খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

ভারতে মহাকুম্ভ মেলায় পদদলিত হয়ে নিহত ১২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২৫, ১২:৩৮ অপরাহ্ণ
ভারতে মহাকুম্ভ মেলায় পদদলিত হয়ে নিহত ১২

ভারতের উত্তরপ্রদেশে মহাকুম্ভ মেলায় পদদলনের শিকার হয়ে অন্তত ১২ জন প্রাণ হারিয়েছন। মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) রাত ১ টার দিকে প্রয়াগরাজ জেলায় এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো অন্তত ৩০ জন। বিবিসি তাদের সংবাদে জানিয়েছে, পদদলনের কারণ এখনো সঠিক ভাবে জানা না গেলেও গঙ্গাস্নানের উদ্দেশে মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকেই মেলায় আগত পূণ্যার্থীরা নদীর তীরে জড়ো হয়েছিলেন। বুধবার সূর্য ওঠার আগেই স্নান শেষের বাধ্যবাধকতা থাকায় ব্যাপক ভিড় ছিল গঙ্গার তীরে।  ঘটনাস্থলের বেশ কয়েকটি ছবি ও ভিডিও ফুটেজ থেকে দেখা যায় স্ট্রেচারে করে আহত ও নিহতদের নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। নদীর তীরে পর্যাপ্ত সংখ্যক স্বাস্থ্যকর্মী ও অ্যাম্বুলেন্স ছিল।

একজন স্বাস্থ্যকর্মী বিবিসিকে বলেছেন, মৃতের সংখ্যা এক ডজনের বেশি হবে। দুর্ঘটনার স্থানে বেশ কয়েকটি লাশ দেখতে পাওয়ার কথা জানান তিনি। তবে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ এখনো নিহতের সংখ্যার ব্যাপারে কোনো তথ্য দেয়নি।  সনাতন ধনর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, মৌনী অমাবাস্যায় প্রয়াগরাজের গঙ্গা, যমুনা ও স্বরস্বতী নদীর সঙ্গমে স্নান করলে অশেষ পূণ্য অর্জিত হয়। এ কারণেই মঙ্গলবার এত ভিড় ছিল সেখানে। ভারতীয় চান্দ্র পঞ্জিকা অনুসারে গতকাল (২৯ জানুয়ারি) ছিল মৌনী অমাবাস্যা যার কারণে সেখানে এত ভিড় ছিল।

ভারতের এই কুম্ভ মেলা পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ধর্মীয় সমাগম হিসেবে বিবেচিত হয়। প্রতি ১২ বছর পর পর হয় এই মেলা এবং এতে ভারত ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে জড়ো হন কয়েক কোটি পূন্যার্থী। ১৪৪ বছর পর পর উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে এ মেলা হয়। ভারতের সরকারি তথ্য অনুসারে, এবারের মেলায় ভারত, নেপাল ও বিশ্বের অন্যান্য দেশ থেকে এসেছেন অন্তত ১৪ কোটি ৮০ লাখ পূণ্যার্থী। দেশটির সরকারি তথ্য অনুসারে, এবারের মেলায় ভারত, নেপাল ও বিশ্বের অন্যান্য দেশ থেকে এসেছেন অন্তত ১৪ কোটি ৮০ লাখ পূণ্যার্থী। উত্তর প্রদেশ সরকারের তথ্য বিভাগের অফিসিয়াল তথ্য অনুযায়ী, ভারতীয় সময় আজ সকাল ৬ টায় ১ কোটি ৭০ লাখের বেশি তীর্থযাত্রী স্নান করেছেন।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।