খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

মুস্তাফিজকে আইপিএলে কিনতে পারে যে ফ্র্যাঞ্চাইজি

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫, ২:৪৯ অপরাহ্ণ
মুস্তাফিজকে আইপিএলে কিনতে পারে যে ফ্র্যাঞ্চাইজি

জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ আইপিএলের ২০১৬ আসর থেকে প্রায় নিয়মিতই খেলছেন বাংলাদেশি পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। সর্বশেষ আসরে যদিও মুস্তাফিজসহ নিলামে দল পাননি বাংলাদেশের কেউই। পরবর্তীতে আরেকজনের বদলি হিসেবে দিল্লি ক্যাপিটালস তাকে দলে নেয়। আইপিএলের আরেকটি মৌসুম আসন্ন, আগামী ১৬ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে মিনি নিলাম। এর আগে ফের আলোচনা বাঁ-হাতি এই কাটার মাস্টার। ২০২৬ আইপিএলের নিলামে মুস্তাফিজের ভিত্তিমূল্য ধরা হয়েছে ২ কোটি রুপি। মিনি নিলামে সর্বোচ্চ দুই কোটি রুপির ভিত্তিমূল্যের ক্যাটাগরিতে মুস্তাফিজ ছাড়াও আছেন আরও ৩৯ ক্রিকেটার। এ ছাড়া নিলামে আছে আরও ৬ বাংলাদেশির নাম। তারা হলেন তাসকিন আহমেদ, রিশাদ হোসেন, তানজিম হাসান সাকিব, শরিফুল ইসলাম, রাকিবুল হাসান ও নাহিদ রানা।

নিলামের আগে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর শক্তি ও দুর্বলতা বিশ্লেষণ এবং তারা কাকে দলে নিতে পারে এ নিয়ে নানামুখী আলোচনা ও পূর্বাভাস মেলাচ্ছেন অনেকেই। ক্রিকবাজ তাদের বিশ্লেষণে মুস্তাফিজের সম্ভাব্য গন্তব্য হিসেবে দুটি ফ্র্যাঞ্চাইজির নাম উল্লেখ করেছে। দল দুটি হচ্ছে– চেন্নাই সুপার কিংস ও দিল্লি ক্যাপিটালস। এর মধ্যে ২০২৪ আসরে চেন্নাই এবং সর্বশেষ আসরসহ তিনবার দিল্লির জার্সিতে খেলেছেন ফিজ। আরও একবার সেই দুই দলের একটিতে তাকে দেখা যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এবারের মিনি নিলামের আগে চেন্নাই তাদের অন্যতম প্রধান পেসার মাথিশা পাথিরানাকে ছেড়ে দিয়েছে। শ্রীলঙ্কান এই ‘মালিঙ্গা জুনিয়র’ সাম্প্রতিক সময়ের বেশিরভাগই ইনজুরিতে কাটাচ্ছেন। তবে পাথিরানাকে নিলাম থেকে আবারও দলে ভেড়াতে পারে চেন্নাই। ক্রিকবাজ বলছে, নাথান এলিসের সঙ্গে ডেথ ওভারের জন্য আরেকজন পেসার প্রয়োজন ফ্র্যাঞ্চাইজিটির। এ ছাড়া রবীন্দ্র জাদেজার রাজস্থান রয়্যালসে যোগদান এবং রবিচন্দ্রন অশ্বিনের অবসরে বড় কোনো স্পিনারের দিকেও ঝুঁকতে পারে তারা। যদিও চেন্নাইয়ের রিজার্ভে আছে শ্রেয়াস গোপাল।

নিলামে চেন্নাইয়ের জন্য স্লট ফাঁকা আছে ৯টি, এর মধ্যে ৪টি স্লট বিদেশি ক্রিকেটারের। মহেন্দ্র সিং ধোনি ও সঞ্জু স্যামসনদের দলের হাতে আছে ৪৩.৪০ কোটি রুপি। গত মৌসুমে পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে থেকে প্রথম রাউন্ডেই বিদায় নিয়েছিল চেন্নাই। সে কারণে এবার তারা নিলাম থেকে শক্তিশালী স্কোয়াড গড়ার লক্ষ্যে নামবে। তাদের সম্ভাব্য টার্গেটে আছেন– মুস্তাফিজুর রহমান, ক্যামেরন গ্রিন, ভেঙ্কটেশ আইয়ার, লিয়াম লিভিংস্টোন, জেসন হোল্ডার, মাইকেল ব্রেসওয়েল, প্রশান্ত ভির ও সানি সান্ধু। এদিকে, দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে গত আসরে লিগপর্বের শেষদিকে যুক্ত হয়ে ৩টি ম্যাচ খেলেছেন মুস্তাফিজ। সম্ভাবনা তৈরি করলেও তাদের সেমিফাইনাল খেলা হয়নি, বাদ পড়ে টেবিলের পাঁচ নম্বরে থেকে। লোকেশ রাহুল ও অক্ষর প্যাটেলের এই দলটির হাতে নিলামের জন্য আছে ২১.৮০ কোটি রুপি। এই অর্থে তারা সর্বোচ্চ ৮ ক্রিকেটার কিনতে পারবে, এর মধ্যে বিদেশি স্লট ফাঁকা আছে ৫টি। গত মৌসুমে তারা ডেথ ওভার বোলার নিয়ে ভুগেছে। ফলে এবার এদিকটাতে মনোযোগ থাকতে পারে নিলামে।

এ ছাড়া স্থানীয় পেসার টি নাতারাজনের ফিটনেস নিয়ে শঙ্কা আছে। মিচেল স্টার্কের সঙ্গে অন্য কোনো পেসারের ওপর ভরসা করতে চাইবে দিল্লি। সে হিসেবে মুস্তাফিজ ছাড়াও তাদের সম্ভাব্য টার্গেটে থাকবেন পাথিরানা ও ম্যাট হেনরি। এর বাইরে ব্যাটিং বিভাগে শক্তি বাড়াতে কুইন্টন ডি কক, পাথুম নিশাঙ্কা, জেমি স্মিথ, জনি বেয়ারস্টোর মতো বিদেশি তারকাদের দিকেও তাদের নজর থাকতে পারে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।