খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে গণিতে পাসের হার কম বিভাগভিত্তিক ফলাফলে এগিয়ে বিজ্ঞান

চট্টগ্রাম অফিস
প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ৬:২৩ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে গণিতে পাসের হার কম বিভাগভিত্তিক ফলাফলে এগিয়ে বিজ্ঞান

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি ফলাফলে গণিতে পাসের হার সবচেয়ে কম ৮১ দশমিক ৫৩ শতাংশ। ইংরেজিতে ৮৩ দশমিক ২৪ শতাংশ। বিপরীতে বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়ে সর্বোচ্চ পাসের হার ৯৮ দশমিক ৯১ শতাংশ।সোমবার ( ১০ আগষ্ট ) সকালে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড প্রকাশিত বিষয়ভিত্তিক ফলাফলের তথ্য বিশ্লেষণে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, বাংলা প্রথম পত্রে ১ লাখ ২৪ হাজার ৭৩৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ১ লাখ ২৩ হাজার ১৩ জন। এ বিষয়ে পাসের হার ৯৮ দশমিক ৬২ শতাংশ। ইংরেজি প্রথম পত্রে ১ লাখ ২৮ হাজার ৯২৫ জনের মধ্যে পাস করেছে ১ লাখ ৭ হাজার ৩১৪ জন। পাসের হার ৮৩ দশমিক ২৪ শতাংশ। গণিতে ১ লাখ ২৯ হাজার ৯৯৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ১ লাখ ৫ হাজার ৯৮৮ জন। পাসের হার ৮১ দশমিক ৫৩ শতাংশ, যা বিষয়ভিত্তিক ফলাফলে সর্বনিম্ন।

 

ভূগোল ও পরিবেশ বিষয়ে ৩৯ হাজার ৭৮১ জনের মধ্যে ৩৭ হাজার ৭ জন পাস করেছে। পাসের হার ৯৩ দশমিক ০৩ শতাংশ। ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা বিষয়ে ৯৮ হাজার ১৮৫ জনের মধ্যে ৯৬ হাজার ৯৩ জন পাস করেছে। পাসের হার ৯৭ দশমিক ৮৭ শতাংশ। হিন্দুধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা বিষয়ে ১৫ হাজার ৬০২ জনের মধ্যে ১৫ হাজার ৩৪২ জন পাস করেছে। এ বিষয়ে পাসের হার ৯৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ। বৌদ্ধধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা বিষয়ে পাসের হার ৯৭ দশমিক ২৪ শতাংশ এবং খ্রিস্টধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা বিষয়ে ৯৮ দশমিক ৩৫ শতাংশ। উচ্চতর গণিতে ৩১ হাজার ৪৬০ জনের মধ্যে ৩০ হাজার ৫৫১ জন পাস করেছে। পাসের হার ৯৭ দশমিক ১১ শতাংশ। বিজ্ঞানে ৯৪ হাজার ৩৫৮ জনের মধ্যে ৮৭ হাজার ৫৪১ জন পাস করেছে। এ বিষয়ে পাসের হার ৯২ দশমিক ৭৮ শতাংশ। কৃষিশিক্ষায় ৭২ হাজার ৭৭৪ জনের মধ্যে পাস করেছে ৬৮ হাজার ২৩৭ জন। পাসের হার ৯৩ দশমিক ৭৭ শতাংশ। পদার্থবিজ্ঞানে পাসের হার ৯৭ দশমিক ৬১ শতাংশ, রসায়নে ৯৭ দশমিক ২৯ শতাংশ এবং জীববিজ্ঞানে ৯৮ দশমিক ৭৬ শতাংশ।

 

মানবিক বিভাগের পৌরনীতি ও নাগরিকত্ব বিষয়ে ৩৫ হাজার ৫৭৩ জনের মধ্যে ৩৪ হাজার ১৪৭ জন পাস করেছে। পাসের হার ৯৫ দশমিক ৯৯ শতাংশ। অর্থনীতিতে পাসের হার ৯৩ দশমিক ২১ শতাংশ। ব্যবসায় উদ্যোগে পাসের হার ৯৭ দশমিক ৯১ শতাংশ, হিসাববিজ্ঞানে ৯৫ দশমিক ৫৬ শতাংশ, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়ে ৯৮ দশমিক ৯১ শতাংশ, গার্হস্থ্য বিজ্ঞানে ৯৮ দশমিক ৬৩ শতাংশ, ফিন্যান্স ও ব্যাংকিংয়ে ৯৬ দশমিক ০২ শতাংশ, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতায় ৯৫ দশমিক ৭০ শতাংশ এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে ৯৭ দশমিক ৯৫ শতাংশ। জেলাভিত্তিক ফলাফলেও কমেছে পাসের হার বিষয়ভিত্তিক ফলাফলের পাশাপাশি চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীন বিভিন্ন এলাকাতেও এবার পাসের হার কমেছে। চট্টগ্রাম মহানগরে এবার পাসের হার ৭৪ শতাংশ। গত বছর এ হার ছিল ৮১ দশমিক ০৩ শতাংশ। চট্টগ্রাম জেলায় এবার পাসের হার ৫৭ দশমিক ১৩ শতাংশ, গত বছর ছিল ৭১ দশমিক ২৯ শতাংশ।

 

কক্সবাজারে এবার পাসের হার ৫৭ দশমিক ৩০ শতাংশ। গত বছর ছিল ৭০ দশমিক ৭৬ শতাংশ। রাঙামাটিতে এবার ৪১ দশমিক ১৭ শতাংশ, গত বছর ছিল ৫৬ দশমিক ৫৫ শতাংশ।
খাগড়াছড়িতে এবার পাসের হার ৩৪ দশমিক ৯৯ শতাংশ। গত বছর এ হার ছিল ৬০ দশমিক ৭৭ শতাংশ। বান্দরবানে এবার পাসের হার ৪৭ দশমিক ৮৮ শতাংশ, গত বছর ছিল ৬৩ দশমিক ১২ শতাংশ। বিভাগ ভিত্তিক ফলাফলে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা এগিয়ে রয়েছে। এ বিভাগে পাসের হার ৮৪ দশমিক ৪১ শতাংশ। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাসের হার ৬০ দশমিক ১২ শতাংশ। আর মানবিক বিভাগে পাসের হার ৩৮ দশমিক ৭৯ শতাংশ। এবার চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীন ২১টি বিদ্যালয়ের শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে। অন্যদিকে ৮টি বিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বেশিরভাগ বিষয়ে পাসের হার ৯০ শতাংশের ওপরে থাকলেও গণিত ও ইংরেজিতে তুলনামূলক কম পাসের হার সামগ্রিক ফলাফলে প্রভাব ফেলেছে। বিশেষ করে গণিতে ৮১ দশমিক ৫৩ শতাংশ পাসের হার বিষয়ভিত্তিক ফলাফলে সবচেয়ে নিচে রয়েছে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।