খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

পরীক্ষামূলকভাবে চালু হলো স্টারলিংকের স্যাটেলাইট-টু-সেলফোন সেবা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২৫, ১১:৫৮ পূর্বাহ্ণ
পরীক্ষামূলকভাবে চালু হলো স্টারলিংকের স্যাটেলাইট-টু-সেলফোন সেবা

স্টারলিংকের ‘ডাইরেক্ট-টু-সেল’ স্যাটেলাইট সেবার পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সোমবার (২৭ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (পূর্বে টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছেন স্পেসএক্সের প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্ক। তিনি বলেন, স্টারলিংকের এই সেবা সরাসরি স্যাটেলাইট থেকে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট সংযোগ সরবরাহ করবে, যা প্রচলিত মোবাইল টাওয়ার নির্ভরতা দূর করবে। স্টারলিংক জানিয়েছে, তাদের নতুন প্রজন্মের স্যাটেলাইট প্রযুক্তি ইন্টারনেটের গতি ২ জিবিপিএস পর্যন্ত বাড়াতে পারে। এর ফলে গ্রামীণ ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের পাশাপাশি শহর এলাকাতেও উন্নত ইন্টারনেট-সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

ডাইরেক্ট-টু-সেল স্যাটেলাইট সেবা কী : এই সেবা মোবাইল ফোনকে সরাসরি স্যাটেলাইটের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনে সক্ষম করবে। এর ফলে মোবাইল টাওয়ার ছাড়াই ব্যবহারকারীরা যে কোনো স্থানে ইন্টারনেট ব্যবহার, টেক্সট পাঠানো ও কল করতে পারবেন। এমনকি, ফলে দুর্গম পাহাড়, গভীর বন বা মাঝ সমুদ্র থেকেও মুঠোফোনে কল, টেক্সট ও ইন্টারনেট-সেবা পাওয়া যাবে। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, এই সেবার জন্য নতুন ফোন বা অতিরিক্ত হার্ডওয়্যার লাগবে না। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই নতুন সেবা বিশ্বব্যাপী টেলিকম খাতে বিপ্লব ঘটাতে পারে। ভূমিকম্প, বন্যা বা ঘূর্ণিঝড়ের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগে যখন প্রচলিত মোবাইল নেটওয়ার্ক অচল হয়ে যায়, তখন স্টারলিংকের এই সেবা বিকল্প যোগাযোগব্যবস্থা হিসেবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তাছাড়া গ্রামীণ কিংবা প্রত্যন্ত অঞ্চলে, যেখানে সেলুলার সংযোগ নেই, সেখানেও এটি খুব ভালোভাবে কার্যকরী হবে। জানা গেছে, স্পেসএক্স ফ্যালকন ৯ রকেটের মাধ্যমে স্টারলিংকের ডাইরেক্ট-টু-সেল স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ শুরু করেছে। ভবিষ্যতে স্টারশিপ রকেটের মাধ্যমে আরও স্যাটেলাইট মহাকাশে পাঠানো হবে। স্যাটেলাইটগুলো লেজার ব্যাকহলের মাধ্যমে স্টারলিংক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বিশ্বব্যাপী দ্রুত ও নিরবচ্ছিন্ন মোবাইল-সংযোগ নিশ্চিত করবে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।