খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির কফিন শিয়া ধর্মীয় কেন্দ্র নাজাফে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ৭:৫২ অপরাহ্ণ
আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির কফিন শিয়া ধর্মীয় কেন্দ্র নাজাফে

ঢাকার ডাক আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানের নিহত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির কফিন মঙ্গলবার ইরাকের পবিত্র শহর নাজাফে পৌঁছেছে। ইরানে অনুষ্ঠিত জানাজা ও রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠান শেষে কফিনটি সেখানে নেওয়া হয়। কয়েক দিনব্যাপী শেষযাত্রার অংশ হিসেবে বিশ্বের অন্যতম পবিত্র শিয়া ধর্মীয় কেন্দ্র নাজাফে কফিনটি নেওয়া হয়েছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জাইদি এবং দেশটির জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তারা নাজাফ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে খামেনির কফিন গ্রহণ করেন। এরপর জানাজা এবং গণশোক মিছিলের আয়োজন করা হয় বলে দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানিয়েছে।

বিশ্বজুড়ে শিয়া মুসলমানদের কাছে নাজাফের বিশেষ ধর্মীয় গুরুত্ব রয়েছে। কারণ, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর চাচাতো ভাই ও জামাতা ইমাম আলীর (রা.) মাজার এই শহরেই অবস্থিত।নাজাফ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আয়োজিত সরকারি অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে ইরাকের রাজনৈতিক নেতা এবং শিয়া ধর্মীয় ব্যক্তিত্বরা উপস্থিত ছিলেন। এরপর কফিনটি শহরের বিভিন্ন সড়কে জনসাধারণের শোক মিছিলে বহন করা হবে। আজ বুধবার অনুষ্ঠেয় এই শোকানুষ্ঠানে বিপুলসংখ্যক মানুষের অংশগ্রহণের প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

শুক্রবার শুরু হওয়া ইরানের রাষ্ট্রীয় আয়োজনে পরিচালিত শোকানুষ্ঠান কেবল ধর্মীয় স্মরণানুষ্ঠান নয়, বরং প্রায় চার দশক ধরে ইরান শাসনকারী নেতার মৃত্যুর পর ইসলামি প্রজাতন্ত্রের ধারাবাহিকতা প্রদর্শনেরও একটি আয়োজন হিসেবে পরিকল্পনা করা হয়েছে।

নাজাফে কফিন পৌঁছানোর আগে ইরাকি কর্তৃপক্ষ শহরজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করে। ইরাকের বিভিন্ন অঞ্চল এবং প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে বিপুলসংখ্যক শোকাহত মানুষ সেখানে সমবেত হয়েছেন। শোকযাত্রার পরবর্তী গন্তব্য ইরাকের পবিত্র শহর কারবালা। এরপর চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে কফিনটি পুনরায় ইরানে ফিরিয়ে নেওয়া হবে এবং মাশহাদে দাফন করা হবে।

ঢাকার ডাক নিউজ/এস

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।