খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

রুশ ড্রোনে পশ্চিমা উপকরণ, পাচারে জড়িত চীন: এস্তোনিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৭:৫০ অপরাহ্ণ
রুশ ড্রোনে পশ্চিমা উপকরণ, পাচারে জড়িত চীন: এস্তোনিয়া

রুশ সামরিক বাহিনীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ পশ্চিমা উপকরণ চোরাচালানের কেন্দ্রস্থল হয়ে উঠেছে চীন। এগুলো ব্যবহার করে মস্কোর সামরিক ড্রোন তৈরির অন্যতম সহায়ক হয়েছে বেইজিং। বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত এস্তোনিয়ার বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থার বার্ষিক প্রতিবেদনে এই দাবি করা হয়েছে। ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রুশ সামরিক বাহিনীর প্রায় ৮০ শতাংশ উপকরণ চীন থেকে এসেছে। এর আগে ইউক্রেনের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, যুদ্ধক্ষেত্র থেকে উদ্ধারকৃত রুশ সামরিক সরঞ্জাম যাচাই করে তারা নিশ্চিত হয়েছে যে, অন্তত ৬০ শতাংশ উপকরণ চীন পাঠিয়েছে। এস্তোনিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাশিয়ার জন্য উচ্চ প্রযুক্তি এবং দ্বৈত ব্যবহারযোগ্য উপকরণ আমদানির প্রাথমিক কেন্দ্র হচ্ছে চীন। তারা কৌশলে পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা এড়াতে ক্রেমলিনকে সহায়তা করছে।

এক ভিডিও কলে গোয়েন্দা সংস্থার পরিচালক কাউপো রোসিন বলেছেন, ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়া হেরে গেলে তা হবে চীনের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী যুক্তরাষ্ট্রের জয়। এজন্যই মস্কোর পরাজয় ঠেকানোতেই বেইজিংয়ের প্রধান স্বার্থ নিহিত। এস্তোনিয়ার রাজধানী শহর তালিনে অবস্থিত চীনা দূতাবাসে ওই প্রতিবেদনের বিষয়ে বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করেছে রয়টার্স।
মস্কোকে নিজেদের নিরাপত্তার অন্যতম ঝুঁকি হিসেবে বিবেচনা করে থাকে তালিন। তাই পশ্চিমা দেশগুলোর সামরিক জোট ন্যাটো সদস্য এস্তোনিয়া রাশিয়ার সামরিক সক্ষমতা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করে থাকে। বিশেষত ২০২২ এ ইউক্রেনে পূর্ণ সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে তাদের সতর্কতা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় বাল্টিক প্রতিবেশী লাটভিয়া ও লিথুয়ানিয়ার মতো এস্তোনিয়াকেও বলপূর্বক দখল করেছিল মস্কো। ১৯৯১ সালে সোভিয়েতের পতনের পরই কেবল তারা নিজেদের সার্বভৌমত্ব ফেরত পায়।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।