খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

৪০ বছরে প্রথম

ট্রাম্পের অভিষেক হবে ইনডোরে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৫, ১২:১৫ অপরাহ্ণ
ট্রাম্পের অভিষেক হবে ইনডোরে

নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিষেক অনুষ্ঠান ঠান্ডা আবহাওয়ার কারণে এবার ইনডোরে আয়োজন করা হবে। সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটল ভবনের ভেতর এই অনুষ্ঠান হবে। গত ৪০ বছরে প্রথমবারের মতো কোনও প্রেসিডেন্টের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে এমন পরিবর্তন ঘটেছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে। শুক্রবার ট্রাম্প তার সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যাল-এ লিখেছেন, দেশজুড়ে আর্কটিক শীতপ্রবাহ চলছে। আমি চাই না কেউ আঘাতপ্রাপ্ত বা আহত হোক।

তিনি আরও বলেন, তাই, আমি অভিষেক ভাষণ, প্রার্থনা ও অন্যান্য বক্তৃতাগুলো যুক্তরাষ্ট্র ক্যাপিটল রোটুন্ডায় আয়োজনের নির্দেশ দিয়েছি। সর্বশেষ ১৯৮৫ সালে এমন ঠান্ডার কারণে রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগানের দ্বিতীয় শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের আয়োজন ঘরের ভেতরে করতে হয়েছিল। তখন তাপমাত্রা মাইনাস ২৩ থেকে মাইনাস ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে গিয়েছিল। সোমবার ওয়াশিংটনের আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, শপথ গ্রহণের সময় তাপমাত্রা ১৯ ডিগ্রি ফারেনহাইট (মাইনাস ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস) হবে। তবে ঠান্ডা বাতাসের কারণে এটি আরও কম অনুভূত হতে পারে। ট্রাম্প জানিয়েছেন, সমর্থকেরা ওয়াশিংটনের ক্যাপিটাল ওয়ান অ্যারেনায় স্ক্রিনে অনুষ্ঠান দেখতে পারবেন। এ জায়গাটি ২০ হাজার  দর্শক ধারণ করতে পারে। এর পাশাপাশি, অভিষেক কুচকাওয়াজও ক্যাপিটাল ওয়ান অ্যারেনায় স্থানান্তর করা হবে। তবে একটি স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ভেতরে কুচকাওয়াজ কীভাবে আয়োজন করা হবে, তা স্পষ্ট নয়।

ট্রাম্প আরও জানান, শপথ গ্রহণের পর তিনি ভেন্যুতে উপস্থিত হয়ে সমর্থকদের সঙ্গে যোগ দেবেন। এই আয়োজনের কারণে, ২০১৭ সালের অভিষেক অনুষ্ঠানের মতো এবার আর ভিড়ের তুলনা সম্ভব হবে না। ট্রাম্পের প্রথম অভিষেক অনুষ্ঠানে উপস্থিত মানুষের সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক হয়েছিল। এবার পরিকল্পনা বদলের ফলে প্রায় ২ লাখ ২০ হাজার  টিকিটধারী অতিথি এবং ২ লাখ ৫০ হাজার সাধারণ মানুষ জাতীয় মলে অনুষ্ঠান দেখার সুযোগ হারাবেন। মার্কিন ইতিহাসে শীতকালীন অভিষেক অনুষ্ঠানের অনেক দৃষ্টান্ত রয়েছে। ২০০৯ সালে বারাক ওবামার প্রথম শপথ অনুষ্ঠানের সময় তাপমাত্রা ২৯ ডিগ্রি ফারেনহাইটে নেমেছিল। ১৮৪১ সালে প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম হেনরি হ্যারিসনের দীর্ঘ ভাষণ শীতল আবহাওয়ায় হয়েছিল, যা পরবর্তীতে তার নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর অন্যতম কারণ হিসেবে ধরা হয়। তাপমাত্রা ও শীতকালীন পরিস্থিতি বিবেচনায় এবারের অভিষেক অনুষ্ঠানে নিরাপত্তা পরিকল্পনায় পরিবর্তন আনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন সিক্রেট সার্ভিসের মুখপাত্র।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।