খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

১৯ জানুয়ারি থেকে কার্যকর

ইসরায়েল এবং হামাসের যুদ্ধবিরতি চুক্তি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২৫, ১১:০৪ পূর্বাহ্ণ
ইসরায়েল এবং হামাসের যুদ্ধবিরতি চুক্তি

ইসরায়েল এবং ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ গোষ্ঠী হামাসের মধ্যে অবশেষে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়েছে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছে কাতার, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং হামাস। দীর্ঘ ৪৬০ দিন ধরে চলা সংঘাতে গাজায় ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞের পর এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হলো।

কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুলরহমান আল থানি এক বিবৃতিতে জানান, চুক্তিটি আগামী ১৯ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।

তবে চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য ইসরায়েল এবং হামাসের মধ্যে এখনো কিছু বিষয়ের সমাধান প্রয়োজন। ইসরায়েল জানিয়েছে, এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে বৃহস্পতিবার তাদের মন্ত্রিসভায় ভোটাভুটি হবে।

 

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই সংঘাতে গাজায় প্রায় ৪৭ হাজার মানুষকে হত্যা করেছে ইসরায়েল।

চুক্তির মূল বিষয়বস্তু

এই চুক্তির আওতায় একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে। এতে গাজায় ধ্বংসযজ্ঞের অবসান এবং বন্দি বিনিময়ের মাধ্যমে উভয়পক্ষের বন্দিদের মুক্তি দেওয়া হবে। এছাড়া বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের নিজ নিজ ঘরে ফেরার অনুমতি দেওয়া হবে। যদিও ইসরায়েলি ধ্বংসযজ্ঞের কারণে অসংখ্য বাড়ি আর বাসযোগ্য নেই।

প্রথম ধাপযু

> যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকবে ছয় সপ্তাহ।

> হামাস ৩৩ জন ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দেবে। এদের মধ্যে থাকবে নারী, শিশু ও ৫০ বছর বয়সোর্ধ্ব বেসামরিক মানুষ।

> ইসরায়েল বিপুল সংখ্যক ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দেবে। এদের অনেকেই যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ভোগ করছেন। মুক্তিপ্রাপ্তদের মধ্য থাকবেন ৭ অক্টোবরের পর আটক হওয়া প্রায় এক হাজার ফিলিস্তিনিও।

> ইসরায়েল গাজার জনবহুল এলাকা থেকে তাদের বাহিনী প্রত্যাহার করে সীমান্তের ৭০০ মিটারের বেশি দূরে অবস্থান করবে। তবে নেটজারিম করিডরের নিয়ন্ত্রণ পরবর্তী পর্যায়ে ধাপে ধাপে হস্তান্তর হতে পারে।

গাজার উত্তরাঞ্চলের বাসিন্দারা ঘরে ফেরার অনুমতি পাবেন। পাশাপাশি, প্রতিদিন ৬০০টি পর্যন্ত ত্রাণবাহী ট্রাক গাজায় প্রবেশ করতে পারবে।

রাফাহ সীমান্ত সাতদিনের মধ্যে খোলা হবে এবং আহত ফিলিস্তিনিরা চিকিৎসার জন্য গাজার বাইরে যেতে পারবেন।

মিশর-গাজার মধ্যকার ফিলাডেলফি করিডোর থেকে ইসরায়েলি বাহিনী ৫০ দিনের মধ্যে পুরোপুরি সরে যাবে।

 

 

 

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।