খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

চাঁদাবাজ, দরপতন, গাছ কর্তন ও নানা ছুতায় ভূমি দস্যুদের দৌরাত্ম্য ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে হবিগঞ্জের শাহজীবাজার এবং রূপাইছড়া রাবার বাগান

সৈয়দ আখলাক উদ্দিন মনসুর শায়েস্তাগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২৫, ৫:৩২ অপরাহ্ণ
চাঁদাবাজ, দরপতন, গাছ কর্তন ও নানা ছুতায় ভূমি দস্যুদের দৌরাত্ম্য ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে হবিগঞ্জের শাহজীবাজার এবং রূপাইছড়া রাবার বাগান

হবিগঞ্জের শাহজীবাজার ও রুপাইছড়া রাবার বাগানে অবৈধ অনুপ্রবেশকারী চাঁদাবাজ, দরপতন গাছ কর্তন ও নানা ছুতায় ভূমি দস্যুদের দৌরাত্মে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে রাবার বাগান। রাবার বাগান পাশে সীমান্ত এলাকার কিছু দুষ্কৃতিকারী চক্রদের সহযোগিতায় রাতের আধারে রাবার চুরি গাছ কর্তন ও ছড়া হতে বালু উওোলন করে রাতের আধারে নিয়ে যাচ্ছে একটি মহল। এসব কর্মকান্ড অপরাধ দমনে রাবার বাগানে কর্মকর্তা-কর্মচারীকে প্রাণ নাশের নাশের হুমকি ভয়ভীতি দেখাচ্ছে । দুষ্কৃতকারী চক্র এই চক্রান্ত বন্ধের জন্য সরকার এখনই নজর না দিলে বন্ধ হয়ে যাবে রাবার বাগান । তা নাহলে অদুর ভবিষৎতে হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার ( বিএফআইডিসি) অধীনেস্থ শাহজীবাজার রাবার বাগান ও বাহুবল উপজেলার রূপাইছড়া রাবার বাগান এ শিল্প বন্ধ হয়ে শত শত শ্রমিক বেকার হয়ে পড়বে । রাবার বাগানের পাশে ভূমিদস্যুতায় গ্রাসে শিকার হবে ।

এবিষয়ে শাহজীবাজার রাবার বাগানের ব্যবস্থাপক নন্দী গোপাল রায় ও রূপাইছড়া রাবার বাগানের ব্যবস্থাপক মোঃ মনিরুল ইসলাম বলেন , আমাদের দেশে রাবার শিল্প এগিয়ে গেলে ও বর্তমানে রাবার বাগান ধ্বংসের মুখে পড়তে হয়েছে । জাতীয় অর্থনীতিতে রাবার শিল্প এরই মধ্যে বিশেষ অবদান রাখতে শুরু করেছে । দেশে উৎপাদিত উন্নত মানের রাবার দেশের চাহিদা পূরণ করে বিদেশে ও রপ্তানি করা সম্ভব । বর্তমানে রাবার দিয়ে সারা বিশ্বে ১ লাখ ২০ হাজার ধরনের দ্রব্য যেমন গাড়ির চাকার টায়ার টিউব জুতার সোল, সেন্ডেল, ফোম রেক্সিন হোস পাইপ গাম, খেলনা, শিল্প কারখানা দ্রব্য সামগ্রী বিভিন্ন দ্রব্য সামগ্রী তৈরি হচ্ছে ।

বাংলাদেশ রাবার চাষে নবীন হলেও এর ভূ- প্রকৃতি , জলবায়ু, পরিবেশ সহায়ক ও আর্থ সামাজিক প্রয়োজনে রাবার চাষের গুরুত্ব অপরিসীম। দ্রুত বনায়ন নবায়নের মাধ্যমে বিস্তীর্ণ এলাকার ভূমিক্ষয় রোধ বিপুল কর্মসংস্থান বিদেশে রপ্তানি মাধ্যমে বৈদেশিক আয়ের ব্যবস্থাসহ প্রভূত কল্যাণ সম্ভব। পাহাড়ে রাবার কে বলা হয় সাদা সোনা। রাবার চাষে হবিগঞ্জের শাহজীবাজার ও রুপাইছড়া রাবার বাগান কর্মসংস্থান হওয়ায় দীর্ঘ কয়েকবছর ধরে অসংখ্য শ্রমিক কর্ম করে জীবিকা পালন করে যাচ্ছে। রাবার বাগানে পাশে কিছু সচেতন লোকজন বলেন রাবার বাগানে শ্রমিক সংগঠন রয়েছে।

যে সরকার ক্ষমতা যায় শ্রমিকদের মাঝে দলাদলি রাজনৈতিক প্রভাব দেখিয়ে রাবার বাগান অস্তিত্ব ধ্বংস করে নিচ্ছে রাবার বাগান । বাগান ব্যবস্থাপকরা লুটপাট সুযোগ সুবিধা না দেওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ । নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রাবার বাগানে টেপিং সুপারভাইজার চাকুরী নিয়ে প্রচুর অর্থ সম্পদের মালিক বনে গেছে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। এমনকি আরও কয়েকজন শ্রমিক নেতৃবৃন্দরা প্রচুর অর্থ সম্পদের মালিক রয়েছে । শ্রমিক নেতৃবৃন্দদের মাঝে প্রতিহিংসায় কর্মকর্তা – কর্মচারীর উপর নানা সমালোচনা করে যাচ্ছে একটি দুষ্কৃতিকারী চক্র ।

ফলে বাংলাদেশ বন শিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএফআইডিসি) রাবার বাগানের ব্যবস্থাপকরা বিপাকে পড়ছে । এদিকে রাবার বাগানে শুরু হয়েছে নানা কায়দায় বিভিন্ন অপরাধে কর্মকর্তাকে ষড়যন্ত্র করে ফেলা চেষ্টা ।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।