খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

মালিবাগ মৌচাক এলাকা থেকে অস্ত্র দেখিয়ে দোকান নিয়ে গেল দুর্বৃত্তরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২৫, ১২:২৭ পূর্বাহ্ণ
মালিবাগ মৌচাক এলাকা থেকে অস্ত্র দেখিয়ে দোকান নিয়ে গেল দুর্বৃত্তরা

রাজধানীর মৌচাক এলাকার আনারকলি মার্কেটের বেশ কয়েকটি দোকানে লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। জানা গেছে, বিএনপির স্থানীয় নেতারা এসব ঘটনা ঘটিয়েছে বলে জানা গেছে। তবে এর আগে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে দ্বন্দ্ব শুরু হয়। একাধিক দোকানদারদের অভিযোগ, বিএনপির কিছু নেতারা আনারকলি মার্কেটের (মৌচাক) কিছু দোকানে তালা মেরে দিয়েছে। গতকাল সোমবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত এই ঘটনাটি ঘটে। এসম নাম প্রকাশ করতে অনিচ্ছুক নামের এক দোকানদার বলেন, অস্ত্র দেখিয়ে এবং ঠেকিয়ে আমাদের একাধিক ব্যক্তির দোকান নিয়ে যায় দূরবিত্তরা। তারা বলেন, বিএনপি নেতা শামীম হোসেন, ও আব্দুল মোতালিব রুবেলের নেতৃত্বে এই লুটপাট ও চুরির ঘটনা ঘটে।

সাধারণ দোকানদারদের অভিযোগ, এখানে লুটপাট হয়েছে, এক দোকানের মালামাল বিএনপির আরেক নেতা নিয়ে যাচ্ছে। একজনের দোকান আরেকজন তালা মেরে দিয়েছে। এবং বেশ কয়েকটি দোকান অস্ত্র দেখিয়ে নিয়ে যায় দূরবিত্তরা। ঘটনা স্থলে পুলিশ আসলেই চুপি সরে কেটে পড়ে। একাধিক দোকানদাররা জানান, আমাদের এখানে লুটপাট হয়েছে। ট্রাকে আমাদের মালামাল নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

একাধিক দোনকারদের অভিযোগ, কে বা কারা আমাদের সব দোকানপাট ভেঙ্গে দিয়েছে। কিছু লোক অস্ত্র নিয়ে আমাদের দোকান উঠিয়ে দিয়েছে। তবে, এর পিছনে রয়েছে রমনা থানা বিএনপির ১নং যুগ্ন আহবায়ক নেতা মো. শামীম হোসেন, আব্দুল মোতালিব রুবেল (রমনা থানা এলাকায় ১৯নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা) রমনা থানা যুবদলের বহিষ্কৃত নেতা মোস্তফা হাওলাদার মুক্ত, রমনা থানা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোখলেছ, এবং সাবেক যুবদল নেতা মঈন উদ্দিন। অভিযোগ উঠেছে-মূলত তাদের ইন্দোনে এসব দোকান ভাংচুর ও মালামাল চুরি ডাকাতি করা হয়েছে।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম ফারুক জানান, এই বিষয়টি আমাদের জানা নেই। কেউ অভিযোগ ও করেছে কি না সেটাই আপাতত বলতে পারছি না। তবে কোনো অপরাধ হলে অবশ্যই আমরা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।