খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

আসামের মুখ্যমন্ত্রীর বিতর্কিত মন্তব্য

বাংলাদেশের দুই চিকেন নেক ঝুঁকিপূর্ণ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ মে, ২০২৫, ৩:০২ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশের দুই চিকেন নেক ঝুঁকিপূর্ণ

শিলিগুড়ি ‘চিকেন নেক করিডোর’ নিয়ে বক্তব্যের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের মানচিত্র নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। তিনি বলেছেন, “যারা ভারতকে ‘অভ্যাসগতভাবে হুমকি দেয়’ তাদের মনে রাখা  উচিত— বাংলাদেশের দুটি সংকীর্ণ ভূমি রয়েছে, যা অনেক বেশি ‘ঝুঁকিপূর্ণ’। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ‘চিকেনস নেক’ সম্পর্কে মন্তব্যের কয়েক সপ্তাহ পরে এমন হুমকি এলো আসামের মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষ থেকে। এই মন্তব্য করেই থামেননি হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। রংপুর আর চট্টগ্রাম বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন হতে পারে বলেও বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন তিনি। রোববার (২৫ মে) সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব মন্তব্য করেন। বাংলাদেশের মানচিত্রও পোস্ট করেছেন হিমন্ত শর্মা লেখেন

“যারা ‘চিকেন নেক করিডোর’ নিয়ে ভারতকে হুমকি দিচ্ছেন, তাদের এই তথ্যগুলোও মনে রাখা উচিত:

১. বাংলাদেশের নিজস্ব দুটি ‘চিকেন নেক’ আছে। দুটিই অনেক বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।

২️. প্রথমটি উত্তর বাংলাদেশ করিডোর (প্রথম ‘চিকেন নেক’)। ভারতের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা থেকে শুরু হয়ে বাংলাদেশের রংপুর বিভাগের সঙ্গে সংযুক্ত দক্ষিণ-পশ্চিম গারো হিলস পর্যন্ত বিস্তৃত। এই করিডোরটি ৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ। এই পথ বাধাগ্রস্ত হলে বাংলাদেশের রংপুর বিভাগ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে।

৩️. দ্বিতীয়টি হলো ২৮ কিলোমিটার চট্টগ্রাম করিডোর, দক্ষিণ ত্রিপুরা থেকে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত। ভারতের চিকেন নেকের চেয়ে ছোট এই করিডোরটি বাংলাদেশের বাণিজ্যিক রাজধানী এবং রাজনৈতিক রাজধানীর মধ্যে একমাত্র সংযোগস্থল।

এরপর হিমন্ত লেখেন, ‘আমি কেবল ভৌগোলিক তথ্য উপস্থাপন করছি যা কেউ কেউ ভুলে যেতে পারেন। ভারতের শিলিগুড়ি করিডোরের মতো, আমাদের প্রতিবেশী দেশটিও তাদের দুটি সরু করিডোর দিয়ে তৈরি। ’”

গত মার্চের শেষের দিকে চীনে চার দিনের সফরে গিয়ে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশই একমাত্র ‘সমুদ্রের (বঙ্গোপসাগরের) অভিভাবক’, বলে মন্তব্য করেন। ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় সাত রাজ্য ‘স্থলবেষ্টিত’ তথ্য দিয়ে তিনি বলেছিলেন, ‘এটি একটি বিশাল সম্ভাবনা উন্মোচন করে’। এরপরই চিকেনস নেক নিয়ে আরও সতর্ক হয় ভারত। সে সময় হিমন্ত বিশ্ব শর্মা এই বিবৃতিকে ‘আপত্তিকর’ অভিহিত করেন এক্সে পোস্ট দিয়েছিলেন। শিলিগুড়ি ‘চিকেনস নেক’কে এড়িয়ে উত্তর-পূর্ব ভারতকে বাকি অংশের সঙ্গে সংযুক্ত করার জন্য বিকল্প সড়ক পথ অনুসন্ধানকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন মোদী সরকারের কাছে। উল্লেখ্য, ‘চিকেনস নেক’ পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়িতে অবস্থিত একটি সংকীর্ণ করিডোর, যা উত্তর-পূর্ব ভারতের সাতটি রাজ্যকে ভারতের বাকি অংশের সঙ্গে সংযুক্ত করে। এই করিডোরের সবচেয়ে সংকীর্ণ অংশটি মাত্র ২০ থেকে ২২ কিলোমিটার চওড়া। এই করিডোরের এক পাশে রয়েছে নেপাল, অন্য পাশে বাংলাদেশ এবং করিডোরটির উত্তরে রয়েছে ভুটান। কাজেই এই করিডোরটি ভূ-রাজনৈতিক এবং ভূ-অর্থনৈতিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সূত্র: এনডিটিভি, এক্স

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।