খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

জ্যোতিষী!

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৪, ৫:৪০ অপরাহ্ণ
জ্যোতিষী!

জ্যোতিষীদের নিয়ে অধিকাংশ মানুষ একটি প্রশ্ন করে থাকে। সেটি হলো– ‘জ্যোতিষী নিজের ভাগ্য নিজে দেখে না কেন?’ ‘২ষ’ এর নতুন পর্ব ‘ভাগ্য ভালো’–এর ট্রেলারে এর উত্তর দিয়েছেন জ্যোতিষী চরিত্রে অভিনয় করা মোশাররফ করিম। সংলাপে চরিত্রটি বলে, ‘নিজের ভাগ্য নিজে দেখা যায় না। মানা আছে।’ জ্যোতিষী চরিত্রকে উদ্দেশ করে আরেকটি সংলাপে শোনা যায়, ‘ভাগ্য নিয়া জুয়া খেলতাছস’। ট্রেলারের সংলাপগুলো এবং দৃশ্যায়ন দর্শকমনে তৈরি করেছে প্রশ্ন ও কৌতূহল।

এসব প্রশ্নের উত্তর আর কৌতূহল মেটাতে ২৪ ডিসেম্বর দিনগত রাত ১২টায় আসছে চরকি অরিজিনাল ‘২ষ’ এর নতুন পর্ব ‘ভাগ্য ভালো’। এখানে অন্যের ভাগ্য গণনা করতে দেখা যাবে মোশাররফ করিমকে। হাতে আতশ কাচ নিয়ে মানুষের হাত দেখাই তার পেশা, সঙ্গে থাকে তার টিয়া পাখি। পরিচয় জানা নেই, সবাই তাকে জ্যোতিষী নামে চেনেন। এমন একটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন দেশের জনপ্রিয় এ অভিনেতা।

 

ভাগ্য ভালো’–এর শুটিংয়ের সময়ের একটি অভিজ্ঞতা জানাতে গিয়ে নুহাশ বলেন, ‘জুলাই–আগস্টের সময় আমরা এটার দৃশ্যধারণ করেছিলাম। হঠাৎ দেখি, দূরে একটা জায়গায় অনেক ধোঁয়া উঠছে এবং সেটা আমরা ফ্রেমেও রেখেছি।’

নুহাশ আরও বলেন,  ওই যে আমাদের বাস্তব জীবনের আতঙ্ক, সেটা আমরা আমাদের গল্পে কানেক্ট করার চেষ্টা করেছি। এরকমই কিছু বিষয় নিয়ে ‘২ষ’ সিরিজের গল্পগুলো। ‘ভাগ্য ভালো’তেও সেরকম একটা সাইকোলজিক্যাল হরর গল্প দর্শক খুঁজে পাবে বলে আশা করছি। ২ষ’ সিরিজে আছে চারটি গল্প। যার তিনটি নুহাশের সঙ্গে লিখেছেন তার মা গুলতেকিন খান।

আরেকটি দৃশ্যে মোশাররফ করিম
নুহাশ হুমায়ূনের পরিচালনায় প্রথমবার কাজ করলেন মোশাররফ করিম। গল্পের জন্যই কাজটি করেছেন বলে জানান মোশাররফ। তিনি বলেন, ‘গল্পটা শুনে আমার মনে হলো, কাজটি করতে হবে। একই সঙ্গে চ্যালেঞ্জও অনুভব করলাম। কারণ কাজটার ঢং একটু আলাদা। কাজটি করে নুহাশ ও মোশাররফ– দুজনেই খুব খুশি। অভিনেতা বলেন, ‘আর্টের তো সীমা নেই। তারপরও কাজটা করে আমার পরিচালক খুশি, আমিও খুশি। আমার চরিত্রটা জ্যোতিষীর, সে বস্তিতে থাকে। রিপুর প্রভাবে সে এমন একটা কাজের দিকে এগিয়ে যায়, যা তার করা নিষেধ। গল্পটা আমার খুব ভালো লেগেছে। আশা করি দর্শকদেরও ভালো লাগবে।

 

 

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।