খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

উন্নয়ন অধ্যয়নে ছাত্রাবস্থায় মেলে খণ্ডকালীন ভালো চাকরি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৫, ৭:০৬ অপরাহ্ণ
উন্নয়ন অধ্যয়নে ছাত্রাবস্থায় মেলে খণ্ডকালীন ভালো চাকরি

চ্যালেঞ্জিং কাজ ও পরিবর্তনের সারথি হতে আগ্রহী তরুণ-তরুণীদের জন্য উন্নয়ন অধ্যয়ন বা ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজে স্নাতক হতে পারে একটি চমৎকার বিষয়। এমনকি এই সাবজেক্টে অনার্সের ছাত্রাবস্থায়ই মেলে খন্ডকালীন ভালো চাকরি।

‘উন্নয়ন’ বলতে এখানে কেবল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বোঝায় না। বরং তারও চেয়ে বেশি কিছু। উন্নয়ন এক বহুমুখী ধারণা যেখানে থাকে রাজনীতি, অর্থনীতি, পরিবেশ, সমাজবিজ্ঞান, সংস্কৃতি, প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা, নিরাপত্তা, জননীতি, লিঙ্গ, প্রকল্প ব্যবস্থাপনা এবং সামাজিক গবেষণার মতো অনেক কিছু। এই বিষয়গুলো নিয়ে পড়াশোনা করা হয় উন্নয়ন অধ্যয়ন বা ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজে। এটি সামাজিকবিজ্ঞানের তাত্ত্বিক, ব্যবহারিক এবং গবেষণাভিত্তিক জ্ঞানকে এক জায়গায় এনে শিক্ষার্থীকে এসব বিষয়ে চৌকস করে তোলে।

 

কেবল ডিগ্রি অর্জন নয়, পড়া উচিত আরও যেসব কারণে

১. সামাজিক পরিবর্তনে অবদান: উন্নয়ন অধ্যয়ন আপনাকে সমাজের আরও সচেতন এবং দায়িত্বশীল একজন নাগরিক হতে সাহায্য করে। উদ্ভূত বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা ও সেসবের সমাধানের পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে পারবেন এবং আপনার জ্ঞান ও দক্ষতা ব্যবহার করে সেসব জায়গায় পরিবর্তন আনতে পারবেন।

২. বৈশ্বিক সচেতনতা: এ বিষয়ের জ্ঞান আপনাকে দারিদ্র্য, বৈষম্য, মানবাধিকার, পরিবেশ ইত্যাদি নিয়ে গভীরভাবে জানা এবং বোঝার সুযোগ করে দেয়। সেইসঙ্গে একজন ‍শিক্ষার্থীকে বৈশ্বিক নাগরিক হিসাবে সচেতন করে তোলে এবং বিভিন্ন সংস্কৃতি ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করতে সাহায্য করে।

৩. বৈচিত্রময় ক্যারিয়ার: এই বিষয়ের ডিগ্রি একজন শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন পেশার জন্য প্রস্তুত করে তোলে। যেমন, এনজিও, সরকারি সংস্থা, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং করপোরেট সেক্টর।

৪. সমস্যা সমাধানের যোগ্যতা: এই বিষয় আপনাকে সমস্যা চিহ্নিতকরণ ও বিশ্লেষণ করে সমাধান খুঁজে বের করায় অভিজ্ঞ করে তোলে।

৫. নৈতিক এবং সামাজিক কর্তব্য: এটি শুধু অর্থনৈতিক উন্নয়ন নয়, মানবজীবনের গুণগত দিকগুলোর উন্নতির দিকেও আলোকপাত করে।

৬. নতুন ধারণা উদ্ভাবন: এই বিষয়টি নিত্যনতুন ধারণা নিয়ে গবেষণার সুযোগ করে দেয়।

৭. স্থানীয় উন্নয়ন প্রকল্পে অংশগ্রহণ: স্থানীয় উন্নয়ন প্রকল্প এবং উদ্যোগগুলোতে অংশগ্রহণ করার সুযোগ আছে।

 

 

কোথায় পড়বেন ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ : দেখে নিন বাংলাদেশের কোন কোন বিশ্ববিদ্যালয় বর্তমানে উন্নয়ন অধ্যয়ন পড়ায়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়

হাজী মোহাম্মদ দানেশ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিশ্ববিদ্যালয়

শাহ্জালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি

নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি

বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস্

আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি

সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটি

ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি

ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি

এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেন

কাজের সুযোগ : উন্নয়ন অধ্যয়ন বা ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ এমন একটি বিষয়, যা নিয়ে পড়াশোনা শেষ করার আগেই ভালো বেতনে খণ্ডকালীন চাকরি করতে দেখা গেছে অনেক শিক্ষার্থীকে। অনেকেই বিভিন্ন কলসেন্টার, এনজিও ও আন্তর্জাতিক এনজিও ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে কাজের সুযোগ পান। দেশি-বিদেশি নামকরা গবেষণা প্রতিষ্ঠান, জাতিসংঘের বিভিন্ন অঙ্গসংস্থা যেমন — ইউএন, ইউএনডিপি, ইউনিসেফ, আইডিবি, এডিবি, আইএমএফ, বিশ্বব্যাংকসহ নানান দেশি ও আন্তর্জাতিক এনজিওতে মোটা অঙ্কের বেতনে কাজের সুযোগ থাকে। এ ছাড়া কাজ করতে পারবেন মানবাধিকার কর্মী, একাডেমিক গবেষক, শিক্ষক, সাংবাদিক, ডেভেলপমেন্ট কনসালট্যান্ট, পলিসি অফিসার, লিঙ্গ ও অন্তর্ভূক্তিমূলক উন্নয়ন পরামর্শক, সাংগঠনিক উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ, প্রজেক্ট ম্যানেজার, প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর হিসেবে।

উচ্চশিক্ষার পর উচ্চতর ডিগ্রি : এ বিষয়ের স্নাতকেরা পরে বিভিন্ন বিষয়ে দেশে-বিদেশে উচ্চশিক্ষা এবং গবেষণায় নিয়োজিত হতে পারে সহজেই। যেমন অর্থনীতি, রাজনীতি, সামাজিক উন্নয়ন, মানব উন্নয়ন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন, প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা, নিরাপত্তা, পাবলিক পলিসি, জেন্ডার, প্রজেক্ট ব্যবস্থাপনা, দারিদ্রতা ও টেকসই উন্নয়ন প্রভৃতি খাতে। বিদেশে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে ইউরোপ ও অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের বেশির ভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নয়ন অধ্যয়ন কিংবা এ সংশ্লিষ্ট নানান বিষয়ে বিভিন্ন বৃত্তি নিয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। সামাজিক বিজ্ঞানের অন্য সব বিষয়ের মধ্যে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে সরকারি ও বেসরকারি নানান বৃত্তি নিয়ে বিদেশে পড়তে যাওয়ার সুযোগ উন্নয়নের শিক্ষার্থীদের জন্য অনেক বেশি।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।