খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

চীনে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে অন্তত ২১ জনের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ৭:২৭ অপরাহ্ণ
চীনে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে অন্তত ২১ জনের মৃত্যু

ঢাকার ডাক আন্তর্জাতিক ডেস্ক: চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের সড়ক ও চীনের পশ্চিমাঞ্চলীয় গানসু প্রদেশে ভয়াবহ একটি ভূমিধসে অন্তত ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। ভারী বৃষ্টি ও ঝড়ের চরম আবহাওয়া সংকটের মুখে, এশিয়ার এই দেশটিতে আজ বুধবার সকাল পর্যন্ত বিভিন্ন অঞ্চলে কয়েক ডজন মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। কর্তৃপক্ষকে লাখ লাখ মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে হয়েছে।

ভারী বৃষ্টির মধ্যে গতকাল মঙ্গলবার তানচাং কাউন্টির একটি উপত্যকায় এই ভূমিধসের ঘটনা ঘটে, মাটি ও ধ্বংসাবশেষের নিচে ৩৩ জন আটকা পড়েন। তাদের মধ্যে বেশিরভাগই ছিলেন স্থানীয় গ্রামবাসী, যারা একটি সরকারি বনায়ন খামারে অস্থায়ী শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। বর্ষা মৌসুমে খাড়া উপত্যকা ও জালের মতো ছড়িয়ে থাকা নদীবেষ্টিত এই পার্বত্য অঞ্চলটি আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ থাকে।

চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া জানায় সেখানে তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান ইতোমধ্যেই শেষ হয়েছে। তানচাং কাউন্টির এই হতাহতের ঘটনা মধ্য ও দক্ষিণ চীনজুড়ে ভিন্ন ভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে মৃত্যুর মিছিলে যুক্ত হলো। চলতি বছরে দেশটিতে আঘাত হানা প্রথম টাইফুন বা ঘুর্ণিঝড় মেসাক-এর তাণ্ডবে দক্ষিণাঞ্চলীয় গুয়াংশি অঞ্চলে অন্তত ৬ জন মারা গেছে, আর প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া এই ঝড়ে আরও ১১ জন নিখোঁজ রয়েছেন।

একটি জলাধারের বাঁধ ভেঙে যাওয়ার পর আঞ্চলিক রাজধানী নানিং-এ বন্যা নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত জরুরি সতর্কতা সর্বোচ্চ স্তরে উন্নীত করেছে কর্তৃপক্ষ।সিনহুয়ার তথ্য অনুযায়ী, দেশটির মধ্যাঞ্চলীয় হুবেই প্রদেশে বজ্রঝড় ও প্রবল বাতাসের কারণে আরও ১১ জন নিহত এবং ৩৩০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। এ ছাড়া ঝড়ে প্রায় ৫ হাজার ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ২২টি ঘর সম্পূর্ণ ধসে পড়েছে।

এই পরিস্থিতিতে, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং উপদ্রুত এলাকাগুলোতে ‘সর্বাত্মক’ উদ্ধারকাজের নির্দেশ দিয়েছেন। দেশটির পানিসম্পদ মন্ত্রী লি গুয়োয়িং সতর্ক করে বলেছেন, গুয়াংশির উপকূলীয় ও পূর্বাঞ্চলীয় এলাকার পাশাপাশি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় গুয়াংডং প্রদেশে আরও ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

লি গুয়োয়িং বলেন, টানা ভারী বর্ষণ এবং দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ স্তরে বন্যা পরিস্থিতি বিরাজ করার কারণে, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার জলাধার ও বাঁধগুলোর নিরাপত্তা এখন এক চরম পরীক্ষার মুখে পড়েছে।

 

এর মধ্যেই চীন আরেকটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ ‘সুপার টাইফুন বাভি’ মোকাবিলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বীপ রোটাতে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২৮৯ কিলোমিটার বেগে আঘাত হেনে ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে এই সুপার টাইফুন।

আগামী শুক্রবার নাগাদ এই ঝড়টি তাইওয়ানে আঘাত হানতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাইওয়ানের আবহাওয়া অধিদপ্তর সতর্ক করে বলেছে, এর প্রভাবে কিছু কিছু এলাকায় এক মিটারেরও বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে। উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমে সহায়তার জন্য তাইওয়ান তাদের প্রায় ২৯ হাজার সেনা সদস্য প্রস্তুত রেখেছে।

চীনে গ্রীষ্মকালে, বিশেষত মধ্য ও দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশগুলোতে নিয়মিতই ভয়াবহ বন্যা দেখা দেয়।এর আগে ১৯৯৮ সালে ইয়াংজি নদীর অববাহিকায় স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় প্রায় ২ হাজার মানুষের মৃত্যু হয় এবং প্রায় ৩০ লাখ ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়েছিল।

ঢাকার ডাক নিউজ/এস

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।