধিক মেধাবী প্রকৌশলীদের টপকে কোঠায় খালেকুজ্জামান চৌধুরী প্রধান প্রকৌশলী হওয়ার দৌড়ে শত কোটি টাকার মিশন নিয়ে মাঠে নেমেছেন। এই স্বাধীন দেশে আবারও বৈষম্য সৃষ্টি করার জন্য খালেকুজ্জামান চৌধুরী আধা জল খেয়ে মাঠে নেমেছেন। খালেকুজ্জামান ছাত্র জীবনে কুয়েট থেকে লেখাপড়া করছেন বিধায় তিনি এখন গণপূর্তের কুয়েট, চুয়েট ও রুয়েট নিয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে বিভেদ সৃষ্টি করে গণপূর্ত অধিদপ্তরে একটি নৈরাজ্য সৃষ্টি করে হলেও প্রধান প্রকৌশলী হওয়ার জন্য তিনি মরিয়া হয়ে উঠেছেন।

ফ্যাসিবাদের অন্যতম দোসর শহীদুল্লাহ খন্দকারের আশীর্বাদপ্রাপ্ত গণপূর্ত অধিদপ্তরের ১৫ তম ব্যাচের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান চৌধুরী ডক্টরেট ডিগ্রি জালিয়াতকারী ২০১৪ সালে ধরা পড়ে শাস্তির বদলে পেয়েছেন পাবনা জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী হিসাবে প্রাইস পোস্টিং।

সর্বশেষ গণপূর্ত প্রকোশলী খালেকুজ্জামান গত ২৪ জুন ২০২৫ খ্রিঃ তারিখে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রনালয়ের যুগ্মসচিব নিজানুর রহমান স্বক্ষরিত ২৫.০০.০০০০.০১৩.১২.০০১.১১-৪৩ স্মারকে তাকে ‘ঢাকা মেট্রোপলিটন জোনের’ অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে তাঁকে দায়িত্ব দিয়ে অফিস আদেশ জারি করে আবারও প্রাইজ পোষ্টিং বাগিয়ে নেন। গণপূর্ত মেট্টোপলিটন জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী হওয়ার পর তাকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হচ্ছে না ঠিকাদার ও ঢাকার শহরে একাধিক ওর্য়াকিং ডিভিশনে নির্বাহী প্রকৌশলী মাধ্যমে শত কোটি টাকা কালেকশন করে প্রধান প্রকৌশলী হওয়ার দৌড়ে তিনি মাঠে সক্রিয় থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সচিবালয়ে তোড়জোড় শুরু করছে বলে একাধিক সুত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গণপূর্ত অধিদপ্তরের বর্তমান প্রধান প্রকৌশলী মোঃ শামীম আখতার চলতি বছরের ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ খ্রিঃ তারিখে চাকুরী হতে অবসরে যাবেন।

আর এই অবসর যাওয়ার দিন যত এগিয়ে আসছে গণপূর্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তা তিনটি শিবিরে বিভিক্ত হচ্ছেন এক গ্রুপ ১৫তম ব্যাচের ড. মঈনুল ইসলাম সিরিয়ালে প্রথম অবস্থানে রয়েছেন , ১৫তম ব্যাচের মোঃ আবুল খায়ের ২য় অবস্থানে রয়েছেন ও ১৫ ব্যাচের টাকার কুমির খ্যাত খালেকুজ্জামান চৌধুরী ৩য় অবস্থানে রয়েছেন।

তাই খালেকুজ্জামান চৌধুরী তয় অবস্থানে থাকার কারণে বুয়েটে মেধাবী প্রকৌশলীদের টপ কে প্রধান প্রকৌশলী হওয়ার জন্য ১০০ কোটি টাকা মিশন নিয়ে মাঠে নেমেছেন যে কোন উপায় প্রধান প্রকৌশলী হওয়ার জন্য তিনি মরিয়া। আর এই সকল টাকা কালেকশন মূল দায়িত্ব পালন করছেন সাভার সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোঃ বদরুল আলম। বদরুল আলম বড় বড় কাজ খালেকুজ্জামান চৌধুরীর পছন্দের ঠিকাদারী সিন্ডিকেট কে কাজ পাইয়ে দিতে ফিল্ড লেভেলে বদরুল আলম সমন্বয় করে কোটি কোটি হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে।

বদরুল আলম ইতোমধ্যেই বিভিন্ন কর্মকর্তা জানুয়ারি মাসে দেখে নেওয়ার হুমকি প্রদর্শন করারও অভিযোগ উঠেছে। অনুসন্ধান করে দেখা যায় খালেকুজ্জামান শাস্তির বদলে বার বার পেয়েছেন পুরস্কার

