খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

বাউবির গবেষণায় নতুন মাইলফলক: প্রথম পিএইচডি ও দ্বিতীয় এমফিল ডিগ্রি অর্জন

এমডি মনিরুজ্জামান
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ৬:২৪ অপরাহ্ণ
বাউবির গবেষণায় নতুন মাইলফলক: প্রথম পিএইচডি ও দ্বিতীয় এমফিল ডিগ্রি অর্জন

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাউবি) সফলভাবে পিএইচডি ও এমফিল গবেষণা সম্পন্ন করেছেন দুইজন গবেষক। সম্প্রতি বাউবির একাডেমিক কাউন্সিল তাঁদের গবেষণাকর্ম চূড়ান্তভাবে অনুমোদন দিয়েছে।

​স্কুল অব এডুকেশনের (২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষ) গবেষক রোকসানা গুলশান ‘রবীন্দ্রচিঠিতে প্রকৃতি ও আত্মচেতনা’ শীর্ষক গবেষণার জন্য পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। বাউবির ইতিহাসে তিনি প্রথম পিএইচডি ডিগ্রিধারী। ২১তম বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের এই কর্মকর্তা বর্তমানে পল্লবী সরকারি কলেজে অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ ঘোষ এবং বাউবির অধ্যাপক ড. সোয়াইব আহমেদের তত্ত্বাবধানে তিনি এ গবেষণা সম্পন্ন করেন। মূল্যায়ন বোর্ড গবেষণাটিকে রবীন্দ্রচর্চা ও বাংলা সাহিত্য গবেষণায় একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন বলে মনে করে।
​অন্যদিকে, বাউবির স্কুল অব বিজনেসের গবেষক প্রনব কুমার বৈষ্ণব “Factors Influencing the Adoption of Green Management Practices in the Banking Sector of Bangladesh” শীর্ষক গবেষণার মাধ্যমে বাউবির দ্বিতীয় এমফিল ডিগ্রি অর্জন করেছেন। সোনালী ব্যাংক পিএলসি-র প্রধান কার্যালয়ে সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার হিসেবে কর্মরত প্রনব কুমার বৈষ্ণবের গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. ফারুক আহমেদ। বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে টেকসই ও পরিবেশবান্ধব ব্যবস্থাপনার নানাদিক নিয়ে তাঁর এই গবেষণা পরিচালিত হয়।
​বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান গবেষকদের শুভকামনা জানিয়ে বলেন, তাঁদের এই সাফল্য বাউবির গবেষণা যাত্রায় এক নতুন মাইলফলক। এসব গবেষণাকর্ম দেশের উচ্চশিক্ষা, নীতিনির্ধারণ এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।