খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

দুর্নীতির অভিযোগে ভরা শুনানিতে পুলিশের নাম নেই তালিকায়

জনআস্থার প্রতীক দিনাজপুর পুলিশ

মুকুল চট্টোপাধ্যায়, দিনাজপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর, ২০২৫, ৪:২৪ অপরাহ্ণ
জনআস্থার প্রতীক দিনাজপুর পুলিশ

দিনাজপুর আজ এক নতুন আলোয় উদ্ভাসিত। কারণ এখানে নীরবে চলছে এক বিপ্লব—সততা, আস্থা ও সেবার বিপ্লব, যার নেতৃত্বে আছেন জেলা পুলিশ সুপার মো. মারুফত হোসেন। তাঁর যোগদানের পর থেকেই দিনাজপুরে আইন-শৃঙ্খলার চিত্র পাল্টে গেছে। অতীতের ভয়ভীতির শহর আজ নিরাপত্তার প্রতীকে রূপ নিয়েছে। দু-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনার বাইরে গোটা জেলার পরিবেশ আজ অনেক বেশি শান্ত, সুশৃঙ্খল ও মানবিক। মানুষ আবার বিশ্বাস করতে শিখেছে—‘পুলিশ জনগণের বন্ধু’।

এই আস্থারই বাস্তব প্রমাণ মিলেছে দিনাজপুরে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আয়োজিত গণশুনানিতে। সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের বিরুদ্ধে মোট ১৬৯টি অভিযোগ দায়ের হলেও, দিনাজপুর জেলা পুলিশের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগও ওঠেনি। এটি শুধু একটি পরিসংখ্যান নয়, এটি ন্যায় ও সেবার পথে পুলিশের অটল নিষ্ঠার প্রতিচ্ছবি।

সোমবার (১০ নভেম্বর) সকালে দিনাজপুর শিশু একাডেমি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হয় এই গণশুনানি। সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল ইসলাম। প্রধান অতিথি ছিলেন দুদক কমিশনার (তদন্ত) মিঞা মোহাম্মদ আলী আকবর আজিজি। বিশেষ অতিথি ছিলেন দুদকের মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) মো. আক্তার হোসেন, রংপুর বিভাগীয় কার্যালয়ের মহাপরিচালক মো. নুরুল হুদা এবং জেলা পুলিশ সুপার মো. মারুফত হোসেন।

শুনানিতে উপস্থিত অংশগ্রহণকারীরা বিআরটিএ, পাসপোর্ট অফিস, সাব-রেজিস্ট্রি অফিস, শিক্ষা বোর্ড, গণপূর্ত অধিদপ্তর, সড়ক ও জনপদ বিভাগ, জেলা কারাগার, মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ নানা প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ধরেন। তাৎক্ষণিকভাবে কিছু অভিযোগের সমাধান করা হয় এবং বাকি অভিযোগগুলোর তদন্তের আশ্বাস দেওয়া হয়।

দুদক সূত্র জানায়, মোট ১৬৯টি অভিযোগ জমা পড়ে, যার মধ্যে যাচাই-বাছাই শেষে ১২৮টির শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু বিস্ময়কর বিষয় হলো—এত অভিযোগের মাঝেও পুলিশের নামে একটি অভিযোগও আসেনি। এটি দিনাজপুর জেলা পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থার এক অসামান্য উদাহরণ।

গণশুনানিতে কাহারোল থেকে আগত ইন্দ্রনাথ রায় বলেন, “আজকের দিনটা আমাদের গর্বের দিন। সরকারি অনেক দপ্তরের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলেও, পুলিশের নামে কোনো অভিযোগ নেই। জেলার মানুষ আজ বুঝতে পারছে, পুলিশ সত্যিই পরিবর্তিত হয়েছে—তারা এখন জনগণের পাশে আছে।”

পুলিশ সুপার মো. মারুফত হোসেন বলেন, “দিনাজপুর জেলা পুলিশ শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাই নয়, জনগণের আস্থা ও সেবার মানোন্নয়নে নিরলস কাজ করছে। আমাদের এই অর্জন পুলিশ বাহিনীর সম্মানকে আরও উঁচু করেছে। এই স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসই আমাদের আসল শক্তি।”

দুদক কমিশনার মিঞা মোহাম্মদ আলী আকবর আজিজি বলেন, “গণশুনানির মূল লক্ষ্য হলো জনগণের অভিযোগ শোনা ও দ্রুত প্রতিকার নিশ্চিত করা। দিনাজপুর পুলিশের এই উদাহরণ অন্যদের জন্য অনুপ্রেরণার।”

দিনাজপুর আজ শুধু একটি জেলার নাম নয়, এটি একটি মূল্যবোধের প্রতীক—যেখানে কর্তব্যই শ্রেষ্ঠ ধর্ম। পুলিশ সুপার মো. মারুফত হোসেন ও তাঁর টিম প্রমাণ করেছেন, যখন সেবার মানসিকতা সততার সঙ্গে মিশে যায়, তখন প্রশাসনই পরিণত হয় আস্থার প্রতিমূর্তিতে।

দিনাজপুরের মানুষ এখন গর্বের সঙ্গে বলতে পারে—“আমাদের পুলিশ আমাদের গর্ব, আমাদের নিরাপত্তা।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।