খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

প্রবীর মিত্রের দাফন আজিমপুরে

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২৫, ১:০৯ অপরাহ্ণ
প্রবীর মিত্রের দাফন আজিমপুরে

সনাতন ধর্মাবলম্বী ছিলেন অভিনেতা প্রবীর মিত্র। তবে ধর্মান্তরিত হয়ে মুসলমান হয়েছিলেন তিনি। গতকাল রাত ১০টা ১০ মিনিটের চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় এই প্রবীণ শিল্পীর। বাদ জোহর দুটি জানাজার পর রাজধানীর আজিমপুর গোরস্থানে তাকে দাফন করা হবে, জানিয়েছে তার পরিবার। প্রবীর মিত্রর পুত্রবধূ সোনিয়া ইসলাম জানিয়েছেন, রাতে গোসল শেষে ফ্রিজার গাড়িতে প্রবীর মিত্রের মরদেহ ধানমন্ডির বাসায় রাখা হবে। বাদ জোহর বিএফডিসিতে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর চ্যানেল আইতে দ্বিতীয় জানাজার পর আজিমপুর কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে। ২০২৩ সালে সংবাদমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রবীর মিত্র বলেন, ‘আমি তো কনভার্ট হয়েই ওর মাকে (সন্তানের দিকে ইশারা করে) বিয়ে করেছিলাম। তখন মুসলমান হয়েছিলাম।’ তবে ধর্ম নিয়ে কোনো বাড়াবাড়ি ছিল না এই অভিনেতার। তিনি বিশ্বাস করতেন, ‘সবার ওপরে মানুষ সত্য, তাহার ওপরে নাই’ নীতি। তার জীবনেও এই কবিতার প্রভাব ছিল। প্রবীর মিত্রের স্ত্রী অজান্তা মিত্র ২০০০ সালে প্রয়াত হন। অভিনেতার তিন ছেলে ও এক মেয়ে মিথুন মিত্র, সিফাত ইসলাম, সামিউল ইসলাম ও ফেরদৌস পারভীন। ছোট ছেলে সামিউল মারা গেছেন। প্রবীর মিত্র দীর্ঘদিন রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাস করেছেন। সর্বশেষ তিনি থাকতেন ধানমন্ডিতে। ১৯৪১ সালের ১৮ আগস্ট চাঁদপুরের নতুনবাজার গুয়াখালা রোডে মামার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন প্রবীর মিত্র। পুরান ঢাকায় বড় হওয়া প্রবীর মিত্র স্কুলজীবন থেকেই নাট্যচর্চায় যুক্ত হন। স্কুলজীবনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘ডাকঘর’ নাটকে অভিনয় করেছিলেন তিনি। সেটাই ছিল তার অভিনয়জীবনের অনুপ্রেরণা। ১৯৬৯ সালে প্রয়াত এইচ আকবরের ‘জলছবি’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য প্রথম প্রবীর মিত্র ক্যামেরার সামনে দাঁড়ান। যদিও চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায় ১৯৭১ সালের ১ জানুয়ারি। ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে প্রবীর মিত্র ‘নায়ক’ হিসেবে কয়েকটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। পরে চরিত্রাভিনেতা হিসেবে কাজ করেও তিনি দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছেন।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।