গণপূর্ত ক্যাডারের ১৫তম ব্যাচের কর্মকর্তা মোঃ খালেকুজ্জামা চৌধুরী চাকরি জীবনের বড় সময় কেটেছে অস্ট্রেলিয়ায়। স্ত্রী-সন্তান অস্ট্রেলিয়ায় থাকায় সেখানে তিনি বহুবার যাতায়াত করেন। শিক্ষা ছুটি নিয়ে অষ্ট্রেলিয়া যান, পি এইচ ডি এর নাম করে দফায় দফায় ছুটি বাড়ীয়েছেন। অনুমোদনবিহীন ছুটি নিয়ে অস্ট্রেলিয়া তে চাকুরিও করেছেন। ফিরে এলে তার বিরুদ্ধে ডিজারশনের মামলা হবার কথা। তিনি যে সার্টিফিকেট জমা দিয়েছিলেন , গৃহায়ন ও মন্ত্রনালয় পরাস্ট্র মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমে যাচাই করে তা ভুয়া প্রমান পায়। নামের আগে ভুয়া ডক্টরেট উপাধি লাগানো এই জালিয়াতি কান্ডে দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় লঘুদণ্ড আরোপের সিদ্ধান্ত নেয় গৃহায়ন ও গণ পূর্ত মন্ত্রণালয়। তাঁর বেতন স্কেলও এক বছরের জন্য স্থগিত করা হয়।

এরপর গোপালগঞ্জের বাসিন্দা সাবেক পূর্তসচিব শহীদ উল্লা খন্দকারকে মোটা অঙ্কের উৎকোচ দিয়ে ম্যানেজ করে ফেলেন তিনি। তাকে দায় মুক্তি দিতে শহীদুল্লাহ খন্দকার নতুন ফন্দি আটে। পি এস সি ও জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়ের জ্যেষ্ঠতা স্থগিত রাখার সুপারিশকে পাশ কাটাতে তিনি তৎকালীন দুদুক কমিশনার মোজ্জাম্মেল হক খানের চাপ রয়েছে মর্মে গুজব ছড়ীয়ে দেন। সবাই জানে শহীদুল্লাহ খন্দকার একমাত্র তার আপা শেখ হাসিনা ছাড়া কারো কথায় পাত্তা দিতেন না, এমনকি নিজের মন্ত্রীদের কেও তিনি থোড়াই কেয়ার করতেন।

সেখানে দুদক কমিশনার এর চাপের গল্প আষাড়ে গল্প ছাড়া কিছুই না। শহীদুল্লাহ খন্দকার একবার যাকে বর দেন তাকে আর কখনও পিছু ফিরে তাকাতে হয় না। খালেক ও এক যোগে পেলেন দায় মুক্তি ও প্রাইজ পোষ্টিং। ভারতীয় দূতাবাসের তদবীরে শাস্তি প্রত্যহারের সাথে সাথেই ২০১৫ সালে পেলেন পাবনা গণপুর্ত বিভাগে নির্বাহী প্রকৌশলীর প্রাইজ পোস্টিং। সে সময় রুপপুর পারমানবিক বিদুৎ প্রকল্পের গ্রীন সিটি নির্মান কাজের দরপত্র গুলো তিনিই আহবান করেন। সে সময় টেন্ডার বানিজ্য করে জিকে শামীম গং দের সাথে শত কোটি টাকা ভাগাভাগি করেছেন। এই খালেকুজ্জামান চৌধুরীর অষ্টোলিয়ায় নাগরিত্ব রয়েছে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করছেন দৈত নাগরিক ব্যক্তি যদি গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী হয় তাহলে জুলাই যোদ্ধাদের রক্ত বিফলে চলে যাবে।খালেদা জিয়ার মইনুল রোডের বাড়ি ভেঙ্গে কুখ্যাত হওয়া, মাজিদ এন্ড সন্স এর মালিকে র সবচেয়ে আস্থার প্রকৌশলী হয়ে উঠেছিলেন তিনি। এভাবে সাজিন কন্সট্রাকশন, তমা কন্সট্রাকশন কে অস্বাভাবিক মুনাফার সুযোগ করে দিয়ে শত কোটি টাকা হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে পাচার করেছেন। পরে অবশ্য অতিউচ্চ পার্সেনটেজ দাবি করায় প্রধান প্রকৌশলী টিপু মন্সী তাকে চুয়াডাঙ্গা বদলী করতে বাধ্য হন। এরপর লিয়েন নিয়ে নানা জায়গায় কাটিয়ে আবারো শেখ পরিবারের আশীর্বাদে খুলনা জোনে পোস্টিং পান।

