খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

আবার একসঙ্গে বেন ও লোপেজ!

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৪, ৫:৩৮ অপরাহ্ণ
আবার একসঙ্গে বেন ও লোপেজ!

বেন অ্যাফ্লেক এবং জেনিফার লোপেজের জীবনের গল্প সিনেমার চিত্রনাট্যকেও হার মানায়। তুমুল প্রেম, বাগদানও সম্পন্ন হয়, ঠিক তখন হঠাৎ করেই আসে তাদের বিচ্ছেদের ঘোষণা। এরপর দীর্ঘ সময় গড়িয়েছে, দু’জনেই ভিন্ন সম্পর্কে থিতু হয়েছিলেন। তবে নিয়তি বোধ হয় তাদের পুনর্মিলন চেয়েছিলো। শেষ পর্যন্ত সেটাও হয়। কিন্তু দুই বছর গড়াতেই সম্পর্ক ভাঙে এই দম্পতির।   জেনিফার লোপেজ এবং বেন অ্যাফ্লেকের বিবাহ বিচ্ছেদের ঘোষণা আসে চলতি বছরের শুরুর দিকে। তাদের বিবাহ বিচ্ছেদের আইনি প্রক্রিয়া এখনও চলমান। সবাই ভেবেছিলো, দু’জনার দু’টি পথ বুঝি এবার সত্যি সত্যি দু’দিকে গেছে বেঁকে। কিন্তু না, সবাইকে অবাক করে দিয়ে তারা আবার একসাথে! শুধু তাই নয়, দারুণ ছুটির আনন্দ উপভোগ করছেন বেন-লোপেজ!

জেনিফার লোপেজ ও বেন অ্যাফ্লেক


কয়েকদিন আগেই বেন অ্যাফ্লেক তার প্রাক্তন স্ত্রী জেনিফার গার্নারের সাথে বাচ্চাদের নিয়ে বেশ ভালো সময় কাটিয়েছেন। গার্নারের সাথে কাটিয়েছেন থ্যাঙ্কসগিভিং। সবাই ভেবেই নিয়েছিলো, আর বোধ হয় লোপেজের সাথে দেখা যাবে না বেনের। অথচ, ২২ ডিসেম্বর হঠাৎ করেই সোহো হাউজে পপস্টারের সাথে ক্রিসমাস উপহার বিনিময় করতে দেখা যায় তাকে। একসঙ্গে তাদের এমন আনন্দ উদযাপন দেখে খবর চাউর হয়েছিলো, আলাদা হয়েও তারা আসলে একে অপরের জীবনের সাথে জড়িয়ে আছেন! তাহলে কি সব ব্যক্তিগত মতপার্থক্যকে একপাশে সরিয়ে রেখে তারা আবার এক হচ্ছেন?   আসলে ঘটনাটি মোটেও এমন নয়। মূলত জেনিফার লোপেজ এবং বেন অ্যাফ্লেক ক্রিসমাস উপহার বিনিময়ের জন্য এদিন এক হয়েছিলেন।ডেইলি মেইল তাদের একাসাথে সময় কাটানোর কিছু ছবি সামনে এনেছে। সেখানে দেখা যায়, লোপেজ এবং বেন তাদের পরিবারের সবাইকে নিয়ে লস অ্যাঞ্জেলসে ছুটির দিনগুলো উপভোগ করছেন।

২০২১ সালে শেষবার এই দম্পতিকে এমনভাবে পরিবারের সাথে সময় কাটাতে দেখা গিয়েছিলো। একটি বিশাল পারিবারিক আয়োজনে তারা একসাথে হয়েছিলেন। সেখানে ছিলেন বেনের প্রাক্তন স্ত্রী জেনিফার গার্নারও। এমনকি বেন-গার্নারের ৩ সন্তান (ভায়োলেট, সেরাফিনা ও স্যামুয়েল) উপস্থিত ছিলেন। লোপেজের সাথে ছিলো তার আগের পক্ষের ২ যমজ সন্তান (ম্যাক্স ও এমমে)। লোপেজের প্রাক্তন স্বামী মার্ক অ্যান্থনিও সেদিন উপস্থিত ছিলেন।জেনিফার লোপেজ ও বেন অ্যাফ্লেক


ডেইলি মেইল শে​য়ার করেছে, ২২ ডিসেম্বর জেনিফার লোপেজ এবং বেন অ্যাফ্লেক একসাথে লাঞ্চ করেছেন এবং বাচ্চাদের সাথে দারুণ সময় কাটিয়েছেন।

লোপেজ এবং বেন দম্পতির এক ঘনিষ্ঠ সূত্র ‘পেজ সিক্স’কে জানিয়েছে, ২ বছরের একটি চমৎকার রোম্যান্টিক সম্পর্ক ভাঙার পরও তারা একে অপরের জীবনে বন্ধু হয়েই থাকবেন, একে অপরের সাহায্যে এগিয়ে আসবেন।

জেনিফার লোপেজ ও বেন অ্যাফ্লেক জেনিফার লোপেজ ও বেন অ্যাফ্লেকউল্লেখ্য, ২০২২ সালে জর্জিয়াতে বেন ও লোপেজ বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। ৫৫ বছর বয়সী গায়িকা-অভিনেত্রী জেনিফার লোপেজ চলতি বছরের শুরুতে বিচ্ছেদের আবেদন করেন।

 

 

 

জেনিফার লোপেজ ও বেন অ্যাফ্লেক

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস 

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।