খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধে সক্ষমতা দেখিয়েছে ইরান, তবে ক্ষতিও ব্যাপক: বিশ্লেষক

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৬:০৮ অপরাহ্ণ
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধে সক্ষমতা দেখিয়েছে ইরান, তবে ক্ষতিও ব্যাপক: বিশ্লেষক

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সাম্প্রতিক যুদ্ধে Iran কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ সক্ষমতা ও প্রভাব দেখাতে সক্ষম হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন Georgetown University in Qatar-এর সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক Mehran Kamrava। তবে একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, এই সংঘাতে ইরানও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছে।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম Al Jazeera-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মেহরান কামরাভা বলেন, “ইরান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল—দুই পক্ষকেই বড় ধরনের চাপের মুখে ফেলতে সক্ষম হয়েছে। একই সঙ্গে তেহরান প্রমাণ করেছে যে, Strait of Hormuz, Persian Gulf এবং মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার মাধ্যমে তাদের হাতে একাধিক চাপ প্রয়োগের উপায় রয়েছে।”

তিনি বলেন, যুদ্ধ চলাকালে ইরান এমন কিছু কৌশলগত সক্ষমতা প্রদর্শন করেছে, যা বড় শক্তিগুলোর জন্যও চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।

ঐতিহাসিক উদাহরণ টেনে কামরাভা বলেন, অতীতে বড় শক্তিগুলো তুলনামূলক দুর্বল রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে হামলা চালিয়ে সহজে বিজয় ঘোষণা করতে পারেনি।

তিনি বলেন, “ইতিহাসে দেখা গেছে, বড় শক্তিগুলো দুর্বল রাষ্ট্রে হামলা চালিয়ে কখনওই সহজে বিজয় ঘোষণা করতে পারেনি—Vietnam War-এ United States, Soviet–Afghan War-এ Soviet Union, Iraq War-এ যুক্তরাষ্ট্র কিংবা Russo-Ukrainian War-এ Russia-র ক্ষেত্রেও একই বিষয় দেখা গেছে।”

তবে তিনি একই সঙ্গে উল্লেখ করেন, এসব সংঘাতে দুর্বল পক্ষও নিজেদের সুস্পষ্ট বিজয় দাবি করতে পারেনি।

কামরাভা বলেন, বড় শক্তিগুলো সাধারণত সামরিক অভিযানের মাধ্যমে প্রতিপক্ষের অর্থনীতি ও অবকাঠামোর ওপর বড় ধরনের ক্ষতি চাপিয়ে দেয়। ইরানের ক্ষেত্রেও একই বাস্তবতা দেখা যাচ্ছে।

তার ভাষায়, “বড় শক্তি ব্যাপক অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত ক্ষতি করতে সক্ষম হয়। আর এই যুদ্ধের কারণে Iran যে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তা অস্বীকার করা কঠিন।”

বিশ্লেষকদের মতে, ইরান তার আঞ্চলিক প্রভাব, Strait of Hormuz-এর কৌশলগত গুরুত্ব এবং ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতার মাধ্যমে প্রতিরোধ গড়ে তুললেও দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ দেশটির অর্থনীতি ও অবকাঠামোর ওপর বড় চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

কামরাভার মন্তব্যে যুদ্ধের দুই দিকই উঠে এসেছে—একদিকে ইরানের প্রতিরোধ সক্ষমতা, অন্যদিকে শক্তিশালী সামরিক প্রতিপক্ষের সঙ্গে সংঘাতে দেশটির বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির বাস্তবতা।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।