সেখানে শেখ হেলাল পরিবারের কথা মতো কাজ দিয়েছিলেন। ঠিকাদারদের কাছ থেকে একাউন্টের মাধ্যমে টাকা কালেকশন করেন টাকা একাউন্টে জমা পড়ার ম্যাসেজ পেলেই সিএস অনুমোদন, প্রাক্কলন অনুমোদন ও যাবতীয় নথিপত্র দ্রুত সাইন করে দেন। মোঃ খালেকুজ্জামান চৌধুরী কথা না শুনে একাউন্টে টাকা না পাঠালে ফাইল ফেরত অথবা ফেলে রাখতেন। এ বিষয়ে তুহিন, রিদ্ধয়, মধু সাহেব, দাউদ সাহেব, শামীম হোসেন , মোঃ সাব্বির আহমেদ, জাহাঙ্গীর আলম, মোঃ সাইফুজ্জামান, মোঃ মাসুদ, একেএম শামছুজ্জামান বলেন আমাদের কাছে টাকা জমা দেয়ার স্লিপ আছেন। ৫ আগষ্টের পর ফ্যাসিবাদের দোসররা পালিয়ে গেলে প্রকল্প গুলো মুখ থুবরে পড়ে । তার এ অপকর্মের দায় গণপূর্ত অধিদপ্তরকে বহন করতে হচ্ছে।
রাজধানীর বেইলি রোডে ২০২৪ সালের শুরুতে ভয়াবহ আগুনে পুড়ে কঙ্কালসার হয়ে যায় গ্রিন কোজি কটেজ। সাততলার এই বাণিজ্যিক ভবনে ওই বছর প্রাণ হারিয়েছিল ৪৬ জন; দগ্ধ ও আহত হয় আরও ১৩ জন। ঘটনার রেশ কাটার আগেই রাজধানীজুড়ে হোটেল-রেস্তোরাঁগুলোয় সাঁড়াশি অভিযান চালায় পুলিশ, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ও সিটি করপোরেশন। গ্রেপ্তার করা হয় আট শতাধিক মানুষকে।জনমনে প্রশ্ন ওঠে, গ্রিন কোজি কটেজে থাকা রেস্তোরাঁগুলোতে প্রতিদিন যেখানে অসংখ্য মানুষ ভিড় করত, সেই ভবনের নকশার এমন করুণ দশা কেন? ভবনটিতে কোনো জরুরি বহির্গমন ব্যবস্থা ছিল না কেন? ভবনে চলাচলের সিঁড়িটাই-বা এত সরু কেন? জরুরি নির্গমন পথ থাকলে বা সিঁড়িটা প্রশস্ত হলে তো এত প্রাণহানি হতো না। কার অঙ্গুলি হেলনে ভবনটির নকশার অনুমোদন পায়? পত্রপত্রিকা মারফত খবর আসে, গ্রিন কোজি কটেজের নকশার অনুমোদন দিয়েছিলেন রাজউক কর্মকর্তা প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী। ২০১১ সালে রাজউকের অথরাইজড অফিসার হিসেবে দায়িত্বে থাকা অবস্থায় তিনি ভবনটির অনুমোদন দেন।

সে সময় খালেকুজ্জামান চৌধুরীকে নিয়ে ব্যাপক শোরগোল চললেও একপর্যায়ে থেমে যায়। দুই বছরের বেশি সময় পর আজ আবার তিনি উঠে এসেছেন আলোচনায়। গ্রিন কোজি কটেজের নকশা অনুমোদনে অনিয়মের আশ্রয় নেওয়া আলোচনা-সমালোচনা । রাজউক সূত্রে জানা যায়, গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী থাকাকালে ২০১১ সালে খালেকুজ্জামান অথরাইজড অফিসার প্রেষণে রাজউকে আসেন। সে সময় বেইলি রোডে গ্রিন কোজি কটেজ ভবনের নকশার অনুমোদন দেন তিনি। জরুরি বহির্গমন ব্যবস্থা না থাকা, সরু একটিমাত্র সিঁড়িসহ নানা অনিয়মে পূর্ণ ছিল নকশাটি। গনভবনের আশীর্বাদ প্রাপ্ত এই কর্মকর্তা চাকুরি বিধিমালাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বার বার শাস্তির বদলে পেয়েছেন পুরস্কার। অথচ এখন তিনি সবচেয়ে বড় ছাত্রদল (সাবেক) নেতা সাজছেন।

সুযোগ বুঝে ভোল পালটানো এই কর্মকর্তা ইতোমধ্যে ঠিকাদার -অফিসারদের নিয়ে একটি লগ্নিকারী সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন। এই সিণ্ডিকেটটির সাথে তার গোপন সমঝোতা হয়েছে প্রধান প্রকৌশলী হলে বদলী /টেণ্ডার বানিজ্যের সিন্ডিকেট তাদের হাতে থাকবে। বিনিময়ে তারা তার প্রধান প্রকৌশলী হওয়ার পথ সুগম করতে যা কিছু দরকার করবে। দূর্নীতিবাজ এই কর্মকর্তা তাই প্রধান প্রকৌশলীর চেয়ারে রাজ্যাভিষেকের স্বপ্নে বিভোর।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।